আউটসোর্সিং ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনার সাথে থাকছে.. গুরুত্বপূর্ণ সফট্ওয়্যার, অনলাইন জগতের বিশেষ খবর, অতিপ্রয়োজনীয় টিপস & ট্রিকস- সহ আরও কিছু আপডেট তথ্য, যা আপনার অনলাইন জীবনকে সমৃদ্ধশালী করতে সহায়ক হবে- উন্মুক্ত ‘সংগ্রহশালা’
মোবাইলে ভিডিও এডিটিং করার সেরা অ্যাপ : Video Editing Software for Android
বিশ্বের সেরা সিনেমাগুলো দেখাবে ইউটিউব Youtube Free Film Festival
প্রিন্টার কিনুন -:- ভালোমন্দ যাচাই করে নিন
প্রযুক্তি বিষয়ে ভুল ধারণা
প্রযুক্তি বিষয়ে বেশ কিছু ধারণা বহু আগে থেকেই প্রচলিত রয়েছে। তবে বর্তমান প্রেক্ষাপটে এ ধারণাগুলোর অনেকগুলোই অকার্যকর হয়ে গেছে।
তবে মানুষ এখনো সেই পুরনো ধারণাই বিশ্বাস করে চলেছে।
ব্যাটারি বিষয়ে ভুল ধারণা
ব্যাটারি কেনার পর তা ভালোভাবে ফুল চার্জ করে নিতে হবে। এটি কখনোই সারারাত চার্জে দেওয়া যাবে না। ওভারচার্জ হয়ে যাবে। চার্জ একেবারে শুন্য করা যাবে না। দিনে একবারের বেশি চার্জ করা যাবে না। ইত্যাদি বহু তথ্য আমরা পেয়ে থাকি ব্যাটারির আয়ু বাড়ানোর জন্য। তবে বাস্তবতা হলো এগুলো পুরনো ব্যাটারির প্রযুক্তি অনুযায়ী। বিশেষ করে নিকেল ক্যাডমিয়াম ব্যাটারির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
কিন্তু বর্তমানে লিথিয়াম ব্যাটারি ব্যবহৃত হয়। এসব ব্যাটারির নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা যেমন ভালো তেমন অতিরিক্ত চার্জ হওয়া প্রতিরোধ করার ব্যবস্থাও থাকে। এ কারণে আধুনিক ফোনের ব্যাটারি নিয়ে তেমন চিন্তা না করলেও চলে।
প্রাইভেট ব্রাউজিং নিরাপদ
প্রাইভেট ব্রাউজিং নামে একটি বিষয় রয়েছে বিভিন্ন ব্রাউজারে। অনেকে মনে করেন এর মাধ্যমে ব্রাউজ করলে আপনি যে সাইটেই যান না কেন, তাতে কোনো অসুবিধা হবে না। যদিও ধারণাটি ভুল। প্রাইভেট ব্রাউজিংয়ে আপনার ব্রাউজারে এর হিস্টোরি থাকবে না। কিন্তু এর হিস্টোরি থেকে যাবে আপনার ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারের কাছে। এছাড়া গুগলে যদি আপনি লগইন করে থাকেন তাহলে তাদের কাছেও এর হিস্টোরি থাকতে পারে।
বড় মেমোরির শক্তিশালী স্মার্টফোন
স্মার্টফোনের ক্ষেত্রে অনেকেই এখন বেশি র্যাম, বেশি স্টোরেজ, দ্রুতগতির প্রসেসর, বেশি মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা, উচ্চ রেজুলিশনের স্ক্রিন ইত্যাদিতে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। তবে এসব সংখ্যা বেশি মানেই আপনার স্মার্টফোন ভালো নয়। সেলফি তুলতে যেমন ২০ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা লাগে না তেমন ফোরকে স্ক্রিনও প্রয়োজন হয় না। আবার অনেক স্মার্টফোন কম কনফিগারেশনেই ভালো চলে। তাই শুধু সংখ্যাই সবকিছু নয়।
স্ক্রিনের উজ্জ্বলতা
মোবাইলের স্ক্রিনের উজ্জ্বলতা কমিয়ে দিয়ে অনেকেই ব্যাটারি বাঁচানোর চেষ্টা করেন। যদিও এতে চোখের ওপর বাড়তি চাপ পড়ে। তাই এটি অটো-ব্রাইটনেসে রাখতে পারেন। এক্ষেত্রে স্ক্রিনের উজ্জ্বলতা নিজে থেকেই ঠিক হবে। একেবারে অন্ধকারে অবশ্য অনেক মোবাইল ফোনের এ সেটিংটা কাজ করে না। তখন আলোতে নিয়ে তা ৪০%-এ ঠিক করে নিতে পারেন।
দামি ফোন বহুদিন ব্যবহার করবেন?
