Showing posts with label মোবাইল. Show all posts
Showing posts with label মোবাইল. Show all posts

বিশাল ক্যামেরা সেন্সরসহ শাওমি ১২ এবং ১২ প্রো

featured-image
ফের চমক নিয়ে এলো শাওমি। সর্বশেষ ফ্ল্যাগশিপ ফোনে আরেকটি বিশাল ক্যামেরা আনছে স্মার্টফোন নির্মাতা চীনা প্রতিষ্ঠানটি। এবার, প্রতিষ্ঠানটি ৫০ মেগাপিক্সেল মূল সেন্সর এবং এফ/১.৯ স্ট্যান্ডার্ড ওয়াইড লেন্স আনছে শাওমি ১২ প্রো ফোনে।

শাওমি ফোনে ব্যবহৃত সবচেয়ে বড় সেন্সর নয় এটি। তবে বড় অ্যাপারচারের সঙ্গে বিশাল ইমেজিং চিপের এমন সমন্ময় আগে কখনো ঘটেনি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে প্রযুক্তিবিষয়ক সাইট ভার্জ।

ফোনটিতে শাওমি ব্যবহার করেছে সনি আইএমএক্স৭০৭ চিপ। এর মাধ্যমে আদতে ডিজিটাল ক্যামেরার বড় সেন্সরই শাওমি নিয়ে এলো মোবাইল ফোনে। গিজমোচায়না বলছে, সনির আগে বাজারে আনা আইএমএক্স৭০০ চিপের খানিকটা উন্নত সংষ্করণ ৭০৭। ফলে, এটি হয়তো একেবারে নতুন সেন্সর বলে মনে হবে না। তবে এর আকার ১/১.২৮ ইঞ্চি, যে আকার অনেক ডিএসএলআর কামেরায় ব্যবহৃত হয়। হিসেব বলছে, সেন্সরের ১.২২ মাইক্রন আকারের বড় পিক্সেল কম আলোয় ছবি তোলার বেলায় ভালো ফল দেবে।

আরও দুটি ৫০ মেগাপিক্সেল রিয়ার ক্যামেরা সেন্সর রয়েছে ১২ প্রো সেটে। এর মধ্যে একটি আল্ট্রাওয়াইড এবং একটি টেলিফটো। আর শাওমি ১২ মডেলে রয়েছে কিছুটা ছোট ১/১.৫৬ ইঞ্চি পরিবারের সেন্সর, ১৩ মেগাপিক্সেল আল্ট্রাওয়াইড এবং ৫ মেগাপিক্সেল টেলিম্যাক্রো। হার্ডওয়্যার ছাড়াও, ১২ এবং ১২ প্রো ফোনে সফ্টওয়্যার উন্নতিও লক্ষণীয়। এর মধ্যে স্বল্প শাটার ল্যাগ, বার্স্ট শুটিং এবং মানুষ ও প্রাণীর মুখ ট্র্যাকিংয়ের বিষয় রয়েছে।

ক্যামেরা বাদ দিলে, ১২ প্রো এবং এর ‘ছোট সহোদর’ ১২ ফোনে রয়েছে স্ন্যাপড্রাগন ৮ জেন ১ চিপসেট এবং ১২০ হার্টজ ওএলইডি প্যানেলসহ একটি আধুনিক ফ্ল্যাগশিপের ফোনের প্রায় সব বৈশিষ্ট্য। শাওমি ১২-তে রয়েছে ৬.২৮ ইঞ্চি পর্দা এবং ৪,৫০০ এমএএইচ ব্যাটারি, ১২ প্রো-তে রয়েছে ৬.৭৩ ইঞ্চি পর্দা এবং ১২০ ওয়াট ফাস্ট চার্জিংয়ের সঙ্গে ৪,৬০০ এমএএইচ ব্যাটারি।

৩১ ডিসেম্বর চীনে বিক্রয় শুরু হবে ফোন দু’টির। ১২ প্রো ৮ জিবি র‌্যাম এবং ১২৮ জিবি স্টোরেজের দাম পড়বে প্রায় ৭৩৭ ডলার এবং একই স্বক্ষমতার ১২ ফোনের দাম পড়বে প্রায় ৫৮০ ডলার।

মোবাইলে ৩ দিনের নিচে কোনো প্যা‌কেজ থাকবে না

বিটিআরসির নির্দেশ!
মোবাইল ফোনে তিন দিনের নিচে কোনো প্যা‌কেজ, বা‌ন্ডেল এবং অফার চলবে না।

মোবাইল ফোনের সব রকম প্যাকেজ, ব্যান্ডেল বা অফারের মেয়াদ হবে ন্যূনতম তিন দিন, যা আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে প্রযোজ্য হবে এবং এক মাস পর নির্দেশনাটি পর্যালোচনা করা হবে। এ ছাড়া গ্রাহকের অজান্তে ইন্টারনেটের ‘পে পার ইউজ’ বিল ৫ টাকার বেশি করা যাবে না—এটি গতকাল রবিবার থেকে কার্যকর হয়েছে।

4G সেবা পেতে করণীয়

সিম ফোরজি কি না, তা গ্রাহককে জানাবে গ্রামীণফোন, রবি ও বাংলালিংক। তবে টেলিটক এখনো এ ধরনের কোনো সেবা চালু করেনি।

চতুর্থ প্রজন্মের (ফোরজি) টেলিযোগাযোগ সেবা চালু হয়েছে সোমবার থেকে। কিন্তু কীভাবে জানবেন আপনার সিম ফোরজি কি না? এ সমস্যার সমাধান দিয়েছে মোবাইল ফোন অপারেটরগুলো। আপনার সিমটি ফোরজি কি না, সেটি বিনা মূল্যে জানা যাবে।

