Showing posts with label সুস্থ্য থাকুন. Show all posts
Showing posts with label সুস্থ্য থাকুন. Show all posts

ফল কখন খাওয়া উচিত, খাওয়ার আগে না পরে? Best Time to Eat Fruits


কথায় আছে খালি পেটে জল, ভরা পেটে ফল। কিন্তু ভাত কিম্বা রুটি খাওয়ার সাথে সাথে ফল খাওয়া কতটা স্বাস্থ্যকর? কি বলছে প্রাচীন আয়ুর্বেদ শাস্ত্র এবং আধুনিক চিকিতসা শাস্ত্র। আসুন দেখে নেওয়া যাক।

কখন ফল খাওয়া উচিত? খাবার খাওয়ার আগে নাকি পরে। এই বিষয়ে দ্বন্দ্ব দীর্ঘদিনের। তবে বেশির ভাগ চিকিৎসকই খালি পেটে ফল খেতে বারন করেন। কারণ, খালি পেটে ফল খেলে হজমের মত নানাবিধ সমস্যা দেখা দিতে পারে। কিন্তু ভরা পেটে ফল খাওয়াও কি সম্পূর্ণ নিরাপদ?

ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন পড়ার নিয়ম, এই সঙ্কেত গুলোর মানে জেনে নিন : How to Read a Doctor's Prescription

প্রেসক্রিপশনে চিকিৎসকের লেখা সঙ্কেত! কী সেই মানে? জেনে নিন

শারীরিক সমস্যা বা অসুস্থতা হলেই যেতে হয় চিকিৎসকের কাছে (Doctor Prescription Online). অসুস্থতার কথা জানার পরে চিকিৎসকরা তাদের প্রেসক্রিপশন লিখে দেন। রোগীদের কাছে চিকিৎসকেরা ঈশ্বরের সমতুল। চিকিৎসকরা যে প্রেসক্রিপশন লেখেন, সেখানে এমন কিছু শব্দ বা চিহ্ন থাকে, যা সাধারণ মানুষের পক্ষে বোঝা সম্ভব হয়ে ওঠেনা। এখানে সেই ডাক্তারি পরিভাষার বিষয়ে বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

জ্বর থেকে মুক্তি পেতে রাসূল সা: যে দোয়া শিক্ষা দিয়েছেন


এখন আবহাওয়া পরিবর্তনের সময়। স্বাভাবিকভাবে এ সময়গুলোতে শরীরে নানা ধরনের অসুস্থতা দেখা দিতে পারে। সেগুলোর অন্যতম হলো- জ্বর, ঠান্ডা ইত্যাদি।

ঠান্ডা-জ্বরসহ যেকোনো অসুস্থতার ক্ষেত্রেই ইসলাম চিকিৎসা গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করেছে। পাশাপাশি দিয়েছে সুন্নাত পরিপালনের নির্দেশনা।

হাদিসের কিতাবগুলোতে বিভিন্ন রোগ-বালাইয়ের নিরাময়ে নানা আমলের কথা বর্ণিত হয়েছে। এখানে জ্বর থেকে মুক্তি লাভের দোয়া তুলে ধরা হলো-

সাইনোসাইটিস

সাইনাসের যন্ত্রণায় অনেকেই কাবু হয়ে যান। ঠান্ডা সহ্য করা বেশ কঠিন হয়ে পড়ে সাইনাসের রোগীদের ক্ষেত্রে। নাক, চোখ ও মাথাব্যথার জন্য সাইনাসে আক্রান্ত রোগীদের কষ্ট পেতে হয়।সাইনোসাইটিস দুই প্রকার—তীব্র ও দীর্ঘস্থায়ী।

দীর্ঘস্থায়ী সাইনোসাইটিসের জন্য অ্যান্টিবায়োটিকের প্রয়োজন হয়। তবে তীব্র সাইনোসাইটিসের ক্ষেত্রে ঘরোয়া কিছু উপায় মানলে মুহূর্তে তা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

সাইনাস সংক্রমণ ডাস্ট অ্যালার্জি, বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক বা ধোঁয়ার কারণে হতে পারে। সাইনাস সংক্রমণ হলে মাথাব্যথা, কান, দাঁত, জ্বর, ফোলাভাব, গলাব্যথা ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দেয়।

তরমুজের খোসার বি‌চিত্র গুণ : Health Benefits of Watermelon

পুষ্টিবিদরা বলেন তরমুজের বাকি অংশের তুলনায় খোসার সাদা অংশ অনেক বেশি উপকারী। কী গুণ আছে এর?

বাড়ছে তাপমাত্রা পারদ। গরম পড়েছে জাঁকিয়ে। শরীর ঠান্ডা রাখতে অনেকেই তাই ভরসা রাখছেন বিভিন্ন গ্রীষ্মকালীন ফলের উপর। শরীর আর্দ্র রাখতে প্রয়োজন পড়ে জল আর জল জাতীয় বিভিন্ন ফলের। এই তালিকায় একেবারে প্রথম দিকে আসে তরমুজের নাম। তরমুজে রয়েছে ৯২ শতাংশ জলীয় উপাদান যা শরীরের প্রয়োজনীয় জলের চাহিদা পূরণ করে। কিন্তু জানেন কি শুধু তরমুজ নয়, এর খোসাতেও রয়েছে প্রচুর পুষ্টিগুণ। তরমুজ খেতে গিয়ে অনেক সময়ে ভুল করে তরমুজের সাদা অংশ পেটে চলে যায়। পুষ্টিবিদরা বলেন, তরমুজের বাকি অংশের তুলনায় খোসার সাদা অংশ অনেক বেশি উপকারী। এতে ফাইবারের পরিমাণ বাকি তরমুজের তুলনায় অনেক বেশি। চিনির মাত্রাও কম। বিস্বাদ বলে তরমুজের যে সাদা অংশটি সবাই ফেলে দেয় ওটাই আসলে সবচেয়ে বেশি উপকারী।

তরমুজের বীজের অজানা উপকার

তরমুজে প্রচুর উপকার। কিন্তু তরমুজের বীজ ফেলে দিচ্ছেন কি? খবরদার, সেটা করবেন না। বীজটাই আসল। হার্ট থাকবে বিন্দাস।