মোবাইল ফোন এখন বছরখানেক চলার পরেই অকার্যকর হওয়া শুরু হয়। আর তাই আপনি একটি ফোন কিনে বছরের পর বছর স্বাচ্ছন্দ্যের সঙ্গে ব্যবহার করতে পারবেন না। আর এর পেছনে রয়েছে নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোই। এমনকি অ্যাপলের আইফোনও এর ব্যতিক্রম নয়। প্রতিষ্ঠানগুলো চায় আপনি পুরনো ফোনটি ফেলে দিয়ে নতুন করে কিনুন। এজন্য অনেক মোবাইল ফোন নির্মাতা প্রতি বছরের সফটওয়্যার আপডেটেই ফোনটি স্লো করে দেওয়ার ব্যবস্থা রাখে।
ডিলিট মানেই চিরতরে মুছে ফেলা নয়
আপনার কম্পিউটার বা মোবাইল ফোনের মেমোরিতে যে জিনিসগুলো ছিল, তা মুছে ফেলে ফোনটি বিক্রি করে দেওয়া মোটেই বুদ্ধিমানের কাজ নয়। কারণ মুছে ফেলা জিনিসও অনেকে পুনরুদ্ধার করতে পারে। এক্ষেত্রে আপনি যদি মেমোরি খালি করে সে স্থানে অন্য কোনো ফাইল (অডিও/ভিডিও//কনটেন্ট) দিয়ে বোঝাই করেন তাহলে কিছুটা কাজ হবে। তবে নিশ্চিত হওয়ার জন্য কিছু টুল ব্যবহার করতে পারেন। কারণ ডিলিট করা মানেই মুছে ফেলা নয়- তা মেমোরিতে থেকে যায়।
কম্পিউটারের মাদারবোর্ড কেনার সময় যে বিষয় গুলো জানা জরুরি
কম্পিউটারের মেইনবোর্ড বা মাদারবোর্ড নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় । কম্পিউটারের নতুন মাদারবোর্ড কেনার সময় কি কি বিষয়ের উপর লক্ষ্য রাখতে হবে তা জানা আবশ্যক। অনেক সময় কম্পিউটারের মাদারবোর্ড নষ্ট হয়ে যায় বা কম্পিউটার কনফিগারেশন আপগ্রেড করার জন্য নতুন মাদারবোর্ডের প্রয়োজন হয়। কম্পিউটারের সর্বোচ্চ Performance পাওয়ার জন্য উন্নতমানের মাদারবোর্ড আর প্রসেসর আবশ্যক। তাই বর্তমানে বাজারে যে সকল Mainboard রয়েছে সেখান থেকে ভাল দেখে একটা বেছে নিন।
কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের সঙ্গে মাইক্রোপ্রসেসর, প্রধান মেমরি এবং কম্পিউটারের অন্যান্য অপরিহার্য অংশগুলো যুক্ত থাকে। কি-বোর্ড,মাউসসহ সব ইনপুট/আউটপুট যন্ত্রাংশ মাদারবোর্ডের সঙ্গেই যুক্ত থাকে।
তাই কম্পিউটার কেনার ক্ষেত্রে অবশ্যই মাদারবোর্ড এর বিষয়গুলো খেয়াল করে কিনতে হবে।
মাদারবোর্ড কেনার সময় অবশ্যই নিচের বিষয় গুলো লক্ষ্য রাখুনঃ
১. বাজারে আসা সর্বশেষ মাদারবোর্ডটি কেনার চেষ্টা করুন। কারণ এতে আপনি সর্বশেষ নতুন ফিচার গুলো পাবেন। মাদারবোর্ডটি কোন কোন স্পিডের প্রসেসরকে সাপোর্ট করে এবং সর্বশেষ মডেলের প্রসেসর ও র্যাম সাপোর্ট করে কিনা তা যাচাই করে নিন। যদি সম্ভব হয় অনলাইন থেকে মাদারবোর্ড সম্পর্কিত কিছু তথ্য সংগ্রহ করুণ। আর কোন কারনে আপনার বর্তমান মাদারবোর্ডটি নষ্ট হয়ে গেলে তার জন্য বর্তমান প্রসেসরের সাথে মিল রেখে নতুন মাদারবোর্ড সংগ্রহ করবেন।
