Showing posts with label সরকারি সেবা. Show all posts
Showing posts with label সরকারি সেবা. Show all posts

ভোক্তা অধিকার আইনে অভিযোগ দায়েরের পদ্ধতি


য‌দি কোন পণ্য কি‌নে প্রতা‌রিত হোন, আর সেই প্রতারণার সু‌নি‌র্দিষ্ট প্রমান য‌দি আপ‌নি দেখা‌তে পা‌রেন, ত‌বে নি‌শ্চিতভা‌বে ডাবল অায় কর‌লেন! প্রতা‌রিত হ‌য়ে আয়? নিশ্চয়ই চোখ কপা‌লে! ত‌বে বিস্তা‌রিত জে‌নে নিনঃ 

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের অনেকগুলো ধারায় অধিদপ্তর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য অপরাধগুলো হলো ধার্যকৃত মূল্যের অধিক মূল্যে পণ্য বিক্রি করা, ভেজাল পণ্য বা ওষুধ বিক্রি করা, খাদ্যপণ্যে নিষিদ্ধ দ্রব্যের মিশ্রণ, অবৈধ প্রক্রিয়ায় পণ্য উৎপাদন বা প্রক্রিয়াকরণ, মিথ্যা বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রতারিত করা, ওজনে কারচুপি, বাটখারা বা ওজন পরিমাপক যন্ত্রে কারচুপি, মেয়াদ উত্তীর্ণ কোনো পণ্য বা ওষুধ বিক্রি ইত্যাদি।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর (DNCRP) এর মহাপরিচালক বলেন, ‘আমরা অভিযোগ পেলে দুই সপ্তাহের মধ্যে নিষ্পত্তি করি। তবে জটিল কিছু হলে একটু সময় লাগে।

ভোক্তা অধিকার আইনে মামলা এখন স্মার্টফোনে

পণ্যের মান নিয়ে সমস্যা? দাম বেশি রেখেছে? এরকম নানা সমস্যায় প্রতিনিয়ত ভুক্তভোগী ক্রেতা সাধারণ। ভোক্তার অভিযোগ স্মার্টফোনের একটি অ্যাপসে তুলে দিয়ে তা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে দাখিলের সহজ পদ্ধতি চালু হয়েছে।



কিভাবে-কোথায় অভিযোগ করতে হবে এমন বিড়ম্বনায় না গিয়ে মোবাইল ফোনের মাধ্যমেই এখন থেকে অভিযোগ করা যাচ্ছে।  ‘ভোক্তা অধিকার ও অভিযোগ’- নামের এ অ্যাপটি পাওয়া যাচ্ছে গুগল প্লে-স্টোরে।

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের সেবা সমূহ


জাতীয় পরিচয়পত্র সেবা সংক্রান্ত তথ্য
ঢাকার আগারগাঁও-এ অবস্থিত বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন অফিস, জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগ থেকে যেসব সেবা পাওয়া যাবে, তা নিম্নরূপঃ

পাসপোর্ট, পুলিশ ভেরিফিকেশন ও জাতীয় পরিচয় পত্র ফি অনলাইনে

ঘরে বসেই অনলাইনে পাসপোর্ট, পুলিশ ভেরিফিকেশন এবং জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন বা উত্তোলন সংক্রান্ত ফি জমা দিতে চালু হলো ই-চালান (ইলেক্ট্রনিক-চালান) পদ্ধতি। এর মাধ্যমে দালালের দৌরাত্ব এবং ভোগান্তি যেমন কমবে, তেমনি সময়মত চালানের অর্থ সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা হবে।

সং‌শ্লিষ্ট সূত্রম‌তে, কেবলমাত্র তিনটি সংস্থার সেবা দিয়ে ই-চালান পদ্ধতি চালু হলেও আগামী এক বছর অর্থাৎ পরবর্তী বছরের এপ্রিল মাসের মধ্যে পর্যায়ক্রমে সরকারের অন্যান্য সকল মন্ত্রণালয় বা সংস্থার সরকারি ফি আদায় কিংবা লেনদেন এর মাধ্যমে করা যাবে। সরকারি ফি প্রদানের ক্ষেত্রে ই-চালান পদ্ধতি অর্থ ও সময়ের অপচয় হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হ‌চ্ছে।