ব্লাড সুগার এক্কেবারে নর্মাল। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। বাড়বে স্মৃতিশক্তি।

তরমুজের বীজে ভিটামিন বি
আমেরিকার ক্যানসার সোসাইটির রিপোর্ট বলছে, খাবারকে এনার্জিতে পরিণত করে ভিটামিন বি। নিয়াসিনের মতো ভিটামিন বি স্নায়ুতন্ত্র ও পরিপাকতন্ত্রকে রক্ষণাবেক্ষণ করে।

সারাদিনে যে পরিমাণ প্রোটিন প্রয়োজন, তার ৬০ শতাংশ পাওয়া যায় এককাপ তরমুজের বীজে। শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় নানা ধরনের অ্যামাইনো অ্যাসিড রয়েছে। ফলে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ। করোনারি হার্ট ডিজিজের চিকিত্সার ক্ষেত্রেও এটা একটা জরুরি উপাদান।

তরমুজের বীজে মিনারেলস
তরমুজের বীজে রয়েছে প্রচুর ম্যাগনেসিয়াম। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেলথের রিপোর্ট বলছে, ম্যাগনেসিয়াম ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণে রাখে।

তরমুজের বীজে আয়রন
প্রোটিন তো বটেই, তরমুজের বীজে রয়েছে প্রচুর আয়রন। চুলের শক্তি বাড়ায়। চুল পড়া কমায়। চুল পাতলা হয় না, শুকনো হয় না। একটি পাত্রে একমুঠো তরমুজের বীজ নিয়ে ৭৫০ মিলিগ্রাম জল দিয়ে অল্প আঁচে ৪৫ মিনিট ফুটিয়ে ঢেকে রাখতে হবে। ঠান্ডা হলে সেই জল খাওয়া যেতে পারে। প্রতিদিন খেলে ডায়াবেটিস বলবে টা টা বাই বাই। তরমুজের শুকনো বীজ চায়ের সঙ্গে মিশিয়েও খাওয়া যেতে পারে। 

তরমুজের বীজে ফ্যাট
এককাপ শুকনো তরমুজের দানায় ৫১ গ্রাম ফ্যাট রয়েছে। এর ১১ শতাংশ স্যাচুরেটেড ফ্যাট। বাকিটা পলিস্যাচুরেটেড, মনোস্যাচুরেটেড এবং ওমেগা ৬ ফ্যাটি অ্যাসিড। আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের রিপোর্ট বলছে, মনো ও পলিস্যাচুরেটেড ফ্যাট রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। ওমেগা ৬ ফ্যাটি অ্যাসিড উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে। ফ্যাটি অ্যাসিডে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ে

ব্রেস্ট ক্যানসারের আগাম লক্ষণ ৬টি! নিজেই নিজের স্তন পরীক্ষা করুন নিয়মিত : Breast Cancer

মহিলাদের ক্ষেত্রে স্তনের ক্যানসারও আগে ধরা পড়লে সেখান থেকে সুস্থ হয়ে ওঠা সম্ভব। তবে ধরা পড়তেই অনেকটা সময় লেগে যায়।

ক্যানসার যত দ্রুত ধরা পড়ে তত তার চিকিৎসার বেশি পথ খোলা থাকে। এই রোগের আভাস তাই আগে পাওয়া জরুরি। বিশেষ করে যাদের পরিবারের কেউ ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছেন তাঁদের বেশি সতর্ক থাকা উচিত।

মহিলাদের ক্ষেত্রে স্তনের ক্যানসারও আগে ধরা পড়লে সেখান থেকে সুস্থ হয়ে ওঠা সম্ভব। তবে ধরা পড়তেই অনেকটা সময় লেগে যায়। কিন্তু কিছু উপসর্গ থাকে যা আগাম জানান দেয় স্তন ক্যানসারের।

ইয়োগা কেন করবেন : Why Do Yoga

যোগ বা ইয়োগা অত্যন্ত প্রাচীন একটি শাস্ত্র। এর মধ্যে আছে আমাদের শারীরিক সুস্থতা, মানসিক প্রশান্তি ও চারিত্রিক উন্নতি সাধনের সুযোগ। পরিবেশ ও প্রকৃতির সঙ্গেও যোগব্যায়ামের নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। প্রকৃতির পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের শরীরেও নানা ধরনের সুবিধা–অসুবিধা দেখা দেয়। যেমন ঠান্ডা আবহাওয়ায় নানা ধরনের রোগবালাই কমবেশি সবার মধ্যেই দেখা যায়। নিয়মিত যোগচর্চার মাধ্যমে সহজেই এই রোগগুলো থেকে আমরা মুক্ত থাকতে পারি।

ইয়োগার শাখা মূলত আটটি। এর মধ্যে তিনটি বিশ্বব্যাপী সমাদৃত। এগুলো হলো আসন (শারীরিক ব্যায়াম), প্রাণায়াম (নিশ্বাসের ব্যায়াম) ও মেডিটেশন (ধ্যান)। এই তিন শাখা নিয়মিত চর্চা করে নিজেকে সুস্থ ও সুন্দর রাখা সম্ভব।

কোভিড রোগীর জন্য এ্যান্টিভাইরাল ও সিটি স্ক্যান কি জরুরি?

