পর্নোকে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর বলে ঘোষণার দাবি

পর্নো দেখা স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর—এ কথাটি সরকারিভাবে ঘোষণা দেওয়ার দাবি তুলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যের একজন আইনপ্রণেতা।

ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রবার্ট জি মার্শাল নামের ওই আইনপ্রণেতা এ–সংক্রান্ত একটি বিলও অঙ্গরাজ্য আইনসভায় প্রস্তাব করেছেন।

প্রস্তাবে রবার্ট জি মার্শাল বলেন, পর্নোগ্রাফি নানা ধরনের সামাজিক সমস্যার সৃষ্টি করছে। বিশেষ করে তরুণদের যৌন স্বাস্থ্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ ছাড়া পর্নোগ্রাফির কারণেই শিশু ও নারীরা হেনস্তার শিকার হচ্ছেন। আইনসভায় ১১ জানুয়ারি থেকে নতুন অধিবেশন শুরু হবে। এ অধিবেশনেই পর্নো দেখাকে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর ঘোষণা করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

রবার্ট জি মার্শাল বলেন, ১৯৬৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সার্জন জেনারেল লুথার এল টেরি ধূমপানের সঙ্গে রোগের সম্পর্ক খুঁজে বের করেন। সেই প্রতিবেদন তিনি ফেডারেল সরকারের কাছে জমা দেন। এরপরই ধূমপানকে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়। ঠিক একইভাবে তিনি পর্নোগ্রাফিকে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হিসেবে ঘোষণা দেওয়ার দাবি জানান। তিনি বলেন, ‘এটাকে যদি সমস্যা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়, তাহলেই একটি নির্দিষ্ট কাঠামোর ভেতর থেকে তার সমাধানের পথ খুঁজে পাওয়া সম্ভব হবে।’

রবার্ট জি মার্শাল আরও বলেন, ‘পর্নোগ্রাফিতে নারীদের পণ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এটা শেখায় যে নারীরা পণ্য আর পুরুষেরা সেই পণ্য ব্যবহার করে। এ ছাড়া পর্নোগ্রাফি নারী ও শিশুদের পণ্য হিসেবে বিবেচনা করায় সমাজে ধর্ষণের মতো ঘটনাও বেড়ে যাচ্ছে।’

প্রস্তাবে রবার্ট জি মার্শাল অবশ্য পর্নোগ্রাফি একদম বন্ধ করার কথা বলেননি। বরং এটা যে মহামারি আকার ধারণ করেছে, এ কারণে এ বিষয়ে শিক্ষা ও গবেষণার প্রয়োজনের কথাও উল্লেখ করেছেন রিপাবলিকান পার্টির আইনপ্রণেতা মার্শাল।

রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের নি‌য়োগ বিজ্ঞ‌প্তি

সরকা‌রি বি‌ধি মোতা‌বেক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক। পাঁচ ধরনের পদে মোট ৩৩১ জন বাংলাদেশি নাগরিকদের এই নিয়োগ দেওয়া হবে।

প্রাকৃ‌তিক অ্যান্টিবায়োটিক

অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ করে বি‌ভিন্ন প্রাকৃতিক উপাদান। ব্যাকটেরিয়ার কারণে হওয়া সংক্রমণ দূর করতে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয়। অ্যান্টিবায়োটিক সংক্রমণের বৃদ্ধি কমিয়ে দেয় বা বন্ধ করে দেয়। ব্যাকটেরিয়া দিয়ে সংক্রমিত হলে চিকিৎসকরা আমাদের অ্যান্টিবায়োটিক দেন। তবে কিছু প্রাকৃতিক উপাদানও রয়েছে, যেগুলো অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ করে। এই ভেষজ উপাদানগুলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই জানিয়েছে এসব প্রাকৃতিক উপাদানগুলোর কথা।

হলুদ
হলুদের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিবায়োটিক উপাদান। এগুলো ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করতে কাজ করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এটি ব্যাকটেরিয়ার কারণে হওয়া সংক্রমণ প্রতিরোধেও কাজ করে।

আদা
আদা বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়ার কারণে হওয়া সংক্রমণ প্রতিরোধ করে। শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা প্রতিরোধে আদা খুব ভালো ঘরোয়া উপাদান।