প্রসেসর বাস স্পিড, মাদারবোর্ডের বাস স্পিডের সাথে সক্ষম কিনা তা দেখে নিন। বাস স্পিড বেশি হলে কম্পিউটারের কাজের স্পিড ভালো হবে ও কাজের ক্ষেত্রে স্বাচ্ছন্দ্য অনুভব করবেন।
২. অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে যেন মাদারবোর্ডের বাস স্পিডের সঙ্গে ক্যাশ মেমোরির স্পিডও যেন কোন সমস্যা না হয়।
৩. একটি মাদারবোর্ড আপনি কম পক্ষে ৩ বৎসর (ওয়ারেন্টি থাকে) অনায়াসে ব্যবহার করতে পারবেন (এর চাইতে বেশিই হয়)। তাই ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে উক্ত মাদারবোর্ডটি সর্ব্বোচ্চ কত ক্ষমতা পর্যন্ত র্যাম ও প্রসেসর সাপোর্ট করবে সেটি মাথায় রাখুন।
৪. মাদারবোর্ডে র্যাম স্লট কয়টি এবং কতটুকু পরিমাণ পর্যন্ত সমর্থন করবে তা বিবেচনায় রাখবেন। কারণ যত বেশি ক্ষমতা সম্পন্ন র্যাম ব্যবহার করবেন, আপনার পিসি তত বেশি দ্রুত কাজ করবে।
৫. মাদারবোর্ডে হার্ডডিস্ক লাগানোর জন্য কয়টি পোর্ট আছে তা দেখে নিন। বেশি পোর্ট থাকলে সেটি অবশ্যই আপনার জন্য ভাল হবে। আর একটু বড় মাপের মাদারবোর্ড নিলে অন্যান্য আনুসাঙ্গিক যন্ত্র লাগাতে সুবিধা পাবেন।
৬. মাদারবোর্ডে কতগুলো ইউএসবি পোর্ট আছে তা দেখে নিন। যত বেশি পোর্ট পাবেন তত বেশি ইউএসবি ডিভাইস ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। চেষ্টা করুন USB 3.0 ভার্সনের মাদারবোর্ড নেওয়া। আপনি যদি গান শোনার ভক্ত হয়ে থাকেন তা হলে ভালো built-in Sound card সহ মাদারবোর্ড নিন।
৭. মাদারবোর্ডে কি কি ধরনের স্লট আছে এবং কয়টি করে আছে তা দেখে নিন। এ ক্ষেত্রে PCI এবং ISA স্লটগুলোর বিষয়ে খেয়াল রাখবেন। ভালো গেমস খেলার জন্য High End Graphic Card এর প্রয়োজন হয়। তাই PCI Express স্লট কয়টি তা দেখে নিন। কারণ SLI বা Crossfire করতে হলে এ বিষয় গুলো মাথায় রাখা উচিৎ।
মাদারবোর্ড ক্রয়ের সময় কোম্পানির নামগুলো ভালো করে দেখে নিন। মাদারবোর্ড প্রস্তুতকারক কোম্পানিগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো আসুস, গিগাবাইট, ইন্টেল (বর্তমানে উৎপাদনে নাই), স্টারেক্স, ইসনিক ইত্যাদি। বর্তমানে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মাদারবোর্ড প্রস্তুতকারক কোম্পানি হলো গিগাবাইট ও আসুস। তাই এই দুটি বড় এবং বেস্ট ব্র্যান্ড।
উইন্ডোজ ১০-এর নতুন ফিচার
বাংলা ইউনিকোড ফন্ট ডাউনলোড
Blogger Template-কে পরিপূর্ণ SEO Friendly করুন সহজেই
পেনড্রাইভের গতি বাড়ানোর নিয়ম