ঢাকায় থাকেন ফারজানা মান্নান। সোমবার থেকে ১১ দিন আগে সামান্য হাঁচি হয় তার। তিনি বলেন এর দুই দিন পর তার ছেলের হাঁচি হয়। ফারজানা মান্নান বলেন `আমার বা আমার ছেলের আর কোন উপসর্গ ছিল না। আমাদের জ্বর,কাশি হয়নি। স্বাদ গন্ধও ঠিক ছিল। কিন্তু আমি সতর্কতাবশত আমার পরিবারের সবার করোনাভাইরাসের টেস্ট করাই।'

সেই টেস্ট করার পর দেখা যায় তিনিসহ তার পরিবারের আরো চারজনের করোনাভাইরাস পজেটিভ রিপোর্ট এসেছে।

`আমার বাবা বিশ্বাস করতে চাইছিলেন না যে তার করোনা পজেটিভ এসেছে। কারণ তার কোন উপসর্গ ছিল না। আমরা সিওর হওয়ার জন্য দ্বিতীয়বার টেস্ট করাই, তখনও তার পজেটিভ আসে,' তিনি জানান। এভাবেই এক পরিবারে চারজন করোনাভাইরাসের আক্রান্ত হওয়ার পর তারা চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। তাদেরকে ১০টি ওষুধ প্রেসক্রাইব করা হয়। সঙ্গে রক্ত পরীক্ষা।

এই ওষুধগুলোর মধ্যে ছিল এ্যান্টিভাইরাল ওষুধ মনলুপিলাভির, যেটা দিনে দুই বেলা আটটা করে খেতে হবে বলে চিকিৎসক পরামর্শ দেন। ফারজানা মান্নান বলছেন তিনি এই ওষুধের পরিমাণ দেখে দ্বিতীয় একটা মতামত নেয়ার জন্য আরেকজন চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

তিনি বলেন `দ্বিতীয় ডাক্তার আমার রক্ত পরীক্ষার রিপোর্ট দেখেই বলেন আপনার খুব মাইল্ড উপসর্গ। এইসব ওষুধ খাওয়ার কোন দরকার নেই। আপনি শুধু ভিটামিন, সি, ডি ও জিঙ্ক খান। গরম পানির ভাপ নেন। আমিসহ আমার পরিবারের সবাই সেটাই করছি। আলহামদুলিল্লাহ আমরা ভাল আছি।'

যশোরের আরেকজন ব্যক্তি বলছেন গত দুই দিন আগে তার করোনভাইরাস পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। তিনি বলেন `আমার সারা বছর কাশি থাকে। সেটাকে আমি উপসর্গ হিসেবে দেখিনি। কিন্তু যেটা হয়েছে আমার দুর্বল লাগছিল। আমি ডাক্তারের পরামর্শে ওষুধ খাওয়া শুরু করি। কিন্তু দিনে আটটা `এমোরিভির ২০০' ওষুধ খাওয়াটা আমার জন্য বেশ অস্বস্তিকর মনে হচ্ছিল।'

`এরপর আমি আমার পরিচিত আরেক ডাক্তারের শরণাপন্ন হই। তিনি আমাকে বলেন, ভিটামিন সি জাতীয় খাবার বেশি খেতে আর ওই ওষুধটা বন্ধ রাখতে। এর সাথে আমাকে একটা সিটি স্ক্যান করতে বলা হয়েছে। যেহেতু আমি ভাল বোধ করছি এখন সিটি স্ক্যান করাবো কিনা ভাবছি,' বলেন তিনি।

বাংলাদেশের তিনটি প্রতিষ্ঠানকে মলনুপিরাভির উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের অনুমোদন এরই মধ্যে দিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদফতর।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে মুখে খাওয়ার ওষুধ হিসেবে এর ব্যাপক ব্যবহার দেখা যাচ্ছে। একজন ব্যক্তি জানিয়েছেন যখন তিনি তার চিকিৎসককে এই ওষুধের ব্যাপারে প্রশ্ন করেন, তার চিকিৎসক জানান করোনাভাইরাসের বিভিন্ন ভ্যারিয়েন্টের কারণে চিকিৎসা পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে।

এ্যান্টিভাইরালের কখন দরকার?

ন্যাশনাল গাইডলাইন অন ক্লিনিক্যাল ম্যানেজমেন্ট অব কোভিড-১৯-এ ‘মডারেট কেস'’ এবং ‘সিভিয়ার কেস’ ম্যানেজমেন্ট এর ক্ষেত্রে শুধুমাত্র এ্যান্টিভাইরাল ব্যবহার করার কথা বলা হয়েছে। মাইল্ড বা মৃদু উপসর্গের ক্ষেত্রে এ্যান্টিভাইরাল ব্যবহারের কোন পরামর্শ দেয়া হয়নি।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় এবং হাসপাতালের প্যালিয়েটিভ মেডিসিন বিভাগের ডাক্তার, হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক এবং করোনাভাইরাস বিশেষায়িত ইউনিটে শুরু থেকে কাজ করছেন ডা. মো. মেহেদী হাসান।

তিনি বলেন ‘সবক্ষেত্রে এ্যান্টিভাইরালের খুব বেশি প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি না। রোগী সাপ্লিমেন্ট হিসেবে ভিটামিন সি, ডি, জিংক খেতে পারে। বেশিরভাগ রোগীর ক্ষেত্রে এ্যান্টিবায়োটিকও দরকার নেই।’

‘বর্তমানের রোগীদের যে উপসর্গ সেখানে এ্যান্টিভাইরালের প্রয়োজন নেই। মনে রাখতে হবে যে কোন এ্যান্টিভাইরালের এ্যাডভার্স সাইড এফেক্ট (বিরূপ পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া) থাকতে পারে,’ বলছেন ডা. হাসান।

হাসান বলেন, ‘৪০০ বার বুকে এক্সরে করলে যে রেডিয়েশন শরীরে ঢুকে যায় একবার সিটি স্ক্যান করলে সেই রেডিয়েশন শরীরের ঢুকে যায়।’

তবে এ্যান্টিভাইরাল দেয়ার ক্ষেত্রে যদি কোন রোগী ঝুঁকিপূর্ণ হয় সেক্ষেত্রে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে সিদ্ধান্ত নেয়া যেতে পারে। তিনি বলেন, ‘অক্সিজেন লেভেল যদি নিচে নেমে যায়, করোনাভাইরাসের ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় চলে যায়, ডায়াবেটিস, হাইপার-টেনশন, এ্যাজমাটিক টেন্ডেন্সি থাকে তাহলে এ্যান্টিভাইরাল দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া যেতে পারে।’

‘কিন্তু মাইল্ড উপসর্গ নিয়ে যেসব রোগী রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে এটার দরকার নেই।'

ব্যয়বহুল চিকিৎসা
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন কোভিড আক্রান্ত রোগী বলছেন একটা এ্যান্টিভাইরাল ওষুধের দাম ৫০০ টাকা। পাঁচ দিনের একটা কোর্স সম্পন্ন করতে ২০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। সঙ্গে অন্যান্য ওষুধ এবং টেস্ট তো রয়েছে।