মোবাইল ফোন অপারেটরগুলো কিছু নম্বর দিয়েছে, যা ডায়াল করলে এবং খুদে বার্তা পাঠাতে হবে। ফিরতি বার্তায় সংশ্লিষ্ট অপারেটরগুলো জানিয়ে দেবে যে আপনার সিমটি চতুর্থ প্রজন্মের কি না। এরই মধ্যে আবার মোবাইল অপারেটরগুলো ফোরজি সেবা পেতে আগ্রহী ব্যক্তিদের গ্রাহকসেবা কেন্দ্রে গিয়ে সিম বদলে নেওয়ার জন্য বার্তা পাঠিয়েছে।

ফোরজি টেলিযোগাযোগ সেবা পেতে হলে ব্যবহারকারীকে যা করতে হবে

ফোরজি সেবা পেতে হলে সিমকার্ড ও হ্যান্ডসেটটি 4G প্রযুক্তির উপযোগী হতে হবে। সিমটি ফোরজি কি না, সেটি বিনা মূল্যে জানার সুযোগ আছে।

* গ্রামীণফোন ব্যবহারকারীরা মোবাইল ফোন থেকে *১২১*৩২৩২# ডায়াল করলেই ফিরতি বার্তায় সিমটি ফোরজি কি না, তা জানতে পারবেন। 
* রবির গ্রাহকদের এ জন্য ডায়াল করতে হবে *১২৩*৪৪#। 
* বাংলালিংকের গ্রাহকেরা মোবাইল ফোন থেকে 4G লিখে ৫০০০ নম্বরে খুদে বার্তা পাঠালে ফিরতি বার্তায় ফোরজি সিমের বিষয়ে তথ্য পাবেন। 
* টেলিটক তাদের ব্যবহারকারীদের জন্য এখনো এ ধরনের কোনো সেবা চালু করেনি।


সিমটি যদি ফোরজি না হয়, তাহলে তা সংশ্লিষ্ট মোবাইল ফোন অপারেটরের গ্রাহকসেবা কেন্দ্র থেকে পরিবর্তন করে নিতে হবে। এ জন্য মূল্য সংযোজন করসহ (মূসক) খরচ পড়বে ১১৫ টাকা। সিম পরিবর্তন করতে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, ছবি ও আঙুলের ছাপ (বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন) দিতে হবে।

আপনার ব্যবহৃত হ্যান্ডসেটটি ফোরজি উপযোগী কি না, সেটি আপনি নিজেই জানতে পারবেন। এ জন্য প্রথমে মোবাইল ফোনের ‘সেটিংস’ অপশনে যেতে হবে। সেখানে `নেটওয়ার্ক' অথবা ‘ওয়্যারলেস অ্যান্ড নেটওয়ার্কস’-এ গেলে দেখা যাবে ফোনটি ফোরজি প্রযুক্তির কি না। মোবাইল ফোন অপারেটরের সেবাকেন্দ্র ও বিভিন্ন স্মার্টফোন ব্র্যান্ডের বিক্রয়কেন্দ্র থেকেও ফোরজি হ্যান্ডসেটের তথ্য জানা যাবে।

দেশের আইফোন গ্রাহকরা শুরু‌তে 4G পাচ্ছেন না

১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে বাংলাদেশে চতুর্থ প্রজন্মের ইন্টারনেট সেবা ফোর-জি চালু করতে যাচ্ছে মোবাইল অপারেটররা। এ নিয়ে মানুষের, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে আগ্রহ লক্ষ করা যাচ্ছে। ফোর-জির কারণে তারা কী সেবা পাবেন, সারা দেশে এই সেবা পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে এখন চলছে নানা আলোচনা।

২০১৮ সালের বহুল প্রতীক্ষিত স্মার্টফোন

২০১৭ সালে বাজারে এসেছে এমন সব স্মার্টফোন যেগুলো ডিজাইন এবং উদ্ভাবনের দিক থেকে আগের সব প্রযুক্তিকে ছাড়িয়ে গিয়েছিল। ২০১৮ সালেও এর ব্যতিক্রম হবে না বলেই ধারণা করা হচ্ছে।
এবারও নতুন নতুন সব ফিচার নিয়ে আসছেন স্মার্টফোন নির্মাতারা। আসুন জেনে নেওয়া যাক শীর্ষ মানের এমন ১৩টি স্মার্টফোনের কথা যেগুলো নতুন বছরে বাজারে আসার অপেক্ষায় রয়েছে।
১. ভিভো এক্স ২০প্লাস ইউডি
চীনা স্মার্টফোন কম্পানি সম্প্রতি ইন-ডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট প্রযুক্তি নিয়ে এসেছিল। এবার ওই প্রযুক্তি সহ প্রথম স্মার্টফোন ভিভো এক্স ২০প্লাস ইউডিও বাজার আসছে শিগগিরই। এতে থাকবে সিনাপটিকস ক্লিয়ার আইডি ৯৫০০ ইন-স্ক্রিন ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর। ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সরটি স্থাপিত হবে মেইনবোর্ড এবং ওএলইডি ডিসপ্লের মধ্যে। অ্যান্ড্রয়েড ৭.১ নুগেট অপারেটিং সিস্টেম যুক্ত ফোনটির ডিসপ্লে হবে ৬.৪৩ ইঞ্চি ফুল এইইচডি প্লাস। কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৬৬০ প্রসেসর। সাথে ৪জিবি র্যাম এবং ১২৮জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ।
২. অ্যাপল আইফোন ২০১৮
এ বছরের সেপ্টেম্বরে নতুন আইফোন বাজারে আনবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কম্পানি অ্যাপল। এই আইফোন ২০১৮-তে থাকবে ৬.১ ইঞ্চি ডিসপ্লে এবং ৪জিবি র্যাম। আর আইফোন এক্স এর মতোই থাকবে ওএলইডি ডিসপ্লে।
৩. স্যামসাং গ্যালাক্সি নোট ৯, গ্যালাক্সি এক্স
গ্যালাক্সি নোট ৮ এর পরই নতুন ফোন নিয়ে কাজ শুরু করে স্যামসাং। এ বিষয়ে তেমন কোনো তথ্য এখনো ফাঁস হয়নি। তবে নোট ৯-এ এস পেন এর কাজ চেইনবদ্ধ করার জন্য স্যামসাং কাজ করছে বলে গুজব রটেছে।
এছাড়াও দক্ষিণকোরীয় এই টেক জায়ান্ট এর ফোল্ডেবল স্মার্টফোন গ্যালাক্সি এক্স নিয়েও কাজ করছে বলে জানা গেছে। এতে থাকবে ৭.৩ ইঞ্চির একটি ফোল্ডেবল ডিসপ্লে।