পেনড্রাইভ বা ইউএসবি ফ্ল্যাশড্রাইভের মাধ্যমে নিমেষেই এক কম্পিউটার থেকে আরেক কম্পিউটারে তথ্য স্থানান্তর করা যায়। নিয়মিত ব্যবহারে পেনড্রাইভের গতি কমতে থাকে। পেনড্রাইভের গতি কেন কমে, আর বাড়ানোর কৌশল কী? এসব তুলে ধরা হলো—
যে কারণে গতি কমে
পেনড্রাইভের বয়স এবং নিয়মিত ব্যবহারে তথ্য স্থানান্তরের গতি প্রতিনিয়ত কমতে থাকে। কোন ধরনের তথ্য পাঠানো হচ্ছে সেটার বিবেচনায় গতি কমে। আবার কম্পিউটারের ইউএসবি পোর্ট ও পেনড্রাইভের সংস্করণের ওপর নির্ভর করে তথ্য ধীরে বা দ্রুত যায়।
গতি বাড়াবেন যেভাবে
ফাইল সিস্টেম পরিবর্তন: উইন্ডোজ এক্সপি থেকে পরের সব অপারেটিং সিস্টেম ফাইল স্থানান্তরের জন্য NTFS ফাইল সিস্টেম ব্যবহার করা হয়। আপনার ব্যবহৃত পেনড্রাইভের ফাইল সিস্টেম যদি আগের ফ্যাট সিস্টেমের হয়ে থাকে তাহলে তথ্য স্থানান্তরে সেটি ধীর গতির হবে। ইউএসবি পোর্টে পেনড্রাইভ লাগিয়ে নিন। এরপর পেনড্রাইভে ডান ক্লিক করে Format-এ ক্লিক করুন। File system থেকে NTFS নির্বাচন করুন। Format option এর Quick Format-এ থাকা টিক চিহ্ন তুলে দিন। Start-এ ক্লিক করে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। এভাবে পেনড্রাইভ ফরম্যাট করতে সময় বেশি নিতে পারে।
ডিক্সে সমস্যা: কম্পিউটারের হার্ডড্রাইভের মতো পেনড্রাইভের ডিস্কেও সমস্যা তথ্য স্থানান্তরে সমস্যা হতে পারে। যদি ডিস্ক স্ক্যান করে নেওয়া যায় তবে তথ্য স্থানান্তরে দ্রুত হবে। এ জন্য পেনড্রাইভে ডান ক্লিক করে Properties-এ ক্লিক করুন। তারপর Tools ট্যাবে ক্লিক করুন। আবার Check now বোতামে ক্লিক করুন। Automatically fix file system errors এবং Scan for and attempt recovery of bad sectors-তে টিক চিহ্ন দিয়ে Start বোতাম চাপুন। এই কাজটি সম্পন্ন হতেও সময় বেশি নিবে।
ফরম্যাট: পেনড্রাইভের তথ্য স্থানান্তর দ্রুত করার জন্য অনেক ব্যবহারকারীই প্রত্যেকবার ব্যবহারের আগে ফরম্যাট করে নেন। এটি অনেকাংশে বেশ কাজের। কিন্তু অনেক প্রযুক্তিবিদের মতে ঘনঘন ফরম্যাট করার ফলে পেনড্রাইভ তার কর্মক্ষমতা হারাতে পারে। নিয়মগুলো সাবধানে এবং প্রত্যেক মাসে দুই বা তিনবার ফরম্যাট করলে পেনড্রাইভে তথ্য স্থানান্তর দ্রুত হবে।
কম্পিউটারের সেরা ১০টি ফ্রি সফটওয়্যার
কম্পিউটারের দুনিয়ায় সবথেকে বহুল ব্যবহৃত ও জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজ। যার মধ্যে আছে উইন্ডোজ এক্সপি, ভিসতা, সেভেন, এইট এবং টেন। তাই আপনার উইন্ডোজ কম্পিউটারটি আরও প্রোডাক্টিভ ও পাওয়ারফুল করার জন্য ব্যবহার করে দেখতে পারেন এই ১০টি ফ্রি সফটওয়ার।
১. ফায়ারফক্স