তিনি বলেন ‘আমার পরিবারে দুইজন আক্রান্ত। এখন দুইজনের এই ব্যয়বহুল চিকিৎসা বহন করা আমার জন্য অনেক কষ্টের হয়ে যাচ্ছে।’

সূত্র : বিবিসি 



পান্তা ভাত খাওয়ার উপকারীতা

পান্তাভাত পুষ্টিমানে অনন্য। এতে আয়রন, ক্যালসিয়াম ও পটাশিয়াম বেশি থাকার কারণে এটি রক্তস্বল্পতা, অপুষ্টিতে ভোগা শিশু, নারী, বিশেষ করে গর্ভবতী নারীদের জন্য উপযুক্ত খাবার। তবে পান্তা বানাতে বিশুদ্ধ পানি ব্যবহারের পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদ।

টানা সাত দিন সকালে পান্তা ভাত খেলে যেসব উপকার হয়ঃ

পান্তাভাত হল ভাত সংরক্ষণের একটি পদ্ধতি, রাতের খাবারের জন্য রান্না করা ভাত বেচে গেলে একরাত জলে ডুবিয়ে রাখলেই তা পান্তাভাতে এ পরিণত হয়। গরমকালে এই পান্তা ভাত খায়না এমন মানুষ বোধহয় পাওয়া কঠিন। কিন্তু কেবল কি সুস্বাদু বলে অধিক জনপ্রিয় নাকি কোনো গুন রয়েছে পান্তাভাতে। চলুন জেনে নেওয়া যাক।


১২ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখলে একশো গ্রাম পান্তাভাতের 73.91 মিলিগ্রাম আয়রন থাকে যেখানে সমপরিমাণ গরম ভাতে আয়রনের পরিমাণ মাত্র 3.4 মিলিগ্রাম। শুধু এইটুকুই নয় প্রয়োজনীয় সমস্ত উপাদান যেমন পটাশিয়াম ক্যালসিয়ামের পরিমান বেড়ে যায় পান্তাভাবে। 100 গ্রাম পান্তাভাতে 839 মিলিগ্রাম আর ক্যালসিয়াম এর পরিমান বেড়ে হয় 850 মিলিগ্রাম।   

এছাড়াও পান্তাভাত থেকে ভিটামিন সি ভিটামিন বি 12 পাওয়া যায়। শর্করা সমৃদ্ধ খাবার গরমের দিনে যেমন শরীর ঠান্ডা রাখে তেমন সতেজ করে তোলে। শরীরে জলের ঘাটতি পূরণ করে, তাপের ভারসাম্য বজায় রাখে। 

 সাধারন ভাতের তুলনায় পান্তাভাতের গুনাগুন অনেক বেশি। এটি যেমন সহজে হজম হয়ে যায় তেমনি ভাতের থেকে সোডিয়াম কম থাকায় রক্তচাপ স্বাভাবিক থাকে।

এটি যেহেতু ফারমেন্টেড খাবার তাই এই খাবার খেলে শরীর হালকা থাকে আর যেকোনো কাজে এনার্জি পাওয়া যায়। মানবদেহের জন্য প্রয়োজনীয় বহু ব্যাকটেরিয়া পান্তাভাতের মধ্যেই বেড়ে ওঠে। এছাড়াও পেটের সমস্যা দূর করা কোষ্ঠবদ্ধতা দূর করার শরীর সজীব রাখা অনেক উপকারে লাগে পান্তা ভাত।

দ্রুত শক্তি দেয় পান্তা

পুষ্টিবিদেরা বলছেন, যেকোনো বয়সের মানুষই নিয়মিত পান্তাভাত খেতে পারে। কারণ, পান্তায় প্রচুর শর্করা আছে, যা দ্রুত শক্তি জোগায়। পান্তার সঙ্গে আলুভর্তা শরীরে শর্করার পরিমাণ বাড়ায়। তাই কায়িক পরিশ্রমের পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা।

গরম আবহাওয়ায় পান্তাভাত খেলে শরীর ঠান্ডা থাকবে। উচ্চমাত্রায় পুষ্টির জন্য পান্তাভাত খাওয়ার পরমুহূর্তেই শরীরে তাৎক্ষণিক শক্তি আসবে। খেলে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা থাকে। নিয়মিত পান্তা খেলে শরীরে কোনো ক্ষতি নেই।

People also search for_ পান্তা ভাত খাওয়ার নিয়ম | গর্ভাবস্থায় পান্তা ভাত খাওয়া যাবে কি | সকালে ভাত খাওয়ার উপকারিতা |  | প্রতিদিন পান্তা ভাত খেলে কি হয় | পান্তার উপকারিতা | সকালে পান্তা ভাত খেলে কি মোটা হয় || পান্তা ভাতের জল কে কি বলে | পান্তা ভাতের উপকারিতা প্রথম আলো || পান্তা ভাতের ক্ষতিকর দিক || পান্তাভাতের অপকারিতা | পান্তা ভাত english meaning

করোনা প্রতিরোধক খাবার তা‌লিকা


বিশেষজ্ঞেরা বলছেন, দ্বিতীয় ঢেউ গত বছরের চেয়ে শক্তিশালী। প্রতিদিন কয়েক হাজার করে মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন করোনায়। হাসপাতালগুলোর বেড উপচে পরেছে কোভিড-১৯ এর রোগীতে। ফলে ডাক্তারদেরও সমস্যা হচ্ছে চিকিৎসা সেবা দিতে। ফলে আমাদের নিজেদের সচেতন হওয়া ছাড়া অন্য উপায় আপাতত নেই।

লকডাউনে বাড়িতে থেকেও আমরা শরীরের রোগ প্রতিরোধ বাড়িয়ে নিতে পারি খানিকটা যাতে আক্রান্ত না হই।