৪. ওয়ান প্লাস ৬
চীনা স্মার্টফোন কম্পানি ওয়ান প্লাস এর পরবর্তী প্রজন্মের ফ্ল্যাগশীপ স্মার্টফোন বাজারে আনবে চলতি বছরেই। এর নাম হবে ওয়ান প্লাস ৬। এই বছরের দ্বিতীয়ার্ধে ফোনটি বাজারে ছাড়া হবে। এতে কোয়ালকমের সেরা প্রসেসর স্ন্যাপড্রাগন ৮৪৫ যুক্ত করা হবে।
৫. স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৯ এবং এস৯ প্লাস
আগামী মাসেই মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস ২০১৮-তে ফোন দুটি বাজারে আনতে চলেছে স্যামসাং। ফোনটিতে থাকবে স্ন্যাপড্রাগন ৮৪৫ প্রসেসর। আর এস সিরিজের আগের ফোনের মতোই এতে শুধু একটি রিয়ার ক্যামেরা থাকবে।
এস ৯ এর ডিসপ্লে হবে ৫.৭ ইঞ্চি আর এস ৯ প্লাস এ থাকবে ৬.২ ইঞ্চি ডিসপ্লে। এছাড়া এতে থাকবে বিক্সবি ভার্চুয়াল অ্যাসিসট্যান্ট এবং রিয়ার মাউন্টেড ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর।
৬. শাওমি এমআই মিক্স ৩
চীনা কম্পানি শাওমি এবছর তাদের সবচেয়ে দামী ফোন এমআই মিক্স ২ এর পরের ফোনটি আনবে। এমআই মিক্স ৩-এ বড় দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি এবং বেজেলহীন প্রযুক্তি যুক্ত করা হবে বলে জানা গেছে। এছাড়া এতে থাকবে কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৮৪৫ প্রসেসর এবং ৬জিবি র্যাম ও ১২৮জিবি স্টোরেজ।

৭. মটো জি ৬
গত বছর মটো জি সিরিজের ৫ নাম্বার ফোনটি বাজারে এনেছিল মটোরোলা। এবার আনছে মটো জি ৬। ফোনটির দামও কম হবে। আর নতুন অ্যান্ড্রয়েড ৮.০ ওরিও অপারেটিং সিস্টেম যুক্ত করা হবে। এতে ডুয়াল রিয়ার ক্যামোর সেটআপও রাখা হবে বলে জানা গেছে। আগামী মার্চে ফোনটি ভারতের বাজারে ছাড়া হতে পারে।
৮. সনি এক্সপেরিয়া এক্সজেড প্রো
কম্পানিটির শীর্ষমানের ফোনগুলির একটি এই ফোন চলতি বছরে বাজারে ছাড়া হবে। সনির এই স্মার্টফোনটিতেই প্রথম ৩.৫ মিলিমিটারের অডিও জ্যাক যুক্ত করা হবে। এছাড়া ফোনটিতে থাকবে একটি ইউএসবি টাইপ সি পোর্ট যা চার্জিং এবং গান শোনার জন্য ব্যবহার করা যাবে।
এছাড়া ফোনটিতে ১৮:৯ রেশিও এবং ৪কে রেজ্যুলিউশন এর বেজেলহীন বা ফুলস্ক্রিন ডিসপ্লে থাকবে। আরও থাকবে ডুয়াল রিয়ার ক্যামেরা সেটআপ।
৯. নোকিয়া ৯
ফোনটিতে থাকবে কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৮৩৫ প্রসেসর। ১৮:৯ রেশিওর ৫.৩০ ইঞ্চির ফুলস্ক্রিন ডিসপ্লে। আর অ্যান্ড্রয়েড ৮.০ ওরিও অপারেটিং সিস্টেম।

১০. এলজি জি৭
প্রতিবছরই এলজি মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেসে এর একটি ফ্ল্যাগশীপ ফোন লঞ্চ করে। এপ্রিলে এলজি জি৭ ভারতের বাজারে ছাড়া হতে পারে। এলজি জি ৬ এর মতোই এই ফোনটিতেও ফুল ভিশন ডিসপ্লে থাকবে। আর অ্যান্ড্রয়েড ৮.০ ওরিও অপারেটিং সিস্টেম থাকবে।
১১. শাওমি এমআই ৭
স্পেনে অনুষ্ঠেয় মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস ২০১৮-তে ফোনটি উম্মোচন করা হতে পারে। এতে থাকবে কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৮৪৫ প্রসেসর। ১৮:৯ রেশিওর ফুলস্ক্রিন ডিসপ্লে এবং ফেসিয়াল রিকগনিশন। ১৬ মেগাপিক্সেলের ডুয়াল রিয়ার ক্যামেরা যার একটির অ্যাপারচার হবে এফ/১.৭।

১২. হুয়াওয়েই পি২০
আগামী মাসে অনুষ্ঠেয় মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস (MWC) ২০১৮-তে এই ফোনটি লঞ্চ করবে চীনা কম্পানি হুয়াওয়েই। এই স্মার্টফোনে থাকবে ট্রিপল ক্যামেরা। রিয়ার প্যানেলে স্থাপিত ওই ট্রিপল ক্যামেরাতে থাকবে ৪০ মেগাপিক্সেল সেন্সর, সাথে ৫x হাইব্রিড জুম। কম্পানির নিজস্ব প্রসেসর কিরিন ৯৭০ চিপসেটে চালিত হবে ফোনটি। আর ফেসিয়াল রিকগনিশন ফিচারও থাকতে পারে।
১৩. আসুস জেনফোন ৫
গত বছরের দ্বিতীয়ার্ধে জেনফোন ৪ বাজারে আনে আসুস। আর এবছর আনবে জেনফোন ৫। এর বেশি কিছু জানা যায়নি ফোনটি সম্পর্কে।