অর্থ বিভাগের নির্দেশনায় ও তত্ত্ববধানে প্রধানমনত্রীর কার্যালয়েরর একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রাম থেকে ই-চালান পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। অনলাইন ব্যাংকিং সুবিধা রয়েছে এমন যে কেউ ই-চালানের মাধ্যমে অনলাইনে রাজস্ব জমা দিতে পারবে।
তথ্য প্রদানের পর নির্দিষ্ট ফরম- অনলাইনে পূরণ করার পর ’পরিশোধের পদ্ধতি’ অংশ গিয়ে ‘অনলাইন পরিশোধ’ অপশনটি নির্বাচন করে নির্দিষ্ট একাউন্ট থেকে অর্থ স্থানান্তরের মাধ্যমে চালানের অর্থ জমা দেওয়া যাবে।
সূ‌ত্রে আরও জানানো হয়, সরকারি বিভিন্ন সেবার ফি আদায় ও লেনদেনের ক্ষেত্রে চালান ব্যবহৃত হয়। ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে ব্যাংক অথবা ফটোকপির দোকান থেকে সেবাগ্রহীতার চালান ফরম সংগ্রহ করতে হয়। ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে এ চালান কার্যটি সম্পন্ন করতে গিয়ে একজন নাগরিকের অতিরিক্ত সময় ও অর্থ ব্যয় হয় এবং যাতায়াতের ভোগান্তি আছে। একইভাবে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দৈনিক হিসাব মিলানো, নির্ধারিত প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে অর্থ প্রেরণ এবং দাপ্তরিক কাজ সম্পন্ন করতে বাড়তি ব্যয় ও মানসিক চাপ তৈরি হয়।
এ ছাড়া সরকারি সেবার ফি ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে গ্রহণ ও দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ায় সরকারের কোষাগারে যথাসময়ে সেটি জমা হয় না। চালানের মাধ্যমে কোন প্রতিষ্ঠানের কাছে কত টাকা জমা আছে বা লেনদেন চলমান রয়েছে তার কোন সঠিক তথ্য থাকে না। কিন্তু ই-চালান পদ্ধতির মাধ্যমে এসব সমস্যা সহজে দূর হবে ।

ই-চালান পদ্ধতি ব্যবহার করে ভোগান্তি থেকে মুক্তি পেতে পারে জনগণ। এতে দালালের দৌরাত্ব কমবে। তাই জনগণের কাছে ই-চালানের বিষয়টি নিয়ে যেতে হবে।
সরকারের সব প্রেমেন্টই ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতি হ‌লে যথা সময়ে সরকারি কোষাগারে এর অর্থ জমা হবে। এ ছাড়া জনগণও ভোগান্তি থেকে রেহাই পাবে। অনিয়ম ও বন্ধ হবে।

১ ঘণ্টায় জাতীয় পরিচয়পত্র হাতে পাওয়ার উপায়

আপনি জাতীয় পরিচয়পত্র হারিয়ে ফেলেছেন কিংবা এখনও উত্তোলন করেননি। কিন্তু আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র এখন অতি জরুরি।
এ ক্ষেত্রে আপনি কি করবেন? বিষয়টি খুব চিন্তার হতে পারে। আদতে যদি কয়েকটা বিষয় জানা থাকা তাহলে চিন্তার কোনো কারণ নেই। এ ক্ষেত্রে আপনি একদিনেই, বলতে গেলে মাত্র এক থেকে দেড় ঘণ্টার মধ্যেই জাতীয় পরিচয়পত্র পেয়ে যেতে পারেন। কিভাবে?

হারানো জাতীয় পরিচয়পত্র তুলুন জিডি ছাড়াই

জাতীয় পরিচয়পত্র হারালে এখন থেকে থানায় জিডি করা লাগবে না। নির্বাচন কমিশন (ইসি) বাধ্যতামূলক এই বিধানটি তুলে দিয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম সচিব ও এনআইডির পরিচালক (অপারেশনস) আবদুল বাতেন বলেন, হারানো জাতীয় পরিচয়পত্র ওঠাতে থানায় জিডি করা বাধ্যতামূলক। প্রাথমিক এই কাজটি করার বিষয়ে দেশের অনেক নাগরিক সচেতন নয়। তাই কার্ডটি হারানোর পর জিডি না করেই অনেকে সেটি ওঠাতে নির্বাচন কমিশনে ছুটে আসেন। তখন পরামর্শ দেওয়া হয় থানায় জিডি করে তার অনুলিপি আবেদনপত্রের সঙ্গে যুক্ত করার জন্য। এটিও গ্রাহকদের জন্য এক ধরনের ভোগান্তি।

পরিচালক বলেন, জিডির প্রয়োজনীয়তা আছে কি নেই কমিশনে আলোচনা করে একটি বিষয় পরিষ্কার হয়েছে, একজন ব্যক্তির আইডি অন্য আরেকজন নিয়ে কারসাজি কিংবা প্রতারণার মাধ্যমে তাকে বিপদে ফেলতে পারেন না। কারণ আইডি নিয়ে তার অপব্যবহার করার সুযোগ কম। কেননা সংশ্লিষ্ট নম্বরটি সার্চ দিলেই এই কার্ডটির বৈধ মালিককে তা ডেটাবেইস শনাক্ত করে থাকে।