করোনাভাইরাস প্রতিরোধের প্রথম ধাপ হলো ব্যক্তিগত সচেতনতা গড়ে তোলা এবং প্রত্যেকের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অর্থাৎ ইমিউন সিস্টেম বাড়িয়ে তোলা। এর ফলে করোনাভাইরাস সংক্রমণের যে মারাত্মক লক্ষ্মণ অর্থাৎ শ্বাসযন্ত্র এবং পরিপাকতন্ত্রের সংক্রমণ, সেগুলো সহজে প্রতিরোধ করা সম্ভব। সহজভাবে বললে, যেকোনো ভাইরাস হলো প্রোটিন যুক্ত অণুজীব, যার কারণে মানুষ জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট এমনকি মারাত্মক নিউমোনিয়ায় (নতুনভাবে) আক্রান্ত হতে পারে। তা ছাড়া এই ভাইরাস ভয়ংকর প্রাণঘাতী রোগ তৈরি করতে পারে খুব সহজে। তাই শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য বেশি পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে প্রতিদিন।

ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল খেতে হবে
ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল খেতে হবে

অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হলো কিছু ভিটামিন, মিনারেল ও এনজাইম, যা শরীরের ক্ষতিকর ফ্রি র‌্যাডিক্যালের (দেহের কোষ, প্রোটিন ও DNA ক্ষতি করে এমন কিছু) বিরুদ্ধে লড়াই করে, শরীরের কোষগুলোকে ক্ষতির হাত থেকে বাঁচিয়ে শরীরে জীবাণু সংক্রমণের ঝুঁকি প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে। প্রধান অ্যান্টি-অক্সিডেন্টগুলো হলো বিটা ক্যারোটিন, ভিটামিন এ, সি, ই, লাইকোপেন, লুটেইন সেলেনিয়াম ইত্যাদি।


করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ যে খাবারগুলো বেশি করে খেতে হবে:

বিটা ক্যারোটিন: উজ্জ্বল রঙের ফল, সবজি। যেমন গাজর, পালংশাক, আম, ডাল ইত্যাদি।

ভিটামিন এ: গাজর, পালংশাক, মিষ্টি আলু, মিষ্টিকুমড়া, জাম্বুরা, ডিম, কলিজা, দুধজাতীয় খাবার।

ভিটামিন ই: কাঠবাদাম, চিনাবাদাম, পেস্তাবাদাম, বাদাম তেল, বিচিজাতীয় ও ভেজিটেবল অয়েল, জলপাইয়ের আচার, সবুজ শাকসবজি ইত্যাদি।

ভিটামিন সি: আমলকী, লেবু, কমলা, সবুজ মরিচ, করলা ইত্যাদি।

এ ছাড়া যে খাবার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, সেগুলোর একটি তালিকা দেওয়া হলো। এ খাবারগুলো আপনার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে তো বাড়িয়ে তুলবেই, সেই সঙ্গে আরও বিভিন্নভাবে আপনার শরীরকে সুস্থ থাকতে সহায়তা করবে।

সামগ্রিকভাবে উদ্ভিজ্জ খাবারই হলো অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের সবচেয়ে ভালো উৎস, বিশেষ করে বেগুনি, নীল, কমলা ও হলুদ রঙের শাকসবজি ও ফল।


প্রয়োজনীয় খাবারের তালিকা:

এ সময় যে ফলগুলো পাওয়া যাচ্ছে সেগুলো খেতে হবে যেমন আনারস।
এ সময় যে ফলগুলো পাওয়া যাচ্ছে সেগুলো খেতে হবে যেমন আনারস।
ছবি: আলাইজি মার্চাঁদ, পেকজেলস ডট কম
  • সবজি: করলা (বিটা ক্যারোটিনসমৃদ্ধ), পারপেল/লাল পাতা কপি, বিট, ব্রোকলি, গাজর, টমেটো, মিষ্টি আলু, ক্যাপসিকাম, ফুলকপি।

  • শাক: যেকোনো ধরনের ও রঙের শাক।

  • ফল: কমলালেবু, মালটা, পেঁপে, আঙুর, আম, কিউই, আনার, তরমুজ, বেরি, জলপাই, আনারস ইত্যাদি।

  • মসলা: আদা, রসুন, হলুদ, দারুচিনি, গোলমরিচ।

  • অন্যান্য: শিম বিচি, মটরশুঁটি, বিচিজাতীয় খাবার, বার্লি, ওটস, লাল চাল ও আটা, বাদাম।

  • টক দই: এটি প্রোবায়োটিকস, যা শ্বাসযন্ত্র ও পরিপাকতন্ত্র সংক্রমণের ঝুঁকি প্রতিরোধ করে। অন্যদিকে শাকসবজি, ফল, বাদামজাতীয় খাবার শরীরে নিউটোভ্যাক্স ভ্যাকসিনের অ্যান্টিবডি প্রক্রিয়াকে উন্নত করে, যা স্টেপটোকোক্কাস নিউমোনিয়া প্রতিরোধে সক্রিয় ভূমিকা রাখে।

  • চা: গ্রিন টি, লাল চায়ে এল-থেনিন এবং ইজিসিজি নামক অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে, যা আমাদের শরীরে জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অনেক যৌগ তৈরি করে শরীরে রোগ প্রতিরোধব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে।

  • এ ছাড়া ভিটামিন বি-৬, জিংক-জাতীয় খাবার (বিচিজাতীয়, বাদাম, সামুদ্রিক খাবার, দুধ ইত্যাদি) শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরির কোষ বৃদ্ধি করে। তাই এ ধরনের খাবার বেশি খেতে হবে।

  • উচ্চ মানের আমিষজাতীয় খাবার (ডিম, মুরগির মাংস ইত্যাদি) বেশি করে খেতে হবে।

  • অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের খুব ভালো কাজ পেতে হলে খাবার রান্নার সময় অতিরিক্ত তাপে বা দীর্ঘ সময় রান্না না করে প্রয়োজনীয় তাপমাত্রায় রান্না করতে হবে।

ওপরের খাবারগুলো ছাড়াও নিউমোনিয়া প্রতিরোধে উচ্চ আমিষযুক্ত খাবার বেশি করে খেতে হবে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত কোষ ও টিস্যু দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবে এবং পাশাপাশি নতুন টিস্যু তৈরি হবে। এর সঙ্গে দরকার পর্যাপ্ত ঘুম। অপর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম শরীরে কর্টিসল হরমোনের চাপ বাড়িয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়, তাই পর্যাপ্ত ঘুমাতে হবে।