আপনি যদি এখনো ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ব্যবহার করেন তাহলে আপনার জন্য সেরা অপশন ফায়ারফক্স। এর মাধ্যমে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার এর থেকে অনেক মসৃণ, দ্রুত এবং আরও নিরাপদভাবে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন। এ ছাড়াও প্লাগ-ইন ব্যবহার করে আরও ভালো করে ব্যবহার করতে পারবেন ইন্টারনেট।
২. থান্ডারবার্ড
এটি একটি ই-মেইল ক্লায়েন্ট। এর অন্যতম গুরুত্বপুর্ণ ফিচার হলো ফিসিং প্রতিরোধে সক্ষম এই ই-মেইল ক্লায়েন্টটি। এ ছাড়াও খুব দ্রুত গতির এটি।
৩. সিসি ক্লিনার
আপনার কম্পিউটার কি স্লো হয়ে গিয়েছে? সিস্টেম ক্লিন করার কথা ভাবছেন? তাহলে ব্যবহার করুন সিসি ক্লিনার।
৪. রেকুভা
সিসি ক্লিনার এর বিপরীত কাজ করে এই সফটওয়ারটি। আপনার কম্পিউটার থেকে ডিলিট হওয়া ফাইল রিকভার করতে পারবে এই সফটওয়্যার।
৫. ভিএলসি মিডিয়া প্লেয়ার
প্রায় সকল মিডিয়া ফাইল ফরম্যাট আপনার কম্পিউটারে চালানো সম্ভব এটি দিয়ে। তাই ব্যবহার করে দেখতে পারেন সফটওয়ারটি।
৬. অ্যাডব রিডার ও ফ্ল্যাশ প্লেয়ার
আপনি যদি কম্পিঊটারে পিডিএফ আথবা ই-বুক পড়েন তবে ব্যবহার করুন অ্যাডব রিডার। আর আপনার ব্রাউজারে ভিডিও দেখার জন্য অবশ্যি ইন্সটল করুন অ্যাডব ফ্ল্যাশ প্লেয়ার।
৭. টিম ভিউয়ার
রিমোট ডেস্কটপ ভিউইং এর জন্য সেরা সফটয়ার টিম ভিউয়ার। এই সফটওয়ারের মাধ্যমে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে আপনার কম্পিউটার স্ক্রিন শেয়ার করতে পারবেন।
৮. সাইবার ঘোস্ট ভিপিএন
আপনি যদি গোপনে ইন্টারনেট ব্রাউজ করতে চান তাহলে ব্যবহার করুন এটি। এ ছাড়াও ব্যবহার করতে পারেন অন্য ভিপিএন সফটওয়্যার।
৯. ৭জিপ
এটি একটি জিপ ফাইল ম্যানেজার। জিপ বা আরএআর এর মতো যেকোনো কম্প্রেসড ফাইলকে আনকম্প্রেস করতে ব্যাহহার করুন এটি।
১০. কি স্ক্র্যাম্বলার
আপনার পাসওয়ার্ড সুরক্ষিত রাখতে ব্যবহার করুন এটি।
এলইডি টিভি কেনার আগে পোস্টটি একবার পড়ুন
সেই কালের সিআরটি (CRT), তারপর এলসিডি (LCD) আর এখন এলইডি (LED) টিভির যুগ। ইন্টারনেট যুগে বসার ঘরে বড় আকৃতির টিভি না হলে কি চলে! টিভি কেনার শুরুতেই সবাই বড় পর্দার এবং এলইডি পর্দা পছন্দ করে থাকে। আর এই টিভি কেনার ক্ষেত্রে প্রথমেই কিছু বিষয় বিবেচনা করা উচিত। একটু সচেতন থাকলেই মানসম্পন্ন এলইডি টিভি আপনার ঘরে যেতে পারে।
টিভি কেনার আগে
এলইডি টিভি কিনলে ফুল এইচডি কিনুন। অনেকে '৭২০পি এইচডি রেডি টিভি' কিনে আনেন। মাথায় রাখুন এগুলো কখনই ফুল এইচডি এলইডি টিভি নয়। ফুল এইচডি এলইডি টিভি চাইলে সব সময় '১০৮০পি টিভি' কিনুন। বিশেষ করে ঘর যদি ছোট হয় তাহলে '১০৮০পি টিভি' সবচেয়ে বেশি কার্যকর।