নিম
নিমের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিবায়োটিক উপাদান। এটি ব্রণ তৈরির ব্যাকটেরিয়াগুলোর সঙ্গে লড়াই করে, মুখগহ্বরের সংক্রমণের সঙ্গে লড়াই করে, ক্ষয় ও মাড়ির রোগ প্রতিরোধ করে।

মধু
মধুও আরেকটি চমৎকার অ্যান্টিবায়োটিক। এর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিসেপটিক ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান। এটি ব্যাকটেরিয়া উৎপন্ন হওয়াকে ব্যাহত করে।

জলপাইয়ের তেল
জলপাইয়ের তেলও ব্যাকটেরিয়ার কারণে হওয়া সংক্রমণ প্রতিরোধ করে। এর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিফাঙ্গাল ও অ্যান্টিভাইরাল উপাদান। এগুলো ত্বকের সংক্রমণ কমায়।

আইন ও বিচারিক সেবা এখন বিচার বাতায়নে


বাংলা‌দেশ সরকারের আইন ও বিচার বিভাগ- বিচার ব্যবস্থাকে জনবান্ধব করার জন্য এবং সকল বিচারিক তথ্য ও সেবা জনগণের হাতের নাগালে নিয়ে আসার জন্য চালু ক‌রেছে বিচার বিভাগীয় বাতায়ন।

যেকোনো অন্যায়-অপরাধের বিচার পেতে এবং বিচারিক নানা সহায়তা পেতে কোর্টে গি‌য়ে দালালদের পেছনে দৌড়াদৌড়ির দিন শেষ! এখন ঘরে বসে বিচার বিভাগীয় বাতায়নের ও‌য়েবসাই‌টের সাহায্যে যেকোনো সময় পাওয়া যাবে বিচারিক সেবা। এটুআই (A to I) প্রোগ্রামের আওতায় সুপ্রীম কোর্ট ও আইন এবং বিচার বিভাগের সহায়তায় তৈরি এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে দেশের যেকোনো স্থান থেকে যে কেউ খুব সহজেই বিনামূল্যে সকল প্রকার বিচারিক তথ্য ও সেবা পেতে পারে। 

২৪ ডিসেম্বর, ২০১৬ ইং তা‌রি‌খে বিচার বিভাগীয় বাতায়নের শুভ উদ্বোধন করেন বাংলাদেশের মাননীয় প্রধান বিচারপতি এস‌ কে সিনহা। বিচার বাতায়ন হতে একজন নাগরিক একটি মামলার বিচার পদ্ধতি, আইনজীবীগণের তথ্য, বিচারিক কাজে ব্যবহৃত প্রয়োজনীয় সকল ফরম এবং কোন ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে কোথায় কীভাবে প্রতিকার পাওয়া যাবে, মামলার কার্যতালিকা, আইনি সহায়তা ইত্যাদি সকল বিষয়ে যাবতীয় তথ্য ও সেবা পাবেন। 

বিচার বিভাগীয় বাতায়ন কাঠামোর আওতায় বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট বাতায়ন, মহানগর আদালত বাতায়ন, জেলা আদালত বাতায়ন ও বিভিন্ন ট্রাইবুনালের জন্য ভিন্ন ভিন্ন বাতায়ন রয়েছে। একজন নাগরিক বিচার বিভাগীয় বাতায়নের মাধ্যমে সহজেই অন্যান্য বাতায়নে প্রবেশ করতে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য ও সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।
এই বাতায়নের বাংলা ও ইংরেজি দুটি ভার্সন রয়েছে। যে কোনো ডিভাইস থেকে অনায়াসে এ বাতায়নে প্রবেশ করা যাবে।

বিচার বিভাগীয় বাতায়নের ঠিকানা- www.judiciary.org.bd

এই ও‌য়েবসাই‌টে ১। উচ্চ আদালত; ২। অধস্তন আদালত এবং ৩। ট্রাইব্যুনালের সকল বিচারিক তথ্য ও সেবা এক ঠিকানায় পাওয়া যা‌বে।

বিচার বাতায়‌নের সেবা সমূহঃ
ক) উচ্চ আদালত-
নোটিস
উচ্চ আদালতের সিদ্ধান্তসমূহ
অনলাইন বুলেটিন
ই-ডিরেক্টরি