যে খাবার বাদ দিতে হবে

সব ধরনের কার্বনেটেড ড্রিংকস, বিড়ি, সিগারেট, জর্দা, তামাক, সাদাপাতা, খয়ের ইত্যাদি। এগুলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতায় বাধা দিয়ে ফুসফুসে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়, ঠান্ডা খাবার, আইসক্রিম, চিনি ও চিনির তৈরি খাবার (যা ভাইরাসের সংক্রমণে সহায়তা করে)।

এ লেখার উদ্দেশ্য সঠিক পুষ্টির চাহিদা পূরণ করে প্রত্যেকের শরীরে রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা উন্নত করতে সহায়তা করা, যাতে শুধু করোনাভাইরাস নয়, সব ধরনের ভাইরাসের সংক্রমণ মোকাবিলায় আপনি শারীরিকভাবে সক্ষম থাকতে পারেন।


শামসুন্নাহার নাহিদ,

 প্রধান পুষ্টিবিদ ও বিভাগীয় প্রধান, পুষ্টি বিভাগ, বারডেম হাসপাতাল।

করোনার টিকা পেতে নিবন্ধন করার নিয়ম Corona App Registration in Bangladesh

‘সুরক্ষা’ ওয়েব পোর্টালে প্রকাশিত সহায়িকা বলছে, করোনার টিকা ও সনদ পেতে পেরোতে হবে ছয়টি ধাপ।

দেশের মানুষকে অ্যাপের মাধ্যমে করোনাভাইরাসের টিকা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। আজ সোমবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে করোনার টিকাদান কর্মোদ্যোগের সর্বশেষ পরিস্থিতি জানানো হয়। সেখানে অনলাইন নিবন্ধন করার জন্য তৈরি করা অ্যাপ কীভাবে ব্যবহার করতে হবে, তা দেখানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (এমআইএস), তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ ও এটুআই কর্মসূচি যৌথভাবে এই অ্যাপ তৈরি করেছে। তবে এখনই এই অ্যাপ ব্যবহার করা যাবে না। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেছেন, ২৭ তারিখ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টিকাদান অনুষ্ঠান উদ্বোধনের পর নিবন্ধনের জন্য অ্যাপ উন্মুক্ত করা হতে পারে।

সরকারি কর্মকর্তারা বলেছেন, অনলাইনে নিবন্ধনের জন্য অন্যান্য তথ্যের সঙ্গে জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর অবশ্যই দরকার হবে। যাঁর জাতীয় পরিচয়পত্র নেই, তিনি নিবন্ধন করতে পারবেন না, আপাতত করোনার টিকাও পাবেন না। অ্যাপ ব্যবহার করে নিবন্ধন শেষ হলে একটি কার্ড ইস্যু হবে নিবন্ধনকারীর নামে। এই কার্ড সুবিধামতো জায়গা থেকে নিবন্ধনকারী প্রিন্ট করতে পারবেন। টিকা গ্রহণের দিন ওই কার্ড কেন্দ্রে আনতে হবে। আর কোন দিন টিকা নিতে হবে, তা মুঠোফোনে খুদে বার্তার মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে।

তবে অনলাইনে নিবন্ধনের বিকল্প হিসেবে অগ্রাধিকার পাওয়া মানুষের তালিকা তৈরি করতে উপজেলা, জেলা ও সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

টিকা নিবন্ধনের নিয়ম
করোনার টিকা নিতে আগ্রহীদের নিবন্ধন করতে হবে ‘সুরক্ষা’ নামক ওয়েব পোর্টালে (www.surokkha.gov.bd)। অ্যান্ড্রয়েড বা অ্যাপল প্লে স্টোর থেকেও সুরক্ষা মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করেও করা যাবে নিবন্ধন।

সেখানে গিয়ে ‘নিবন্ধন’ বাটনে ক্লিক করে প্রথমে ধরন নির্বাচন করতে হবে। এরপর জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নম্বর, জন্মতারিখ (এনআইডি অনুযায়ী) দিতে হবে। জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকলে নিবন্ধন করা যাবে না। ১৮ বছরের কম বয়সীরাও নিবন্ধন করতে পারবে না।

তথ্যগুলো ঠিকমতো দিলে বাংলায় ও ইংরেজিতে নাম দেখাবে। এরপর মোবাইল নম্বর দিতে হবে। দীর্ঘমেয়াদি রোগ বা কো-মরবিডিটি থাকলে সেটা বলতে হবে। টিকা গ্রহণকারীর পেশা এবং কোভিড-১৯ সংশ্লিষ্ট কোনো কাজের সঙ্গে তিনি জড়িত কি না, সেটি বলতে হবে।

সবশেষে টিকা গ্রহণকারীর বর্তমান ঠিকানা ও কোন কেন্দ্রে টিকা নিতে ইচ্ছুক, সেটি দিলে নিবন্ধন সম্পন্ন হবে।

টিকাকেন্দ্রে টিকা নেওয়া
প্রথমে টিকা কার্ড সংগ্রহ করতে হবে। সুরক্ষা ওয়েব পোর্টাল বা অ্যাপের ‘টিকা কার্ড সংগ্রহ’ বাটনে ক্লিক করে জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর, জন্মতারিখ দিয়ে ‘যাচাই করুন’ বাটনে ক্লিক করতে হবে। এরপর নিবন্ধনের সময় দেওয়া মুঠোফোনের নম্বরে এসএমএসের মাধ্যমে ওটিপি (ওভার দ্য ফোন) কোড দিয়ে ‘ভ্যাকসিন কার্ড ডাউনলোড’ বাটনে ক্লিক করলে টিকা কার্ড ডাউনলোড হবে।

এসএমএসের মাধ্যমে পাওয়া টিকা গ্রহণের তারিখে নির্দিষ্ট টিকাকেন্দ্রে সশরীরে উপস্থিত হয়ে টিকা নেওয়া যাবে। এ সময় টিকা কার্ড ও জাতীয় পরিচয়পত্র সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে। কোভিড-১৯ টিকার দুটি ডোজ নেওয়ার পর সুরক্ষা ওয়েব পোর্টাল থেকে টিকা সনদ সংগ্রহ করা যাবে।