এ ছাড়া জিডি করতে গিয়ে অনেক সময় হয়রানির শিকার হন কিংবা পুলিশ এটি করা নিয়ে টালবাহানা করে থাকে বলেও অভিযোগ আছে।
তাই হারানো কার্ডটি দ্রুত সময়ের মধ্যে পেতে জিডির বিধানটি বাদ দেওয়া হয়েছে। এতে পুলিশের কাজ কিছুটা কমার পাশাপাশি আর্থিক বাণিজ্যের পথ বন্ধ হবে। পাশাপাশি হয়রানিও অনেকাংশে কমে আসবে বলে আমি মনে করি, জানান এনআইডির পরিচালক (অপারেশনস)।

প্রবাসীরা যেভাবে জাতীয় পরিচয়পত্র কর‌বেন

দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকার কারণে জাতীয় পরিচয়পত্র করতে পারেননি এমন ব্যক্তির সংখ্যা কম নয়। দেশে আসা হয়নি, তাই বাংলাদেশের নাগরিক হয়েও পরিচয়পত্র নেই। কিন্তু দেশের নাগরিক হিসেবে পরিচয় এবং রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন কাজ করতে গেলে, সুবিধা পেতে গেলে জাতীয় পরিচয়পত্র থাকা আবশ্যক। প্রবাসে বসবাসকারীর অনেকেই হয়তো জানেন না, নতুন পরিচয়পত্র করতে হলে কী করতে হবে। মানে কীভাবে করব, কোথায় করব, কী কী লাগবে ইত্যাদি। তো, চলুন জেনে নিই প্রবাসীরা কীভাবে পরিচয়পত্র করবেন।

অভিবাসীরা যেভাবে জাতীয় পরিচয়পত্র পাবেন
বিদেশে বসে জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ার সুযোগ নেই। এ জন্য অবশ্যই দেশে আসতে হবে। পাসপোর্ট বা বিদেশে বসবাসের প্রমাণপত্র নিয়ে তাঁকে যেতে হবে নিজের থানা বা উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ে। সেখানে জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়া এবং ভোটার হওয়ার আবেদনপত্র পূরণ করতে হবে। সেখানে নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আবেদনকারীকে ফরম ও আনুষঙ্গিক কাগজ নিয়ে আসতে হবে জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে। সেই দপ্তর থেকে সব কাগজ ডাকযোগে পাঠিয়ে দেওয়া হবে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অধীনে থাকা ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়ন এবং জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদানে সহায়তা প্রদান প্রকল্পের দপ্তরে। তবে জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে কাগজপত্রের সব প্রক্রিয়া শেষ করে আবেদনকারী সেগুলো হাতে হাতে নিয়ে আসতে পারেন প্রকল্পের কার্যালয়ে। এখানে আবেদনকারীর ছবি তোলার পর নেওয়া হবে হাতের ছাপ এবং স্ক্যান করা হবে চোখের মণি। এসব কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর আবেদনকারীকে প্রাপ্তি রসিদ দেওয়া হবে। তাতে আবেদনকারীকে ১৫ দিন পর আগারগাঁওয়ের ইসলামিক ফাউন্ডেশন ভবনের নিচতলায় প্রকল্পের দপ্তর থেকে জাতীয় পরিচয়পত্র বুঝিয়ে দেওয়া হবে।
প্রবাসীদের পরিচয়পত্র পেতে দেশে যেহেতু আসতেই হবে, তাই পরিকল্পনার মধ্যে ভ্রমণটা রাখলে মন্দ হয় না। রথ দেখা আর কলা বেচা—দুটোই হলে মন্দ কী?

জাতীয় জরুরি সেবা ‘৯৯৯’র মাধ্য‌মে পাওয়া যা‌বে

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় জাতীয় জরুরি সেবা ‘৯৯৯’ উদ্বোধন করেছেন। দেশজুড়ে মানুষকে জরুরি সেবা প্রদানের লক্ষ্য নিয়ে এই কর্মসূচি চালু করা হয়েছে।

একটি সহজ নম্বর, ৯৯৯। যেকোনো ফোন থেকে বিনা খরচে কল করা যাবে এই নম্বরে। অপরপ্রান্তে থাকা কর্তব্যরত পুলিশের সদস্যরা তাৎক্ষণিক সাড়া দিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন। পুলিশ এর নাম দিয়েছে, ‘জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯’। প্রয়োজনে যে কেউ ফোন করে পুলিশ, অ্যাম্বুলেন্স এবং ফায়ার সার্ভিস সেবা পাবেন।

পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশ পুলিশ ইতিমধ্যে অনেক পদক্ষেপ নিয়েছে। ইতিমধ্যে অনলাইনে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স, বিডি পুলিশ হেল্প লাইন ফেসবুকসহ আরো  আরো অ্যাপ খোলা হয়েছে। উন্নত বিশ্বে জরুরি কল সেন্টার চালু আছে। সেগুলোতে ফোন করে নাগরিকরা দ্রুত সেবা নিয়ে থাকেন। উন্নত বিশ্বের আদলে বাংলাদেশের জনগণ যাতে দ্রুত সেবা পেতে পারে  এজন্য ‘ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি সার্ভিস’-৯৯৯ কল খোলা হয়েছে। দিনে ১২০টি কল রিসিভ করতে পারবে পুলিশ। কলটি পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ফরোয়ার্ড করে দিবে সংশ্লিষ্ট থানায়। এরপর পুলিশ ভিকটিমের তথ্য অনুযায়ী জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেবে।

সূত্র জানায়, গত ২০শে জুলাই পরীক্ষামূলক পুলিশ জরুরি জাতীয় সেবা, ৯৯৯ কার্যক্রম চালু করে। এরই মধ্যে গাজীপুরের কালিয়াকৈর হাইটেক পার্কে ৯৯৯ নম্বরের একটি হেল্পডেক্স খোলা হয়। এই পরীক্ষামূলক কার্যক্রমে সেবা প্রত্যাশীরা ৬৪.৮০ ভাগ পুলিশি সেবা, ৩১.১০ ভাগ ফায়ার সার্ভিস ও ৪.১০ ভাগ অ্যাম্বুলেন্স সেবার জন্য কল করেছেন। এই তিনটি কল পর্যালোচনা করে পুলিশ ওই ৩ সেবা দেয়ার জন্য উদ্যোগ নিয়েছে।

গত ৮ই অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় ৯৯৯ পূর্ণাঙ্গভাবে পরিচালিত করার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তথা বাংলাদেশ পুলিশকে হস্তান্তরের নির্দেশ দেন। এর আলোকে বিটিআরসি বাংলাদেশ পুলিশকে তাদের ব্যবহৃত ১০০ শর্টকোড এর পরিবর্তে ৯৯৯ শর্টকোড বরাদ্দ দেন। ইতিমধ্যে এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশের ৬৪টি জেলায় ৯৯৯ এর ব্যবহার, প্রচার ও কমিউনিটি সেফ্‌টির বিষয়ে কর্মশালা সম্পন্ন হয়েছে।

পুলিশের আইজি একেএম শহীদুল হক বলেন, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নাগরিকের কল্যাণে কাজে আসবে বলে পুলিশ আশা করছে। নাগরিকরা যদি কোনো অপরাধ করতে দেখেন, কাউকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়া হলে, কেউ দুর্ঘটনায় পড়লে বা কোনস্থানে আগুনসহ যেকোনো দুর্যোগ দেখা দিলে। পুলিশের দক্ষ ও প্রশিক্ষিত সদস্যরা ২৪ ঘণ্টা এই কলটি রিসিভ করবেন এবং ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

জাতীয় সেবাটির মাধ্যমে দেশের প্রত্যেক স্থানের মানুষ দিনের ২৪ ঘন্টাই পুলিশ, দমকল বাহিনী ও অ্যাম্বুলেন্সের জরুরি সেবা গ্রহণ করতে পারবে। মোবাইল ফোন ও টেলিফোন উভয় মাধ্যমে শুধুমাত্র ৯৯৯ নম্বরে ফোন করলে এই সেবা পাওয়া যাবে।

ডিসেম্বরের পর নিষ্ক্রিয় হয়ে যাবে বাড়তি সিম

একটি জাতীয় পরিচয় পত্রের বিপরীতে ১৫টির বেশি মোবাইল সিম বা রিম রাখা যাবে না। ৩১শে ডিসেম্বরের মধ্যে বাড়তি সিম নিষ্ক্রিয় করতে বলা হয়েছে। এ সময়সীমার মধ্যে গ্রাহকরা স্বেচ্ছায় অতিরিক্তি সিম নিষ্ক্রিয় না করলে সংশ্লিষ্ট অপারেটরের মাধ্যমে সেগুলোর নিবন্ধন বাতিল ও বন্ধ করে দেয়া হবে। এদিকে কর্পোরেট গ্রাহকের ক্ষেত্রে সিম সংখ্যা নির্ধারণ করে দেয়া বাস্তব সম্মত নয়। তাই কোন প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সিম বা রিম কেনার জন্য অনুমোদিত ব্যক্তি এ সীমার আওতামুক্ত থাকবেন। 

পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সেবা

নাগরিকদের সহায়তা দিতে বাংলাদেশ পুলিশের বেশ কয়েকটি সেবা কার্যক্রম চালু আছে। তবে অনেকেই হয়ত এ সব সেবার সঙ্গে পরিচিত নন।
তাই আজকের প্রতিবেদনে থাকছে বাংলাদেশ পুলিশের জানা-অজানা কয়েকটি সেবা।

SMS করে জেনে নিন- স্মার্টকার্ড হা‌তে পাবার সময়

দেশের নাগরিকদের জাতীয় পরিচয়পত্রের স্মার্টকার্ড দেওয়া শুরু করেছে সরকার। ইতোমধ্যেই অনেকে নিজেদের কার্ড বুঝে পেয়েছেন। তবে সবার হাতে এখনো পৌঁছায়নি স্মার্টকার্ড। কিন্তু যারা এখনও পাননি তারা নিজেই জেনে নিতে পারেন কখন হাতে পাবেন আপনার কার্ডটি। ১০৫ নম্বরে এসএমএস পাঠিয়ে বা নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট থেকে জানতে পারবেন এ তথ্য।

এছাড়া নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটের www.services.nidw.gov.bd/voter_center লিংকে গিয়ে এনআইডি নম্বর ও জন্ম তারিখ অথবা ফরম নম্বর ও জন্মতারিখ দিয়ে স্মার্টকার্ড বিতরণের তারিখ জানা যাবে। তবে যাদের স্মার্টকার্ড বিতরণের তারিখ এখনো নির্ধারণ হয়নি তাদেরকে পরবর্তীতে আবার অনুসন্ধান করার কথা বলা হবে।

এসএমএসের মাধ্যমেও বিতরণের তারিখ ও কেন্দ্রের নাম জানা যাবে। এসএমএসের মাধ্যমে জানতে SC লিখে স্পেস দিয়ে NID লিখে একটা স্পেস দিয়ে ১৭ সংখ্যার এনআইডি নম্বর লিখে ১০৫ নম্বরে পাঠাতে হবে। আর যাদের এনআইডি ১৩ ডিজিটের তাদের এনআইডির নম্বরের প্রথমে জন্ম সাল যোগ করতে হবে বলে জানান তিনি। যেমন- SC NID 1974xxxxxxxxxxxxx

যারা ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছে কিন্তু এখনো এনআইডি পাননি তারা SC লিখে স্পেস দিয়ে F লিখে স্পেস দিয়ে নিবন্ধন স্লিপের ফরম নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে D লিখে স্পেস দিয়ে yyy-mm-dd ফরমেটে জন্ম তারিখ লিখে ১০৫ নম্বরে পাঠাতে হবে।

পাসপোর্ট হারালে করণীয়

চাকরি, ব্যবসা, ভ্রমণ বা শিক্ষার্থী হিসেবে বিভিন্ন দেশে প্রতিনিয়তই আমাদের যেতে হয়। বিদেশে যাওয়ার পর আমার পরিচয় বহনের একমাত্র প্রমাণ হলো পাসপোর্ট ।

কোনো কারণে পাসপোর্ট যদি হারিয়ে যায় তাহলে বিদেশের মাটিতে নানা ঝামেলায় পড়তে হয়। অনেক সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে সঠিক প্রমাণাদির অভাবে কারাগারেও যেতে হতে পারে আপনাকে। তাই বিদেশের মাটিতে পাসপোর্ট হারালে কী করবেন?

জেনে নিন বিদেশে পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে করণীয়-

মোটরসাইকেল রেজিস্ট্রেশন করুন অনলাই‌নে

অনেক সাধনা করে মনের মতো নতুন মোটরসাইকেল কিনেছেন। কিন্তু যখনই বাইক রেজিস্ট্রেশনের ভোগান্তির কথা মনে পড়ে মুহূর্তের মধ্যেই সব আনন্দ বিষাদে বদলে যায়। বাইক রেজিস্ট্রেশনে কতদিন ঘুরতে হবে? কত টাকা বেশি খরচ করতে হবে? ভোগান্তি ছাড়া বাইক রেজিস্ট্রেশনের জন্য দালালকে দিয়ে কাজ করালেই বা কেমন হয়? এমন অদ্ভূত চিন্তা করে অধিকাংশ নতুন বাইকারই নিজেদের মধ্যে অজানা শঙ্কা নিয়ে রাতের ঘুম হারাম করেন। সাধের মোটরসাইকেলটি কিনলেন, কিন্তু এটা সড়কে নামানোর বৈধতা নিয়ে পড়েন বিড়ম্বনায়। আবার দালাল খপ্পরে পড়ে অতিরিক্ত টাকা খসাতে হয় পকেট থেকে।

দালালের নয়, আপনার বাইকের রেজিস্ট্রেশন আপনি নিজেই করুন! এখানে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথোরিটি (বিআরটিএ) ঢাকার মিরপুর-অংশের চিত্র তুলে ধরা হলো।

প্রথম ধাপ:

যে কোম্পানি বা শোরুম থেকে মোটরসাইকেলটি কিনছেন, তাদের থেকে কেনার সময়টাতেই টাকা জমার রশিদ, গাড়ির চেসিস নম্বর ও ইঞ্জিন নম্বর লেখা গেটপাশ এবং গাড়ির ওয়ারেন্টি কাগজ অবশ্যই যাচাই করে নেবেন।

এরপর সেই কোম্পানির সাথে সবসময় যোগযোগ রেখে গাড়ির বাকি কাগজপত্র খুব দ্রুতই সংগ্রহ করার চেষ্টা করুন। যেমন: চালানপত্র, আমদানিসংক্রান্ত কাগজপত্র, ব্যাংকের ট্রেজারি চালান, কাস্টমসসংক্রান্ত কাগজগুলো কোম্পানি কর্তৃক সত্যায়িত কি না নিশ্চিত হয়ে সেগুলো সংগ্রহ করুন। তবে কাগজ সংগ্রহ করতে গেলে সেখানে আপনার ছবি, ভোটার আইডি ও বিদ্যুৎ বিলের ফটোকপি লাগবে। যেগুলো গাড়ি কোম্পানির দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি সত্যায়িতি করে দেবে।

দ্বিতীয় ধাপ:

টাকা জমার রশিদ, গেট পাস হাতে পাওয়ার পরপরই আপনার ভোটার আইডি কার্ড ও বাড়ির বিদ্যুৎ বিলের ফটোকপি যোগ করে বিআরটিএ’তে গিয়ে ওখানকার ব্রাক ব্যাংকে আপনার গাড়ির সিসি অনুযায়ী বিআরটিএ থেকে ধার্যকৃত টাকা জমা দিয়ে টাকা জমার রশিদ (দুটি:- একটি হালকা সবুজ ও দ্বিতীয়টি নীল) সংগ্রহ করতে হবে। অথবা আপনার গাড়ির সব কাগজ-পত্র হাতে পাওয়ার পরও টাকা জমা দিতে পারেন।

তৃতীয় ধাপ:

এবার ভোগান্তি এড়াতে দালালের চিন্তা হয়তো আপনার মাথায় উঁকি দিতে পারে। দালালের চিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলে আপনি নিজেই আপনার গাড়ির সব কাগজ নিয়ে বিআরটিএতে যান। তবে সচেতন মানুষ হিসেবে প্রতিটা কাগজেরই একাধিক ফটোকপি বা সেট সাথে রাখবেন। ব্যাংকে টাকা জমা দেয়ার রশিদের নীল কপিটা মূল কাগজের সাথে যুক্ত করুন, আর হালকা সবুজ বর্ণ বা মূল রশিদটা আপনার কাজে ডকুমেন্টস হিসেবে সব সময় রাখুন।

মোটরসাইকেল ও সেটার সব কাগজ সাথে নিয়ে প্রথমে এক নম্বর ভবনের ১০২ নম্বর রুমে মোটরযান পরিদর্শক রোকনুজ্জামানের (বর্তমানে) কাছে যাবেন। তিনি আপনার বাইকের চেসিস নম্বর ও ইঞ্জিন নম্বর দেখে আপনার গাড়ি কি না তা নিশ্চিত করবেন এবং গাড়ি পরীক্ষার পর (ক্লিয়ারেন্স) পরবর্তী ধাপের জন্য স্বাক্ষর দিয়ে আপনাকে একই ভবনের ২০৭ নম্বর রুম বা সংশ্লিষ্ট রুমে পাঠাবেন।

২০৭ নম্বর রুমে সহকারী পরিচালক শামসুল কবীরের (বর্তমানে) সই নেবেন। ওখান থেকে আপনাকে একই ভবনের ৩০৪ অথবা ৩১৪ নম্বর  রুমে পাঠাবে। ৩০৪/ ৩১৪ নম্বর রুম থেকে আপনাকে ৩০১ নম্বর রুমে বিআরটিএ’র মোটরযান পরিচালক মো. রিয়াজুল ইসলামের (বর্তমান) কাছে স্বাক্ষরের জন্য পাঠাবে।

তবে খেয়াল রাখবেন, আপনার সেই কাগজে তিন কপি স্ট্যাম্প সাইজের ছবি লাগানোর পরই রিয়াজুল ইসলামের স্বাক্ষর পাবেন। তাই পাসপোর্ট ও স্ট্যাম্প সাইজের পর্যাপ্ত ছবি সাথে করে নিতে ভুলবেন না।