অনেক সময় টিভি বিক্রেতা সংস্থাগুলো একই দামে বড় আকারের এলইডি টিভি ও একটু ছোট আকারের এলইডি টিভি বিক্রি করেন। ছোট আকারের এলইডি টিভির সঙ্গে স্মার্ট ফিচার আছে বলেও জানানো হয়। কিন্তু ওই দামে বিক্রি হওয়া বড় আকারের টিভিতে স্মার্ট ফিচারের সুবিধা নেই বলে জানানো হয়। কিন্তু এলইডি প্রযুক্তির কথা মাথায় রাখলে সব সময় একজন ক্রেতার প্রথম পছন্দ হওয়া উচিত বড় এলইডি টিভি। যদি, সেট টপ বক্স আপনার টিভি চ্যানেলের উৎস হয় তাহলে সব সময় প্রাধান্য দিন বড় সাইজের টিভি কেনায়। কিন্তু আপনি যদি টিভির সঙ্গে বেশিরভাগ সময় গেমস প্লেয়ার বা ডিভিডি অথবা ফ্ল্যাশ ড্রাইভস লাগিয়ে থাকেন তাহলে অত্যাধুনিক ফাইল ফর্মাট সাপোর্ট করতে পারে এমন এলইডি টিভি কেনার ওপর নজর দিন। টিভিতে আপনি কনটেন্ট কীভাবে দেখবেন, ফ্ল্যাশড্রাইভ ব্যবহার করে কনটেন্ট দেখলে দেখতে হবে জনপ্রিয় সব ফাইল ফরম্যাটগুলো টিভিতে সাপোর্ট করবে কি-না।
টিভি কিনতে গেলে দেখবেন কারোরই অডিও সিস্টেম মনঃপূত হবে না। ছবি দেখে আপনি খুশি হবেন, কিন্তু অডিও শুনলেই খুঁত খুঁত করবে মন। তাই ধরেই নিন এলইডি টিভির স্পিকার ভালো থাকে না। বরং টিভির সঙ্গে ২.১ চ্যানেলের একটা ওফার বার কিনে নিন। নতুন কেনা টিভির সঙ্গে জুড়ে দিন। ঘরে বসেই ডলবি ডিজিটালের এফেক্ট পেয়ে যাবেন।
টিভি কেনার সময় দেখে নিন তাতে সেটটপ বক্সের কানেকশন লাগানোর পোর্ট ছাড়াও যেন এইচডিএমআই, ইউএসবি পোর্ট, ৩.৫ এমএম অডিও জ্যাক ও অন্যসব এভি পোর্টস, ব্লুটুথ থাকে।
বর্তমান দিনে আরও এক প্রযুক্তি এসেছে যাকে '৪ কে' বলা হচ্ছে। কিন্তু যারা সেটটপ বক্সে টিভি দেখতে অভ্যস্ত তাদের কাছে '৪ কে' প্রযুক্তির কোনো গুরুত্ব নেই। যদি সত্যি সত্যি '৪ কে' প্রযুক্তির মজা নিতে হয় তাহলে উচিত দামি টিভি কেনা। বাজারে এখন এসেছে অ্যান্ড্রয়েড টিভি। কম দাম দিয়ে অনেকে অ্যান্ড্রয়েড টিভি কিনছেন। আপনার বাজেট যদি কম হয় তাহলে কখনও প্রচুর পরিমাণ প্রযুক্তিগত সুবিধা খুঁজবেন না। কারণ প্রচুর ফিচারসহ কম দামে কোনো টিভি কিনলেন, দেখা যাবে তার ছবির মান আপনাকে খুশি করছে না।
টিভি থেকে দর্শনার্থীর নূন্যতম দূরত্ব
সাধ্য থাকলে ৩২ ইঞ্চির নিচে কোনো এলইডি টিভি না কেনাই ভালো। বড় আকারের এলইডি টিভি না কিনলে ডিজিটাল প্রযুক্তির মজাটাই মাটি! জেনে রাখুন ৩২ ইঞ্চি এলইডি টিভি দেখতে অন্তত ৪ ফুট দূরত্ব লাগে। ৪০ থেকে ৪৮ ইঞ্চির এলইডি টিভি কিনলে ৭ ফুটের দূরত্ব বজায় রাখুন। আর যদি এর থেকেও বড় সাইজের এলইডি টিভি কিনতে চান, যেমন ৫৫ থেকে ৬৫ ইঞ্চি, তাহলে টিভি দেখতে কম করেও ৯ ফিটের দূরত্ব বজায় রাখুন।