সরকারের পরিকল্পনা
আগামী ছয় মাসে তিন কোটি মানুষকে টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। প্রতি মাসে ২৫ লাখ মানুষকে টিকা দেওয়া হবে। জনপ্রতি দুটি করে মাসে ৫০ লাখ ডোজ টিকার প্রয়োজন হবে।

ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের তৈরি অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা এরই মধ্যে দেশে এসেছে। ২১ জানুয়ারি ভারত ২০ লাখ ডোজ টিকা উপহার হিসেবে পাঠিয়েছে। আর ২৫ জানুয়ারি সোমবার, ভারত থেকে কেনা ৫০ লাখ ডোজ দেশে এসেছে।

২৭ জানুয়ারি থেকে টিকা দেওয়া শুরু হবে। ওই দিন বেলা সাড়ে তিনটায় টিকাদান কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এক সভা শেষে প্রথম আলোকে এ কথা বলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, প্রথম দিন মোট ২০ জনকে টিকা দেওয়া হবে। কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল থেকে অনুষ্ঠানটি বিটিভি সরাসরি প্রচার করবে।



#surokkhaapp, surokkha app registration, corona tika nibondhon, corona vaccine app registration bd

করোনা থেকে রক্ষায় বিজ্ঞানী ড. বিজনের ঘরোয়া চিকিৎসা Dr. Bijon Shill Advice


ড. বিজন কুমার শীল

বিশ্বব্যাপী মহামারি করোনা ভাইরাসের সংক্রমণে পুরো মানবজাতিই এখন চরম বিপর্যয়ে। বাংলাদেশও এই মহামারির আঘাতে বিপর্যস্ত। প্রতিদিন বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। প্রাণঘাতী এ ভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে আতঙ্কিত না হয়ে হাতের নাগালেই পাওয়া যায় এমন কিছু পদ্ধতি ও ওষুধ গ্রহণের উপায় জানিয়েছেন বিজ্ঞানী ড. বিজন কুমার শীল।

করোনাকালে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির ৭ সহজ পথ

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধের নিয়মগুলো আমরা সবাই মোটামুটি জানি। যেমন: বারবার সাবান দিয়ে হাত ধোয়া, মাস্ক ব্যবহার করা, ৩ মিটার দূরত্ব বজায় রাখা, মুখে হাত দেওয়া থেকে বিরত থাকা ইত্যাদি। এই নির্দেশনাগুলো অবশ্যই ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। তবে মানুষ এসব নির্দেশনা কতটুকু সঠিকভাবে মানছে বা আদৌ কত দিন মেনে চলতে পারবে, তা বলা মুশকিল।

আসন্ন দিনগুলোয় আমাদের অনেকেই এই ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারি। তাই আমাদের এখন ভাবতে হবে, যদি আমরা এ রোগে আক্রান্ত হই, তাহলে আমাদের শরীরকে কীভাবে সেই যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত করব, যেন বিশ্বের অধিকাংশ করোনায় আক্রান্ত মানুষের মতো আমরাও দ্রুত সুস্থ হতে পারি।

বিনামূল্যে ডিজিটাল হেলথ করোনা বীমা : Free Corona Insurance in Bangladesh

১ লাখ মানুষকে বিনামূল্যে করোনা বীমার সুবিধা দিচ্ছে নো‌বেল জয়ী ড.
মুহাম্মদ ইউনূসের
গড়া প্রতিষ্ঠান Digital Health (DH)

লো প্রেশারে করণীয় : Low Blood Pressure in Bangla

রক্তচাপ কমে যাওয়া, লো প্রেশার, লো ব্লাড প্রেশার কিংবা নিম্ন রক্তচাপ নিয়ে অনেকেই চিন্তিত থাকেন। এ নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই। মানুষের স্বাভাবিক রক্তচাপ হচ্ছে ১২০/৮০ মিলিমিটার মার্কারি। যখন  রক্তচাপ এরচেয়ে কমে যায় তখনই লো ব্লাড প্রেসার হয়েছে বলা হয়। লো ব্লাড প্রেসার খুবই সাধারণ একটি সমস্যা যা হাইপোটেনশন নামেও অ‌ধিক পরিচিত।

এ বিষয়ে জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক মু. সালাউদ্দিন বলেন, সাধারণত সিস্টোলিক রক্তচাপ ৯০ মি. মি. মার্কারি ও ডায়াস্টোলিক রক্তচাপ ৬০ মি. মি. মার্কারির নিচে হলে তাকে নিম্ন রক্তচাপ বলা হয়। প্রেশার যদি খুব বেশি নেমে যায় তাহলে মস্তিষ্ক, কিডনি ও হৃৎপিণ্ডে সঠিকভাবে রক্ত প্রবাহিত হতে পারে না। ফলে অসুস্থতা দেখা দেয়। তাই প্রেশার লো হলে বাড়িতেই প্রাথমিক কিছু পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। আমাদের শরীরের জন্য উচ্চ রক্তচাপের মতো নিম্ন রক্তচাপ অর্থাৎ লো ব্লাড প্রেশারও ক্ষতিকর। অতিরিক্ত পরিশ্রম, দুশ্চিন্তা, ভয় ও স্নায়ুর দুর্বলতা থেকে লো ব্লাড প্রেশার হতে পারে।

বিনামূল্যে করোনা বীমা সুবিধা পা‌বে ১ লাখ মানুষ Corona Bima

১ লাখ মানুষকে বিনামূল্যে করোনা বীমার সুবিধা দিচ্ছে নো‌বেল জয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের Digital Health (DH)।
করোনাভাইরাস সংক্রান্ত খরচ বহন করতে ডিজিটাল হেল্থ (ডিএইচ) বুধবার থেকে একটি নতুন বীমা কর্মসূচি চালু করছে। এটি শান্তিতে নোবেলজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস প্রবর্তিত একটি গ্রামীণ সামাজিক ব্যবসা কোম্পানি, যা টেলিনর হেল্থ নামে চার বছর ধরে ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে আসছে। এর সেবা গ্রহীতার সংখ্যা বর্তমানে ৫০ লাখেরও বেশী।
মঙ্গলবার ইউনুস সেন্টার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানায়।