রিয়াজুল ইসলামের কক্ষ থেকে পুনরায় ৩০৪/৩১৪ নম্বর রুমে যাবেন। সেখানে আপনার সব কাগজ জমা নিয়ে নিবে এবং আপনাকে কিছুক্ষণের জন্য অপেক্ষায় রাখবে। হতে পারে ভিড় বুঝে দুই একদিন সময়ও নিতে পারে। এই সময়টাতে তারা আপনার নাম বিআরটিএ’তে লিপিবদ্ধ করবে।

আপনার নাম লিপিবদ্ধ করা হয়ে গেলে আপনাকে পুনরায় ২০৭ নম্বর রুমে শামসুল কবিরের কাছে পাঠানো হবে, সেখানে তিনি আপনার কাগজ যাচাই করে আপনার গাড়ির রেজিস্ট্রেশন নম্বর বিআরটিএ সার্ভারে নির্দিষ্ট করে দিবে। কাজ শেষে আবারো ৩০৪/৩১৪ নম্বর রুমে যাবেন। এরপর তারা আপনাকে রেজিস্ট্রেশন নম্বরপত্র ও কর পরিশোধ সনদপত্র প্রিন্ট করে আপনার হাতে দেবে। যেখানে আপনি গাড়িতে ব্যবহারের জন্য রেজিস্ট্রেশন নম্বর পাবেন।

চতুর্থ ধাপ:

এরপর ডিজিটাল ব্লু-বুকের (স্মার্ট কার্ড) জন্য ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সেকশনে যোগাযোগ করুন। তারাই আপনাকে ডিজিটার রেজিস্ট্রেশনের নির্দষ্ট সময় জানিয়ে দেবে। ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশনের সময় টাকা জমার রশিদ, রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও কর পরিশোধ সনদের কাগজ ও জাতীয় পরিচয়পত্র সাথে রাখুন। সব কাগজপত্র সঠিক পেলে ওইদিনই আপনার স্বাক্ষর ও আঙ্গুলের ছাপ নেয়া হবে। ওখান থেকেই আপনাকে পরবর্তী সময় জানিয়ে দেয়া হবে।

পঞ্চম ধাপ:

আপনার ডিজিটাল ব্লু-বুক (স্মার্ট কার্ড) ও ডিজিটাল নম্বর প্লেট তৈরি হয়ে গেলে বিআরটিএ থেকে আপনার মোবাইলে ডেলিভারি তারিখের এসএমএস পাঠানো হবে। সেই তারিখে আপনি বিআরটিএতে গিয়ে যোগযোগ করলেই স্মার্ট কার্ড ও ডিজিটাল নম্বর প্লেট পেয়ে যাবেন।

ডিজিটাল নম্বর প্লেটের জন্য আপনার রেজিস্ট্রেশনে ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর থেকে NP লিখে ৬৯৬৯ নম্বরে এসএমএস করুন। বিআরটিএর পক্ষ থেকে ফিরতি এসএমএসে আপনাকে নির্দিষ্ট সময় জানিয়ে দেয়া হবে।

অনলাইনে জাতীয় পরিচয় পত্র ও ভোটার হওয়ার সু‌বিধা

এখন থে‌কে অনলাইনেই পাওয়া যাবে ভোটার আই‌ডি কার্ড বা জাতীয় পরিচয় পত্র, এমন‌কি ভোটার হওয়ার সু‌বিধাসহ অন্যান্য সু‌যোগ‌তো থাকছেই।

অনলাইনে ঘ‌রে বসেই জাতীয় পরিচয়পত্রের যাবতীয় কাজ সম্পন্ন করা যায়। জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন, নতুন ভোটার হিসেবে নিবন্ধন আবেদন, হারিয়ে যাওয়া বা নষ্ট হওয়া পরিচয়পত্র নতুন করে তোলা, ছবি বা স্বাক্ষর পরিবর্তনের আবেদন সবকিছুই এখন সম্ভব ক্লিকেই। কিন্তু বিষয়টি অনেকের না জানার কারণে জাতীয় পরিচয় পত্রের যাবতীয় কাজ করতে গিয়ে পড়তে হয় বি‌ভিন্ন হয়রা‌নি ও নানান জটিলতায়।

কিন্তু আপনি চাইলে নির্বাচন কমিশনের services.nidw.gov.bd এই ওয়েবসাইটে গিয়ে এখন থে‌কে ঘরে বসেই সবকিছু করতে পারবেন খুব সহজেই। পাশাপাশি বিদ্যমান প্রক্রিয়াও অব্যাহত রয়েছে।

services.nidw.gov.bd সাইটে যে সব তথ্য ও সেবা পাওয়া যা‌বেঃ

১. নতুন ভোটার হিসেবে নিবন্ধন আবেদন;
২. নিবন্ধনের মাধ্যমে নিজের হিসাব খোলা;
৩. নিজস্ব তথ্য ও ভোটার কেন্দ্রের তথ্য;
৪. তথ্য পরিবর্তন, সংশোধন ও হালনাগাদ;
৫. ছবি পরিবর্তন;
৬. হারিয়ে যাওয়া বা নষ্ট হওয়া জাতীয় পরিচয়পত্র।