খ) আইন ও বিচার বিভাগ-
নিউজ ও নোটিস
বাজেট ও উন্নয়ন
প্রশাসনিক কাঠামো
ই-ডিরেক্টরি

গ) অধস্তন আদালত-
গ্রেডেশন তালিকা
ফৌজদারি মামলা
দেওয়ানি মামলা
কোর্ট-ফি সংক্রান্ত বিধানাবলি

ঘ) আচরণবিধি-
আদালতে আচরণবিধি
বিচারকের জন্য আচরণবিধি
আইনজীবীর জন্য আচরণবিধি
সার্কুলারসমূহ

ঙ) আইন অধিকার-
মৌলিক অধিকার
থানায় আপনার অধিকার
আদালত নোটিসে করণীয়
জামিনযোগ্য ধারার অপরাধসমূহ

চ) শিশু ও নারী সংক্রান্ত সেবা-
শিশু আদালত
প্রবেশন সেবা
নিরাপদ হেফাজত সংক্রান্ত সেবা
ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার

তাই প্র‌য়োজ‌নে এখন আর যাকে-তাকে প্রশ্ন না করে; ওয়েবসাইট ভিজিট করুন, সেবা নিন বিচার বিভাগীয় বাতায়নের। সা‌থে বিচারিক সেবা ও তথ্য পান যখন যে মুহুর্তে প্রয়োজন!

পিইসিতে স্কুল সেরা ৬৫ বছরের বাছিরন

ধবধবে সাদা শাড়ি ও ওড়না পরে ৬৫ বছরের বাছিরন তার সমাপনী পরীক্ষার ফলাফল জানতে এসেছিলেন বিদ্যালয়ে। ফলাফলে দেখা গেল বিদ্যালয়ের সেরা তিনিই। হোগলবাড়ীয়া পূর্বপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে বাছিরন নেছা জিপিএ-৩ পেয়ে বিদ্যালয়ের  সেরা হন। তার এই কৃতিত্বে সবাই মুগ্ধ। তাকে ঘিরে এলাকাবাসী ও স্কুল কর্তৃপক্ষের ব্যাপক উদ্দীপনা। মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার হোগলবাড়ীয়া গ্রামের মৃত রহিল উদ্দীনের স্ত্রী বাছিরন নেছা পিইসি পরীক্ষা দিয়ে দেশে আলোচিত হন।

গতকাল বেলা ১১টার আগেই বাছিরন ফলাফল নিতে বিদ্যালয়ে পৌঁছান। তার সঙ্গে ছিলেন ওই বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক ও এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। বাছিরন কী ফলাফল অর্জন করেন তা জানার জন্য কৌতূহলী মানুষ স্কুলের বারান্দায় ভিড় জমান।
বাছিরনের চোখেমুখে ছিল আত্মবিশ্বাসের ছটা। শেষ পর্যন্ত আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। সহপাঠী সবাইকে পেছনে ফেলে বিদ্যালয় সেরা ফল তার নামেই। এই খুশিতে যেন আত্মহারা বৃদ্ধা বাছিরন নেছা।  বিদ্যালয়ে উপস্থিত সকলের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করা হয়। ‘ভি’ চিহ্ন প্রদর্শন করে ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে আনন্দ প্রকাশ করেন তিনি।
প্রতিক্রিয়ায় বাছিরন নেছা বলেন, ‘পাস করার মধ্যে যে এত মজা তা আগে বুঝিনি।’ এ ফলাফলে তিনি শিক্ষক, সহপাঠী ও পরিবারের সদস্যদের ধন্যবাদ জানান। যতদিন বেঁচে থাকবেন, ততদিন লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়ার আশা ব্যক্ত করেন বাছিরন।

বাছিরন নেছার বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আনার কলি জানান, দীর্ঘ ৫ বছর ধরে বাছিরনকে লেখাপড়া করাচ্ছি। তিনি যে এত ভাল ফলাফল করবেন তা জানা ছিল না। এই ফলাফলে গর্বিত তিনি। ফলাফল ঘোষণার সময় ওই বিদ্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত মহিলা এমপি সেলিনা আখতার বানু। তিনি বলেন, ইচ্ছে শক্তির কাছে বয়স যে কোনো বাধা নয় তা আবারো প্রমাণ করলেন বাছিরন। তার এলাকার একজন বয়োবৃদ্ধ লেখাপড়া ও ভালো ফলাফল করায় তিনিও গর্বিত। বাছিরন দেশের মধ্যে এক অনন্য দৃষ্টান্ত বলেও মনে করেন সেলিনা আখতার বানু। এমপি আগামী ছয় মাসের মধ্যে বাছিরনের প্রাথমিক বিদ্যালয়টি পাকাকরণের সার্বিক ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাসও দেন।
এদিকে বাছিরনকে শুভেচ্ছা জানাতে তার বাড়িতে ছুটে যান গাংনী উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফ-উজ-জামান ও মটমুড়া ইউপি চেয়ারম্যান সোহেল আহম্মেদ। পিইসি পরীক্ষা পরিদর্শন করে বাছিরনের লেখাপাড়ার সমস্ত ব্যয় বহনের ঘোষণা দিয়েছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার।
জানা গেছে, মেহেরপুর জেলা শহর থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে গাংনী উপজেলার হোগলবাড়িয়া গ্রামের মাঠপাড়ায় বাছিরনের বাড়ি। বাসিরন গ্রামের রহিল উদ্দিনের স্ত্রী। ৩৫ বছর আগে স্বামী মারা যান। বাছিরনের সংসারে এক ছেলে ও দুই মেয়ে। ছেলে মহির উদ্দিনের সঙ্গে থাকেন তিনি। নাতি-নাতনিরা কলেজে ও বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করে। ২০১১ সালে বাড়ি থেকে এক কিলোমিটার দূরে হোগলবাড়িয়া পূর্বপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হন প্রথম শ্রেণিতে। ২০১৬ প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় অংশ নেন তিনি। বাছিরন জানান, অর্থসংকটের কারণে তার পড়াশোনা হয়নি। চেষ্টা করেছিলেন ছেলে মেয়েকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করতে। এর মধ্যেই মারা যান তার স্বামী। ফলে সন্তানদের লেখাপড়া করাতে পারেননি। পরে যখন নাতি-নাতনিরা লেখাপড়া শুরু করলো তখন তিনি সিদ্ধান্ত নেন নিজে লেখাপড়া করার।

গতকাল বাছিরন তার বয়োবৃদ্ধ ভাই আকবর আলী ও ছেলে মহিরুদ্দিনকে সঙ্গে করে বিদ্যালয়ে এসেছিলেন পরীক্ষার ফলাফল জানতে। প্রধান শিক্ষক হেলাল উদ্দিন বলেন, বাছিরন নেছা ২০১০ সালে স্কুলে ভর্তি হওয়ার জন্য কয়েকবার এসেছিলেন। বয়স্ক মানুষ ভেবে সে বছর তাকে ভর্তি করানো হয়নি। পরে যখন তিনি আবার আসেন ২০১১ সালে তাকে ভর্তি করি। ভর্তি করার পর থেকে তার আগ্রহ দেখে অবাক হয়েছি। প্রতিদিন ক্লাস তিনি করেছেন। ক্লাসের সহপাঠীদের সঙ্গে তার শিশুদের মতোই আচরণ শিক্ষকদের মুগ্ধ করতো।
সহপাঠী মৌ জানায়, বাছিরন তার দাদির বয়সী হলেও তাকে বান্ধবীর মতো করে দেখতে হয়। লেখাপড়া নিয়ে কোনো সমস্যা মনে হলে একে অপরকে সহযোগিতা করেন। সে আরো বলে, বাছিরনকে স্যাররা পড়া ধরতে দেরি করলে মন খারাপ করে স্যারদের বলতেন আমার পড়া ধরেন।
মটমুড়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সোহেল আহমেদ বলেন, আমার ইউনিয়ন এলাকায় এ ধরনের বয়সের কেউ লেখাপড়া করতে চাইলে তাকে পরিষদের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।
গাংনী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আকবর আলী জানান, শিক্ষার কোনো বয়স নাই। এ বয়সের একজন পিএসসি পরীক্ষায় পাস  করেছে। যা নিরক্ষরমুক্ত দেশ গড়তে সকলেই অনুপ্রাণিত হবে।

© মানবজ‌মিন