রাউটারের গতি বৃদ্ধির উপায়
ইন্টারনেট ব্যবহার করেন না এ রকম মানুষের সংখ্যা কমছে দিন দিন। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে ওয়াই-ফাইয়ের ব্যবহার। আর ওয়াই-ফাই দিয়ে সামাজিক মাধ্যম, ই-মেইলসহ জরুরি কাজগুলো ঘরেই সেরে নিতে রাউটারের কোনো বিকল্প নেই। তবে নানা কারণে রাউটারের কাঙ্ক্ষিত গতি থেকে বঞ্চিত হন গ্রাহকরা। অথচ সাধারণ কিছু বিষয় অনুসরণ করলেই ইন্টারনেট সংযোগের পুরো গতিটাই রাউটারে পাওয়া সম্ভব। চলুন, আইটি ওয়ার্ল্ডের সৌজন্যে জেনে নিই কীভাবে রাউটারের গতি বাড়ানো যায়।
১. রাউটার রাখুন ঘরের মাঝখানে
ইন্টারনেট সংযোগ নেওয়ার সময় আমরা যে জিনিসটা সবচেয়ে অবহেলা করি তা হচ্ছে অতিরিক্ত তার নেওয়া। তারের পরিমাণ কম থাকার কারণে রাউটারের জায়গা হয় ঘরের এক কোণে বা জানালার পাশে। ফলে অর্ধেক ওয়াই-ফাই সিগন্যাল রয়ে যায় বাইরে। এতে করে গতি হ্রাস পায়। কারণ ওয়াই-ফাই ছড়ায় ওমনি ডাইরেকশনালি, অর্থাৎ স্পিকার থেকে আওয়াজ যেভাবে চারদিকে ছড়িয়ে যায়, ঠিক সেইভাবে রাউটারের অ্যান্টেনাকে কেন্দ্র করে ওয়াই-ফাই চারদিকে ছড়িয়ে যায়। তাই রাউটারকে ঘরের মাঝখানে রাখার চেষ্টা করুন।
২. চোখের উচ্চতায় রাখুন
শুধু যে ঘরের মাঝখানে রাখলেই রাউটারের গতি ভালো পাবেন, তা কিন্তু নয়। উচ্চতারও এখানে যথেষ্ট ভূমিকা রয়েছে। মাটি থেকে পাঁচ ফুট উচ্চতা, অর্থাৎ চোখ বরাবর উচ্চতায় রাউটার রাখলে ভালো গতি পাওয়া যায়। পাশাপাশি রাউটারের সিগন্যালের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায় এমন কোনো ডিভাইস, যেমন—কর্ডলেস ফোনের বেস, অন্য কোনো রাউটার, প্রিন্টার, মাইক্রোওয়েভের সঙ্গেও রাউটার রাখা ঠিক নয়।
৩. কম ডিভাইস সংযুক্ত করা
বাড়িতে বন্ধু বা আত্মীয় আনাগোনা খুব বেশি? সবাইকে ওয়াই-ফাইয়ের পাসওয়ার্ড দিয়ে বেড়ান? তাহলে আপনার ওয়াই-ফাইয়ের গতি কমতে বাধ্য। যদি দ্রুতগতির ইন্টারনেট সংযোগ না হয়, তাহলে একসঙ্গে অনেক বেশি ডিভাইস সংযোগ না দেওয়াই ভালো। এখন অনেক রাউটারে ডিভাইস ব্লক করার সুযোগ থাকে। যদি দেখা যায়, কোনো নির্দিষ্ট ডিভাইস অতিরিক্ত ব্যান্ডউইথ টেনে নিচ্ছে, তাহলে তাকে ব্লক করে দিন। এ ছাড়া ফ্রি ওয়াই-ফাই পেলে অনেকেরই ডাউনলোড করার শখ মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। এতে করেও রাউটারের গতি কমে যায়।
৪. রিপিটার ব্যবহার করা