মেধাসত্ত্ব অধিকার সংরক্ষণে ‘ই-কপিরাইট’ সিস্টেম চালু

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রামের সার্ভিস ইনোভেশন ফান্ড-এর সহায়তায় বাংলাদেশ কপিরাইট অফিস ‘ই-কপিরাইট’ সেবা ব্যবস্থা চালু করেছে।
ফলে বাংলাদেশের যেকোনো জায়গা থেকে যেকোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান তাদের তৈরি সাহিত্যকর্ম, নাট্যকর্ম, সংগীতকর্ম, রেকর্ডকর্ম, শিল্পকর্ম, চলচ্চিত্র বিষয়ককর্ম, বেতার সম্প্রচার, টেলিভিশন সম্প্রচার, কম্পিউটার-সফটওয়্যারকর্ম ইত্যাদি নিবন্ধনের জন্যে সহজেই বাংলাদেশ কপিরাইট অফিসের ওয়েবসাইট www.copyrightoffice.gov.bd-এ গিয়ে কপিরাইটের জন্যে অনলাইনে আবেদন করতে পারবে।
প্রত্যেকটি আবেদন একটি স্বয়ংক্রিয় উপায়ে যাচাই-বাছাইয়ের পর পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে এসএমএস এর মাধ্যমে নোটিফিকেশন আসবে এবং নির্দিষ্ট তারিখে কপিরাইট সার্টিফিকেট পাওয়া যাবে। প্রয়োজনে ই-সার্টিফিকেটও পাওয়া যেতে পারে যা পরবর্তীতে অনলাইনে যেকোনো সময় যাচাই করা যাবে।
২৩ আগস্ট বুধবার, এটুআই প্রোগ্রাম ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বাংলাদেশ কপিরাইট অফিসের যৌথ আয়োজনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে আইসিটি ভিত্তিক এই সেবার উদ্বোধন করেন।

কপিরাইটের অফিস শুধুমাত্র ঢাকায় থাকায় সৃজনশীল কাজের ক্ষেত্রে কপিরাইট সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করার প্রক্রিয়া কেবল ঢাকায় সম্ভব ছিল। আবেদনের সঙ্গে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের তালিকা সম্পর্কে আবেদনকারীর কাছে তথ্য না থাকায় কাগজপত্র জমা দেয়ায় ভুল হতো এবং একাধিকবার অফিসে আসতে হতো। এতে করে আবেদনকারীর খরচ ও যাতায়াত দুটোই বৃদ্ধি পেত। আবেদনের সব কাজ হাতে-কলমে সম্পন্ন হতো বলে আবেদনকারীকে অনেক ভোগান্তির স্বীকার করতে হয়। এছাড়াও পূর্বে সনদপ্রাপ্ত কর্মের কোনো প্রকার ডিজিটাল সংরক্ষণ ব্যবস্থা ছিল না বলে বাছাই প্রক্রিয়া ভুল হবার সম্ভাবনা রয়েই যেত। কিন্তু এবার ই-সেবা ব্যবস্থা চালু করার ফলে কপিরাইট অফিস থেকে সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে একটি নতুন দ্বার উম্মোচন হল।
ই-কপিরাইট সিস্টেম চালু করার ফলে কপিরাইট এর জন্যে আবেদন বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে এবং সৃজনশীল কর্মের নৈতিক ও আর্থিক অধিকার অর্থাৎ মালিকানা সংরক্ষণ আরো সহজ হবে।
‘এই আধুনিক অনলাইন সিস্টেম তৈরি করার মাধ্যমে নাগরিকদের আরো দ্রুত সঠিক সেবা দেওয়া সম্ভব হবে।’

উল্লেখ্য, সার্ভিস ইনোভেশন ফান্ড এর মাধ্যমে নাগরিক সেবা সহজিকরণে অসংখ্য উদ্ভাবনী প্রস্তাবনা থেকে বাছাই হয়ে সেবা প্রদানে সবচেয়ে বেশি উদ্ভাবনী প্রস্তাবনাসমূহ স্বল্প আকারে স্বল্প সময়ে পাইলট প্রকল্প আকারে বাস্তবায়নের জন্যে সীমিত অনুদান পাচ্ছে। পাইলট শেষে সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থার সাহায্য নিয়ে উদ্ভাবনী সেবাটি দেশব্যাপী সম্প্রসারণ করা হয়।