মোবাইল পানিতে পড়লে করণীয়

পানি ঢুকলেই সব সময় স্মার্টফোন নষ্ট হয় না। এ জন্য পানিতে স্মার্টফোন পড়ে গেলে বা পানি ঢুকলে প্রথমেই স্মার্টফোনটির ব্যাটারি খোলার পাশাপাশি সিম কার্ডটিও খুলতে হবে।


এবার ভালোভাবে পানি শুষে নিতে সক্ষম কাপড় দিয়ে সব যন্ত্রাংশ মুছতে হবে, সম্ভব হলে কেসিং খুলে পানি মোছার চেষ্টা করুন।

এরপর রো‌দে ভা‌লোভা‌বে শু‌কি‌য়ে নিন। পুরোপুরি পানি শুকানোর পর ব্যাটারি সংযোগ দিয়ে স্মার্টফোন চালু করতে হবে।

অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন আপডেট করবেন যেভা‌বে

স্মার্টফোন দীর্ঘদিন ব্যবহারে স্লো হয়ে যায়। এছাড়া আরো নানা সমস্যা হয়।
এসব সমস্যা এড়িয়ে চলতে অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন আপডেট করা উচিত। চলুন জেনে নেওয়া যাক কিভাবে অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন আপডেট করা যায়।

অ্যান্ড্রয়েড ফোনের গতি বৃ‌দ্ধির উপায়

বর্তমানে অ্যান্ড্রয়েড হচ্ছে মোবাইলের সবচেয়ে জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম। দিন দিন আন্ড্রয়েড ফোনের জনপ্রিয়তা বেড়েই চলছে। আমরা কখনো চাইনা আমাদের প্রিয় স্মার্টফোন স্লো কাজ করুক। কিন্তু, অনেকেই এই সমস্যায় ভুগছেন। এসব সমস্যার বেশ কিছু কারণ রয়েছে। এসব কারন এড়িয়ে চললে এ সমস্যা থেকে সমধান পাওয়া সম্ভব। চলুন জেনে নেওয়া যাক ফোনের গতি বাড়ানোর কিছু উপায়-

অপ্রয়োজনীয় অ্যাপস মুছে ফেলুন:
অনেকের মোবাইল প্রচুর পরিমানে আন্ড্রয়েড অ্যাপস ইন্সটল করতে দেখা যায়। অনেকেই আছেন এসব অ্যাপস অযথা ইন্সটল করে রেখেছেন। অর্থাৎ, অ্যাপস ব্যবহার না করলেও অ্যাপস ইন্সটল করে রাখেন। যদি আপনার আন্ড্রয়েড ফোন এ অপ্রয়োজনীয় অ্যাপস থাকে তাহলে সেগুলো মুছে ফেলুন। যদি কখনো প্রয়োজন হয় পরে না হয় এসব অ্যাপস আবার ইন্সটল করে নিবেন।
কেননা, অতিরিক্ত অ্যাপস আপনার আন্ড্রয়েড ফোনের গতি কমিয়ে দিবে।
ডিভাইসের স্টোরেজ পরিষ্কার করুন:
অনেকের অ্যান্ড্রয়েড ফোনের স্টোরেজ অপ্রয়োজনীয় ফাইল দিয়ে পূর্ণ করা থাকে, যা অ্যান্ড্রয়েড ফোনের গতি কমাতে সাহায্য করে। এক্ষেত্রে, আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনের স্টোরেজ থেকে অপ্রয়োজনীয় ফাইল ডিলেট করে দিন। এতে, একদিকে যেমন আপনার অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনের গতি বাড়বে, অন্যদিকে আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনের স্টোরেজ খালি হবে ।
ভাল মেমোরি কার্ড ব্যবহার করা:
মোবাইল ফোনের স্টোরেজ বাড়ানোর জন্য মেমোরি কার্ড ব্যবহার করি । তবে, মেমোরি কার্ড ব্যবহার করা সময় মেমোরি কার্ডটি মানসম্মত কি না তা যাচাই করে দেখি না । নিম্নমানের মেমোরি ব্যবহার করার ফলে একদিকে যেমন অ্যান্ড্রয়েড ফোনের গতি কমে যায় অপরদিকে মেমোরি কার্ড ডেটা ট্র্যান্সফারের গতি কম থাকে । এক্ষেত্রে, আপনার প্রয়োজনীয় ফাইল কম্পিউটার এ ব্যাকআপ রেখে মেমোরি কার্ড ফরম্যাট করে আবার ব্যবহার করে দেখতে পারেন । অ্যান্ড্রয়েড ফোনের গতি ভাল রাখতে, আপনার উচিত হবে মান সম্মত মেমোরি কার্ড ব্যবহার করা ।
অপ্রয়োজনীয় ওইজেট মুছে ফেলুন:
অ্যান্ড্রয়েড প্রচুর ওইজেট রয়েছে। সাধারণত এসব ওইজেট অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। এছাড়া নানা কাজে অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা এসব ওইজেট ব্যবহার করেন। অনেকের মোবাইল প্রচুর পরিমানে ওইজেট ব্যবহার করতে দেখা যায়। কিন্তু অনেকেই জানেন না যে অতিরিক্ত ওইজেট আপনার ডিভাইস এর গতি কমিয়ে দিতে পারে। তাই, আপনার আন্ড্রয়েড ফোন এ অপ্রয়োজনীয় ওইজেট থাকে তাহলে সেগুলো মুছে ফেলুন। আর যথাসম্ভব কম ওইজেট ব্যবহার করুন। এতে, আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনের গতি বেড়ে যাবে।
অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস এর ক্যাশ মুছে ফেলা:
আন্ড্রয়েড অ্যাপস ব্যবহার করার ফলে অ্যাপস এর ক্যাশ আপনার আন্ড্রয়েড ডিভাইস স্লো করে দিতে পারে। তাই, অ্যান্ড্রয়েড ফোনের গতি বাড়ানোর জন্য অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস এর ক্যাশ মুছে ফেলতে পারেন। এসব ক্যাশ মুছে ফেলার জন্য আপনি চাইলে অ্যাপস ব্যবহার করতে পারেন। এতে, আপনার ফোনের গতি কিছুটা বাড়বে ।
ফ্যাক্টরি ডাটা রিসেট:
যদি আপনার অ্যান্ড্রয়েড অবস্থা অতিরিক্ত খারাপ হয়ে থাকে, তাহলে আপনি ফ্যাক্টরি ডাটা রিসেট করে নিতে পারেন। ফ্যাক্টরি ডাটা রিসেট করার আগে অবশ্যই আপনার আন্ড্রয়েড এর সমস্ত ডাটা এর ব্যাকআপ নিয়ে রাখবেন। কেননা, ফ্যাক্টরি ডাটা রিসেট করলে ফোনের সমস্ত ডাটা মুছে যায়। এরপর, আপনার অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসটি সবকিছু নতুন ভাবে সেট-আপ করুন।
স্টার্ট-আপ অ্যাপস নিয়ন্ত্রণে রাখুন:
আমরা অ্যান্ড্রয়েড বেশ কিছু অ্যাপস দেখি যেসব অ্যাপস অটো স্টার্ট আপ ফিচার সমৃদ্ধ। অর্থাৎ, অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস চালু হওয়ার সাথে সাথে এসব অ্যাপস স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হয়ে যায়। যাদের র্যাম কম তাঁরা এ ধরনের অ্যাপস যথাসম্ভব কম ব্যবহার করার চেষ্টা করুন। কেননা, এতে আপনার অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস এর গতি কমে যেতে পারে। এছাড়া, আপনি চাইলে এসব অ্যাপস এর স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্টার্ট আপ বন্ধ করতে পারেন।
এছাড়া, আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনের অ্যাপস সমূহ সব সময় আপডেট করার চেষ্টা করুন। যখনই আপনার ব্যবহৃত অ্যাপস এর আপডেট করার জন্য নোটিফিকেশন পাবেন, তখনই অ্যাপসটি আপডেট করার চেষ্টা করবেন। এতে, আপনি দুইটি সুবিধা পাবেন। প্রথমত, আপনার ফোনের গতি বাড়বে আর অ্যাপস আপডেট করার ফলে আপনি অ্যাপস থেকে হয়ত বাড়তি সুবিধা পাবেন এবং অ্যান্ড্রয়েড ফোন এ অনেক সময় আমরা লাইভ ওয়াল পেপার ব্যবহার করি। এসব লাইভ ওয়াল পেপার ব্যবহার করার ফলে একদিকে যেমন আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনের গতি কমে যায় অপরদিকে আপনার ব্যাটারির চার্জ দ্রুত শেষ হয়ে যায়।

জি‌পি‌তে রিচার্জ করে স্মার্টফোন জেতার সু‌যোগ

গ্রামীণ‌ফোন কাস্টমারগণ রিচার্জ করার মাধ্য‌মে অ্যান্ড্র‌য়েড মোবাইল ফোন জি‌তে নি‌তে পা‌রেন!
সকাল ১০ টা থেকে রাত ১০ টার মধ্যে ৩৩ অথবা ৫৯ টাকা রিচার্জ করলে সকল গ্রামীণফোন প্রিপেইড কাস্টমারদের জন্য থাকছে স্মার্টফোন জেতার সুবর্ণ সুযোগ। অফারটি চলবে ০৫ থেকে ১৯ ডিসেম্বর, ২০১৭ পর্যন্ত।
এছাড়াও, গ্রামীণফোন-এর সকল প্রিপেইড কাস্টমারগণ ৩৩ অথবা ৫৯ টাকা রিচার্জ করে নিচের অফারগুলো উপভোগ করতে পারবেন:

টুইটার লাইট এখন বাংলাদেশে

বাংলাদেশের টুইটার ব্যবহারকারীদের জন্য সুখবর। কম ডেটা খরচ করে টুইটার ব্যবহার করার সুযোগ দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। বাংলাদেশকে লক্ষ্য করে কম ডেটা খরচের ‘লাইট’ নামের একটি সংস্করণ চালুর ঘোষণা দিয়েছে টুইটার কর্তৃপক্ষ। এত দিন ফিলিপাইনসে এটি পরীক্ষামূলকভাবে চালু ছিল।

টুইটার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ডেটা বান্ধব সংস্করণটি এশিয়া, আফ্রিকা, ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য ও লাতিন আমেরিকার ২৪টি দেশে চালু করা হয়েছে; যার মধ্যে বাংলাদেশ রয়েছে।

গুগল প্লেস্টোরে থাকা লাইট অ্যাপটিতে তিন মেগাবাইটেরও কম জায়গা লাগে। এটি টুজি ও থ্রিজি নেটওয়ার্কে দ্রুত লোড হয়। ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলেও অফলাইন সমর্থন করে।

ফেসবুকের লাইট সংস্করণের মতো টুইটার লাইটে ডেটা সাশ্রয় করার বিশেষ ব্যবস্থা আছে। এতে ব্যবহারকারীর ইচ্ছা অনুযায়ী ছবি ও ভিডিও ডাউনলোড করতে পারেন।

টুইটারের পণ্য ব্যবস্থাপক জেসার শাহ বলেন, গত এপ্রিল মাসে টুইটার লাইট তৈরি করা হয়। কম ডেটা লাগার কারণে মোবাইলে ব্যবহারকারীদের কাছে এর অভিজ্ঞতা খুব ভালো। এর ফলে টুইটার ব্যবহারকারীর হার বেড়েছে। টুইটার লাইট ব্যবহার করে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত টুইট করার হার বেড়েছে। গত সেপ্টেম্বর মাসে এটি ফিলিপাইনসে পরীক্ষামূলকভাবে অবমুক্ত করা হয়। ব্যবহারকারী ও প্লেস্টোরে মূল্যবান প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়। ইতিবাচক ফলাফল পাওয়ায় বিশ্বের কয়েকটি নতুন দেশে টুইটার লাইট চালু করা হচ্ছে।

টুইটার লাইট পাওয়া যাবে আলজেরিয়া, বাংলাদেশ, বলিভিয়া, ব্রাজিল, চিলি, কলম্বিয়া, কোস্টারিকা, ইকুয়েডর, মিশর, ইসরায়েল, কাজাখস্তান, মেক্সিকো, মালয়েশিয়া, নাইজেরিয়া, নেপাল, পানামা, পেরু, সার্বিয়া, এল সালভাদর, দক্ষিণ আফ্রিকা, থাইল্যান্ড, তিউনিসিয়া, তানজানিয়া ও ভেনেজুয়েলা।

বর্তমানে বিশ্বে টুইটার ব্যবহারকারী সংখ্যা ৩৩ কোটি। এর মধ্যে ৮০ শতাংশের বেশি ব্যবহারকারী যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে।

‘গুগল প্লে’-তে বিক্রি হবে বাংলাদেশি অ্যাপ

বাংলাদেশের অ্যাপ ডেভেলপারদের জন্য সুখবর! ‘গুগল প্লে’তে এখন থেকে বাংলাদেশের অ্যাপ ডেভেলপাররা অ্যাপ বিক্রি করতে পারবেন। মঙ্গলবার রাতে গুগলের সাপোর্ট সেন্টার ‘লোকেশনস ফর ডেভেলপার অ্যান্ড মার্চেন্ট রেজিস্ট্রেশন’ বিভাগে বাংলাদেশের নাম যুক্ত করে।
এতদিন বাংলাদেশ থেকে ‘গুগল প্লে’ ব্যবহারের সুবিধা থাকলেও বাংলাদেশি অ্যাপ ডেভেলপারদের অ্যাপ বিক্রির সুবিধা ছিল না। 

এ প্রসঙ্গে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‘বাংলাদেশের মোবাইল অ্যাপলিকেশন ডেভেলপারদের দীর্ঘদিনের দাবি আজ পূরণ হলো। গত বছরের মার্চ মাসে যুক্তরাষ্ট্রের সিলিকন ভ্যালিতে সিনিয়র কাউন্সিল (পাবলিক পলিসি) উইলসন এল হোয়াইটের নেতৃত্বে গুগল কর্তৃপক্ষের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেছিলাম। ওই বৈঠকে আমাদের অন্যতম এজেন্ডা ছিল, বাংলাদেশের ডেভেলপাররা যেন মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট করতে পারে, যা দিয়ে ইন-অ্যাপলিকেশন পেমেন্ট ও পেইড-অ্যাপলিকেশন পাবলিশ করা সম্ভব।’

সোশ্যাল মি‌ডিয়ায় যা শেয়ার করা উচিত নয়

আমরা আমাদের দৈনন্দিক জীবনের অনেক তথ্যই সামাজিক নেটওয়ার্কগুলোতে শেয়ার করি। আমাদের, আমাদের পরিবার এবং আমাদের বন্ধুদের এসব তথ্য শেয়ার করার ক্ষেত্রে সতর্ক হওয়া দরকার আমাদের। অনলাইনে কিছু বিষয় শেয়ার করা একদমই উচিৎ না।

নিচে এমন দশটি বিষয় তুলে ধরা হলো:

১. পুরো জন্মতারিখ

আপনি হয়তো চান যে আপনার জন্মদিনে আপনার ফেসবুক বন্ধুরা আপনার টাইমলাইনে জন্মদিনের শুভেচ্ছা বার্তা লিখুক। তবে এটা কিছুটা বিপজ্জনক। আপনার জন্ম তারিখটি আপনার প্রোফাইলে পোস্ট করা থাকলে যে কেউ আপনার পরিচয় চুরি করে নিতে পারে। আপনার জন্মতারিখ ব্যবহার করে ভূয়া আইডি খুলে আপনাকে হয়রানি করতে পারে। 

২. বর্তমান অবস্থান

ফেসবুক স্ট্যাটাস কিংবা টুইটার বার্তায় নিজের বর্তমান অবস্থান উল্লেখ করা ঠিক না। অনেক সময় নিজের অবস্থান অন্যকে জানিয়ে বিপদে পড়তে পারেন। এটি সম্ভাব্য চোরকে বলে যে আপনি হয়তো বাড়িতে নেই। এছাড়া দুস্কৃতিদের কারীদের নিজের অবস্থান জানিয়ে বড় ধরনের বিপদের সম্মুখিন হতে পারেন।

৩. নাম উল্লেখ করে নিজের ও বন্ধুর সন্তানের ছবি

নিজের ও বন্ধুদের সন্তানের ছবি নাম উল্লেখ করে পোস্ট করা অনেক সময় বিপদের কারণ হতে পারে। আপনার শত্রুরা আপনার শিশুর ক্ষতি সাধন করতে পারে তাই এ বিষয়ে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

৪. বাড়ির ঠিকানা

সোশ্যাল নেটওয়ার্কে নিজের বাড়ির ঠিকানা শেয়ার করবেন না। অপরাধী আপনার ঠিকানা পেয়ে গেলে তা আপনার জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে।

৫. প্রকৃত ফোন নাম্বার

বাড়ির ঠিকানার মতো আপনার প্রকৃত ফোন নাম্বারও শেয়ার করা ঠিক না। ফোন নাম্বার ট্র্যাকিং করে দুষ্কৃতিকারীরা আপনার অবস্থান জেনে ফেলতে পারবে।

৬. রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস

রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস দেয়া উচিৎ না। রহস্যময়ী হওয়ার জন্য  "It`s Complicated" দিয়ে রাখতে পারেন।

৭. জিয়োট্যাগের ছবি

জিয়োট্যাগের মাধ্যমে ছবি আপলোড করা উচিৎ না। ছবি আপলোড দেয়ার আগে দেখে নিন আপনার ফোনের লোকেশন অপশনটা চালু কিনা। চালু থাকলে বন্ধ করে নিবেন।

৮. ছুটির পরিকল্পনা

ছুটির দিনে কোথায় ‍যাবেন, কি করবেন তা সামাজিক মাধ্যমের শেয়ার করা প্রয়োজন নেই।

৯. আপনি/আপনার উর্ধ্বোতন বা পরিবারের বিষয়ে বিব্রতকর জিনিস

কোনো কিছু পোস্ট করার আগে ভেবে নিন যা পোস্ট করছেন তা আপনার পরিবার ও আপনার উর্ধ্বোতনদের কাছে বিব্রতকর হবে কিনা। বিব্রতকর হলে পোস্ট করা থেকে বিরত থাকাই শ্রেয়।

১০. আপনার বর্তমান কাজের বা কাজের সাথে সম্পর্কিত প্রকল্প সম্পর্কে তথ্য

নিজের কাজ সম্পির্কিত বিষয়গুলো সামাজিক মাধ্যমের শেয়ার করা উচিৎ না। এতে আপনার প্রতিদ্বন্দ্বি বা অন্য প্রতিষ্ঠানের লোকজন আপনার প্রতিষ্ঠানের তথ্য জেনে যাচ্ছে ।ফলে আপনার ও আপনার প্রতিষ্ঠানের ‌নিরাপত্তা ব্যবস্থা ক্ষুন্ন হ‌চ্ছে।

প্লে স্টোর থেকে ইন্সটল না করেই চলবে অ্যাপ

গুগল প্লে স্টোরে আসতে চলেছে বড়সড় রদবদল। এখন অ্যাপ কী, কীরকম সেইসব দেখতে হলে মোবাইলে ইনস্টল করার দরকার নেই। তার আগেই ঘেঁটে দেখা যেতে পারে সেই অ্যাপ। অ্যাপসের নানা রকম তথ্য জানা যাবে ইনস্টল না করেই, আসছে গুগলের নতুন ট্রাই নাও।

গত বছর গুগলের আইও ডেভেলপার কনফারেন্সে প্রথম অ্যানড্রয়েড ইনস্টান্ট অ্যাপস নতুন ফিচার জনসমক্ষে আনা হয়। নেটিভ অ্যাপ্লিকেশনসের সঙ্গে মোবাইল ওয়ার্ল্ডকে আরও কাছাকাছি এনে ফেলেছে গুগল। আর এই ঘনিষ্টতা বাড়াচ্ছে প্লে স্টোরে নতুন ট্রাই নাও অপশন। এর জেরে নির্দিষ্ট কিছু অ্যাপের কিছু অংশ গ্রাহকের অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে চলে যাবে।

ফলে ডাউনলোড বা ইনস্টলেশন প্রসেস ছাড়াই ওই অ্যাপ সম্পর্কে একটা ধারণা পেতে পারেন গ্রাহকরা। স্বাভাবিক ভাবেই মোবাইল ডেটা খরচের ঝক্কি থেকে রেহাই। তবে এখনও পর্যন্ত প্লে স্টোরে এই ট্রাই নাও ফিচার পুরোপুরি জাঁকিয়ে বসেনি। ইনস্ট্যান্ট অ্যাপ লঞ্চ করা যাবে ইউআরএল ট্যাপ করেই। অন্যান্য অ্যাপের মতো ডাউনলোড করার দরকার নেই। গুগল প্লে স্টোরে থাকছে আরও কিছু পরিবর্তন। এডিটরস চয়েস সেকশন রাখা হচ্ছে। ১৭টি দেশে যা লাইভ হবে। গেম ট্রেলার আর স্ক্রিনশটের জন্য আলাদা হোম আনা হচ্ছে। পেড আর আপকামিং গেমসের জন্য প্রিমিয়াম ও নিউ সেকশন রাখা হবে।

আপাতত ট্রাই নাও-এর আন্ডারে রয়েছে কিছু সংখ্যক অ্যাপ। কিন্তু আরও সংখ্যাটা বাড়ানো হবে। ফলে এখন মোবাইলের জায়গা আর ডেটা খরচ করার আর সমস্যা থাকবে না। আগেভাগেই গ্রাহকরা দেখে নিতে পারবেন অ্যাপটি আদৌ তার কাজে লাগবে কি না।

অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন আপডেট করবেন যেভা‌বে

স্মার্টফোন দীর্ঘদিন ব্যবহারে স্লো হয়ে যায়। এছাড়া আরো নানা সমস্যা হয়।

এসব সমস্যা এড়িয়ে চলতে অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন আপডেট করা উচিত। চলুন জেনে নেওয়া যাক কিভাবে অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন আপডেট করা যায়।

১. প্রথমেই আপনার মোবাইল ফোন মেমোরিতে সংরক্ষিত ডাটা (ছবি, গান, ভিডিও, অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য) ব্যাকআপ করে রাখুন। কারণ, আপডেট হওয়ার সময় আপনার ফোনের ডাটা ডিলিট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে।

২. তারপর Settings ওপেন করুন।

৩. নিচে স্ক্রল করে About Phone এ ক্লিক করুন।

৪. Software Updates এ ক্লিক করুন।

৫. Update/ Check for Updates এ ক্লিক করুন। এটি আপনার মোবাইল এর জন্য কোন আপডেট আছে কিনা তা চেক করবে।

আপডেট আছে কিনা তা নির্ভর করবে আপনার মোবাইল ফোনের উপর। নতুন আপডেট সব মোবাইল এর জন্য থাকে না।
যদি কোন আপডেট থাকে তাহলে তা ডাউনলোড হওয়া শুরু হবে। বড় সাইজের আপডেট এর জন্য আপনার ফোন টিকে Wi-Fi এ কানেক্ট করে রাখুন যাতে আপনার মেগাবাইট শেষ হয়ে যাওয়ার ভয় না থাকে। 

৬. আপডেট যখন ডাউনলোড হওয়া শেষ হবে, তখন সেই আপডেট টি ইন্সটল হওয়ার জন্য মোবাইল ফোন টি রিস্টার্ট হবে এবং সম্পূর্ণ আপডেট প্রক্রিয়াটি শেষ হতে বেশ কিছুক্ষন সময় লাগতে পারে। আপডেট চলাকালিন সময়ে মোবাইল ফোনটি চার্জার এ কানেক্ট করে রাখবেন যাতে মোবাইল এর চার্জ শেষ হয়ে না যায়। 

স্মার্ট‌ফোন‌কে হ্যাকারদের হাত থেকে বাঁচাতে করণীয়

শিশু থেকে বৃদ্ধ এখন সবার হাতেই স্মার্টফোন। প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট ডিজিটাল ট্রেন্ডের দেওয়া তথ্য মতে, শুধু ২০১৬ সালে বিশ্বব্যাপী বিক্রি হয়েছে দেড়শ কোটি স্মার্টফোন। কিন্তু বেশিরভাগ স্মার্টফোন ব্যবহারকারী ফোনে থাকা তথ্যের নিরাপত্তা নিয়ে সচেতন নন। হ্যাকাররা সুযোগ বুঝে হাতিয়ে নিচ্ছে ছবি, ফোননম্বরসহ আরো অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

ভাবুন তো ফেসবুক স্ক্রল করতে করতে দেখতে পেলেন আপনার নাম, ছবি ব্যবহার করা আরেকটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট। কিন্তু আপনি সেই ছবি ফেসবুকে কখনো আপলোডই করেন নাই। আপনি নিশ্চয় দুশ্চিন্তায় পড়ে যাবেন। দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে কীভাবে এই ধরনের চুরি বা হ্যাকিং থেকে আপনি বাঁচতে পারবেন।

সফটওয়্যার আপডেট
আপনার স্মার্টফোনটি সবসময় আপডেট রাখার চেষ্টা করুন। যদি হ্যাকাররা ফোনের সফটওয়্যারে কোনো ফাঁকফোকর খুঁজে পায়, নতুন সফটওয়্যার আপডেটের মাধ্যমে সেই রাস্তা বন্ধ করে দেয় স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো। শুধু স্মার্টফোনের জন্য নয়, কম্পিউটারের ক্ষেত্রেও আপডেট রাখা খুব জরুরি।

অ্যাপ ইন্সটল
অ্যাপ ইন্সটল করার বিষয়ে সচেতন হতে হবে। হ্যাকিংয়ের বড় ঝুঁকিতে আছেন অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা। এর মূল কারণ থার্ড পার্টি অ্যাপ (তৃতীয় পক্ষ নির্মিত অ্যাপ)। এই অ্যাপগুলো ইন্সটল করার সময় কিছু বিষয়ের অনুমতি চেয়ে নেয়। দ্রুত অ্যাপটি ইন্সটল করার জন্য নেক্সট বাটন চাপার আগে ভালো ভাবে পড়ে দেখুন কিসের অনুমতি দিচ্ছেন। অনেক সময় প্লে স্টোরের বাইরে থেকে অ্যাপ ইন্সটল করেন। এটি আপনার জন্য ঝুঁকির কারণ হতে পারে। তাই প্লে স্টোর থেকে অ্যাপ ইন্সটল করাই নিরাপদ।

কঠিন পাসওয়ার্ড
ফোন চুরি বা ছিনতাই হয়ে গেলে ব্যক্তিগত তথ্য চলে যায় অনিরাপদ হাতে। এই ঝুঁকি থেকে বাঁচতে অবশ্যই কঠিন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা উত্তম। আর মোবাইল খুঁজে পাওয়ার জন্য আইওএস এবং এন্ড্রয়েডের আলাদা ট্র্যাক করার সেবা রয়েছে।

পাসওয়ার্ড সেভ না করা
আমরা অনেক সময় বারবার পাসওয়ার্ড টাইপ করার ঝামেলা এড়াতে পাসওয়ার্ড সেভ করে রাখি। আবার কেউ আপনার স্মার্টফোন বা কম্পিউটার ব্যবহার করতে চাইলে দিতে হয়। কিন্তু আপনি লগ আউট করতে ভুলে গেছেন। এমন অবস্থায় আপনার অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা হারাতে পারেন। তাই পাসওয়ার্ড সেভ না করাই বুদ্ধিমানের কাজ। আর অবশ্যই একই পাসওয়ার্ড সব অ্যাকাউন্টে ব্যবহার করবেন না।

ব্যক্তিগত তথ্য
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সব তথ্য প্রকাশ না করাই ভালো। আপনার ব্যক্তিগত তথ্য থেকেও আপনার আপনার অ্যাকাউন্ট ঝুঁকিতে পড়তে পারে। যেমন, আপনার জন্ম তারিখ যদি ফেসবুকে দেওয়া থাকে সেখান থেকে তথ্য নিয়ে আপনার অ্যাকাউন্টে ঢুকে পরা সহজ হবে হ্যাকারদের জন্য। ব্যক্তিগত তথ্যের ব্যাপারে সাবধান থাকুন।

ফ্রি ওয়াইফাই
কোথাও পাসওয়ার্ড ছাড়া ওয়াইফাই কানেকশন পেলেও সংযোগ করা থেকে বিরত থাকুন। ফ্রি ওয়াইফাইয়ে সংযোগ স্থাপনের সঙ্গে সঙ্গে আপনার ফোনের অনেক তথ্য চলে যায় ওয়াইফাই রাউটারে। সেখান থেকে আপনার ফোনের আইপি(IP) এড্রেস নিয়ে খুব সহজেই হ্যাকাররা আপনার ফোনের তথ্য চুরি করতে পারবে।

অ্যাপ লক
ব্যক্তিগত তথ্য আছে এমন অ্যাপগুলো পাসওয়ার্ডের মাধ্যমে লক করে রাখুন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অ্যাপগুলোতে অনেক ব্যক্তিগত তথ্য থাকে। যেমন, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টুইটার ইত্যাদি।