ওয়াই-ফাইয়ের গতি বাড়িয়ে দিতে রিপিটারের জুড়ি নেই। বাজারে বা অনলাইন শপে প্রচুর রিপিটার পাওয়া যায়। রাউটারের সঙ্গে সংযুক্ত করে নেওয়াও সহজ। অনেক সময় বাড়িতে পুরোনো রাউটার থাকলে যথেষ্ট গতি পাওয়া যায় না। রাউটার এ সমস্যা থেকে সহজেই মুক্তি দেবে আপনাকে।
৫. ইউএসবি রাউটার ব্যবহার করুন
রাউটার কেনার আগে দেখে নিন, তাতে ইউএসবি পোর্ট আছে কি না। কারণ, ইউএসবি পোর্ট থাকলে তাতে এক্সটার্নাল হার্ডড্রাইভ সংযোগ করা সহজ হয়। অথবা প্রিন্টারও সংযুক্ত করতে পারেন। এতে করে ইন্টারনেট থেকে কোনো জিনিস প্রিন্ট দেওয়ার জন্য ডিভাইসের প্রয়োজন পড়বে না। ইউএসবি পোর্টসমৃদ্ধ রাউটারগুলো বেশ শক্তিশালী হয়। ফলে সিগন্যালও পাওয়া যায় ভালো।
ওয়াই-ফাই সংযোগে স্পিড বাড়িয়ে নিন
রাউটারের অবস্থান দেখুন
বেশির ভাগ মানুষই রাউটার বসানোর স্থানটিকে গুরুত্ব দিতে চায় না। অথচ এটা জরুরি। আপনার ধীরগতির ওয়াই-ফাই একপলকে গতিশীল করার জন্য হয়তো রাউটারটি কেবল একটু ওপরে তুলতে হতে পারে। কিংবা নিচে কোথাও রাখতে হতে পারে। মোট কথা, এই যন্ত্রটাকে খোলামেলা স্থানে রাখতে হয়। নইলে সিগন্যাল গোলমেলে হয়ে যেতে পারে।
বাধাগ্রস্ত হতে পারে
কংক্রিট ও ধাতব পদার্থ ওয়াই-ফাইয়ের তরঙ্গ আটকে দিতে ওস্তাদ। এমনকি অন্যান্য কিছু বস্তুও দারুণ গতির ওয়্যারলেস সিগন্যালকে দুর্বল করে দিতে পারে। বিশেষ করে ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতিগুলো বাধা হতে পারে। তাই এর আশপাশে অন্য কিছু নেই, এটা নিশ্চিত করুন।
রাউটার থেকে দূরত্ব
এর থেকে যত দূরে যাবেন, ততই দুর্বল সিগন্যাল পাবে আপনার স্মার্টফোন বা কম্পিউটার। তাই যে যন্ত্রে ইন্টারনেট ব্যবহার করবেন, সেটার কাছাকাছি রাখবেন রাউটার। দূরত্ব বাড়লে সিগন্যালও ধীর হতে থাকবে।
পথের বাধা মাইক্রোওয়েভ
বাড়ির খাবার রান্নার ইলেকট্রিক যন্ত্রটিও কিন্তু ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের শত্রু হয়ে ওঠে। হিসাবটা বৈজ্ঞানিক। মাইক্রোওয়েভ ওভেন ২ দশমিক ৪৫ গিগাহার্টজ ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে, যা কিনা ওয়াই-ফাইয়ের ফ্রিকোয়েন্সির খুব কাছাকাছি। ২ দশমিক ৪ গিগাহার্টজের ওয়াই-ফাই ব্যান্ড অনেক সময়ই ২ দশমিক ৪১২ গিগাহার্টজ থেকে ২ দশমিক ৪৭২ গিগাহার্টজ ব্রডকাস্ট করে।
চ্যানেল ইন্টারফেস
এ যুগে তো প্রায় সব বাসায়ই ওয়াই-ফাই থাকে। একটি ভবনের প্রতিটি ফ্ল্যাটেই হয়তো একটি করে রাউটার রয়েছে। এ ক্ষেত্রে চ্যানেল ওভারল্যাপের সমস্যা বিরল কিছু নয়। তাই হয়তো আপনার ওয়াই-ফাই যথেষ্ট শক্তিশালী, কিন্তু চারপাশের চাপে এটাও বিগড়ে যায়।