বিজ্ঞ্তিতে আরও জানানো হয়, নতুন এই সেবাটির নাম “করোনা বীমা” (Corona Insurance) যা অনলাইনে ১ লাখ নিবন্ধনকারীকে “আগে আসলে আগে পাবেন ভিত্তিতে” বিনা খরচে বীমা সুবিধা দেবে। করোনা বীমা কারো করোনা টেস্ট রেজাল্ট “পজেটিভ” এলে তাকে ২ হাজার টাকা প্রদান করবে যাতে তিনি ‘হোম আইসোলেশনে’ যেতে পারেন, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কেউ হাসপাতালে ভর্তি হলে তাকে ৫ হাজার টাকা দেবে। এছাড়াও আক্রান্ত ব্যক্তিকে জীবন বীমা “কভারেজ” হিসেবে নগদ ২০ হাজার টাকা প্রদান করা হবে।

কভারেজের মেয়াদ হবে নিবন্ধনের তারিখ থেকে দুই মাস এবং তা কার্যকর হবে নিবন্ধনের মুহূর্ত থেকে। সেবা গ্রহীতা ব্যক্তিদের প্রদত্ত সর্বমোট কভারেজের পরিমাণ হতে পারে বেশ বড় অংকের।  

এই অফারটি ১১ জুন ২০২০ পর্যন্ত অথবা এর পূর্বেই ১ লাখ নিবন্ধন সম্পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। এরপর নতুন আর কোনো নিবন্ধন গ্রহণ করা হবে না।  

করোনা বীমার অধীনে প্রদত্ত সুবিধাদি নিবন্ধনের সময় থেকে কার্যকর হবে এবং তা পরবর্তী দুই মাস পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

অর্থাৎ কেউ চলতি বছরের ১১ জুন নিবন্ধন করলে তিনি ১০ আগস্ট পর্যন্ত এই অফারের সুবিধা পাবেন। নিবন্ধনের জন্য https://care.dh.health/insurance এই ওয়েব সাইটে যোগাযোগ করার আহ্বান জানানো হয়।   

এই কর্মসূচিতে যারা নিবন্ধন করবেন তাদেরকে করোনাভাইরাস মোকাবেলার জন্য সময়ে সময়ে বিভিন্ন স্বাস্থ্য বিষয়ক ভিডিও ও পরামর্শ পাঠানো হবে।

উল্লেখ্য, ডিজিটাল হেলথ (ডিএইচ) ২৮ মার্চ একটি অনলাইন-ভিত্তিক করোনাভাইরাস সিম্পটম চেকার চালু করেছে (https://coronachecker.dh.health/) যে-কেউ বিনা খরচে যার সুবিধা নিতে পারে। চালুর প্রথম পাঁচ দিনেই ১ লাখ ৩১ হাজার ৫৯০ জন ডিএইচ করোনা সিম্পটম চেকারের প্রশ্নপত্র সম্পূর্ণ করেছেন যেখানে প্রতিটি পরীক্ষায় সময় লেগেছে গড়ে মাত্র ৩ মিনিট ৪১ সেকেন্ড। চেকারে যাদের ঝুঁকি উচ্চমাত্রার বলে শনাক্ত হয়েছে তাদেরকে বাংলাদেশ সরকারের কোভিড হেল্পলাইন ৩৩৩ ও ১৬২৬৩ -এ যোগাযোগ করতে পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

করোনার বিরুদ্ধে এই ১ লাখ বিনামূল্যের বীমা পলিসি স্পন্সর করছে গ্রামীণ টেলিকম ট্রাস্ট।  

এ বিষয়ে ডিজিটাল হেলথ -এর প্রধান নির্বাহী সাজিদ রহমান বলেন, “এটা অনেকটা স্বস্তিদায়ক যে, রোগীদের অধিকাংশই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত নন বলে জানা যাচ্ছে। তারা খুব সাধারণ চিকিৎসাতেই জ্বর ও গলা ব্যথার সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। তবে প্রতিটি ব্যক্তি ও পরিবারের জন্যই করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষার লক্ষ্যে প্রস্তুতি নেয়াটা জরুরি। আমরা আশা করছি যে, আমাদের সিম্পটম চেকার, করোনা বীমা এবং বিনামূল্যে স্বাস্থ্য ও জীবন বীমা মানুষের দুশ্চিন্তা লাঘবের পাশাপাশি দেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার উপর সৃষ্ট বাড়তি চাপ হ্রাসেও সহায়তা করবে। ”

রাসূল সা: নির্দেশিত ৫টি অব্যর্থ চিকিৎসা ও প্রতিষেধক

রাসূল সা: যেমন আমাদেরকে আখিরাতে মুক্তির পথ ও পদ্ধতি দেখিয়েছেন, তেমন বিভিন্ন রকম রোগবালাই ও অসুস্থতা থেকে নিরাপদ থাকার বহু পথ বাতলে দিয়েছেন। তিনি অনেক চিকিৎসার কথা আমাদের বলে গেছেন। আর আল্লাহ তায়ালা রাসূল সা: প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘তিনি নিজে থেকে কিছুই বলেন না। যা বলেন তা আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রাপ্ত ওহির ভিত্তিতেই বলে থাকেন।’ যার কারণে তিনি যত চিকিৎসার কথা বলেছেন, সেগুলো আল্লাহর পক্ষ থেকে আসা; সেটি প্রত্যক্ষ হোক বা পরোক্ষ হোক।

মধু ও কলোজিরা খেয়ে করোনা থেকে সুস্থ হলেন গভর্নর

নাইজেরিয়ার ওয়ো রাজ্যের গভর্নর সোয়ে মাকিন্দে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর সুস্থ হয়েছেন। সুস্থ হওয়ার পর তিনি টুইটারে লিখেন, আমি আপনাদের দোয়ায় সুস্থ হয়ে ফিরেছি। আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা।