ইসবগুলের ভুসির যত গুণ

ইসবগুলের ভুসি একটি গাছের বীজ থেকে তৈরি হয়। প্রচুর ফাইবার ও অন্যান্য উপাদান থাকায় এটি পেটের নানা সমস্যা দূর করতে কার্যকর।

এ লেখায় তুলে ধরা হলো ইসবগুলের ভুসির কিছু গুণাগুণ।

পেট পরিষ্কার রাখতে
ইসবগুলের ভুসি পাকস্থলীতে পানির সংস্পর্শে আসামাত্র জেল তৈরি করে ও স্টুলের ভলিউম বৃদ্ধি করে কোষ্ঠবদ্ধতা দূর করে।

হজমের সমস্যা দূর করতে
পাকস্থলী ঠাণ্ডা বা শীতল রাখতে ও হজমের সমস্যা দূর করতে ইসবগুলের তুলনা নেই। পেটব্যথার উপশম করে ইসবগুলের ভুসির শরবত। এ ছাড়া আইবিএসের সমস্যা সমাধানে ভালো ফল দেয় ইসবগুলের ভুসি। যারা আমাশয়ে ভুগছে, তাদের জন্যও ভালো।

ওজন কমাতে
খাবার খাওয়ার ৩০ মিনিট আগে ১০ গ্রাম ইসবগুলের ভুসি পানিতে মিশিয়ে খেতে হবে। এতে অন্যান্য খাবারের অতিরিক্ত চাহিদা কমে যায়। ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে।

দুর্বলতা দূর করতে
প্রতি রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস হালকা গরম দুধের সঙ্গে মধু ও ইসবগুলের ভুসি মিশিয়ে শরবত তৈরি করে খেলে শরীরের দুর্বলতা দূর হয়। মাথা ঘোরা বা হাত-পা জ্বালাপোড়া হলে এক গ্লাস আখের গুড়ের শরবতের সঙ্গে ইসবগুলের ভুসি মিশিয়ে খেলে ভালো উপকার পাওয়া যায়।

হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়
ইসবগুলের ভুসি একটি হাইপোকোলেস্টেরলিক ফুড, যা রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমায় ও ভালো কোলেস্টেরলের পরিমাণ বাড়ায়। এ ছাড়া এটি রক্তে ট্রাই-গ্লিসারাইডের পরিমাণ কমায়। ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে।

স্মার্ট‌ফোন‌কে হ্যাকারদের হাত থেকে বাঁচাতে করণীয়

শিশু থেকে বৃদ্ধ এখন সবার হাতেই স্মার্টফোন। প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট ডিজিটাল ট্রেন্ডের দেওয়া তথ্য মতে, শুধু ২০১৬ সালে বিশ্বব্যাপী বিক্রি হয়েছে দেড়শ কোটি স্মার্টফোন। কিন্তু বেশিরভাগ স্মার্টফোন ব্যবহারকারী ফোনে থাকা তথ্যের নিরাপত্তা নিয়ে সচেতন নন। হ্যাকাররা সুযোগ বুঝে হাতিয়ে নিচ্ছে ছবি, ফোননম্বরসহ আরো অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

ভাবুন তো ফেসবুক স্ক্রল করতে করতে দেখতে পেলেন আপনার নাম, ছবি ব্যবহার করা আরেকটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট। কিন্তু আপনি সেই ছবি ফেসবুকে কখনো আপলোডই করেন নাই। আপনি নিশ্চয় দুশ্চিন্তায় পড়ে যাবেন। দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে কীভাবে এই ধরনের চুরি বা হ্যাকিং থেকে আপনি বাঁচতে পারবেন।

সফটওয়্যার আপডেট
আপনার স্মার্টফোনটি সবসময় আপডেট রাখার চেষ্টা করুন। যদি হ্যাকাররা ফোনের সফটওয়্যারে কোনো ফাঁকফোকর খুঁজে পায়, নতুন সফটওয়্যার আপডেটের মাধ্যমে সেই রাস্তা বন্ধ করে দেয় স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো। শুধু স্মার্টফোনের জন্য নয়, কম্পিউটারের ক্ষেত্রেও আপডেট রাখা খুব জরুরি।

অ্যাপ ইন্সটল
অ্যাপ ইন্সটল করার বিষয়ে সচেতন হতে হবে। হ্যাকিংয়ের বড় ঝুঁকিতে আছেন অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা। এর মূল কারণ থার্ড পার্টি অ্যাপ (তৃতীয় পক্ষ নির্মিত অ্যাপ)। এই অ্যাপগুলো ইন্সটল করার সময় কিছু বিষয়ের অনুমতি চেয়ে নেয়। দ্রুত অ্যাপটি ইন্সটল করার জন্য নেক্সট বাটন চাপার আগে ভালো ভাবে পড়ে দেখুন কিসের অনুমতি দিচ্ছেন। অনেক সময় প্লে স্টোরের বাইরে থেকে অ্যাপ ইন্সটল করেন। এটি আপনার জন্য ঝুঁকির কারণ হতে পারে। তাই প্লে স্টোর থেকে অ্যাপ ইন্সটল করাই নিরাপদ।

কঠিন পাসওয়ার্ড
ফোন চুরি বা ছিনতাই হয়ে গেলে ব্যক্তিগত তথ্য চলে যায় অনিরাপদ হাতে। এই ঝুঁকি থেকে বাঁচতে অবশ্যই কঠিন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা উত্তম। আর মোবাইল খুঁজে পাওয়ার জন্য আইওএস এবং এন্ড্রয়েডের আলাদা ট্র্যাক করার সেবা রয়েছে।

পাসওয়ার্ড সেভ না করা
আমরা অনেক সময় বারবার পাসওয়ার্ড টাইপ করার ঝামেলা এড়াতে পাসওয়ার্ড সেভ করে রাখি। আবার কেউ আপনার স্মার্টফোন বা কম্পিউটার ব্যবহার করতে চাইলে দিতে হয়। কিন্তু আপনি লগ আউট করতে ভুলে গেছেন। এমন অবস্থায় আপনার অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা হারাতে পারেন। তাই পাসওয়ার্ড সেভ না করাই বুদ্ধিমানের কাজ। আর অবশ্যই একই পাসওয়ার্ড সব অ্যাকাউন্টে ব্যবহার করবেন না।

ব্যক্তিগত তথ্য
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সব তথ্য প্রকাশ না করাই ভালো। আপনার ব্যক্তিগত তথ্য থেকেও আপনার আপনার অ্যাকাউন্ট ঝুঁকিতে পড়তে পারে। যেমন, আপনার জন্ম তারিখ যদি ফেসবুকে দেওয়া থাকে সেখান থেকে তথ্য নিয়ে আপনার অ্যাকাউন্টে ঢুকে পরা সহজ হবে হ্যাকারদের জন্য। ব্যক্তিগত তথ্যের ব্যাপারে সাবধান থাকুন।

ফ্রি ওয়াইফাই
কোথাও পাসওয়ার্ড ছাড়া ওয়াইফাই কানেকশন পেলেও সংযোগ করা থেকে বিরত থাকুন। ফ্রি ওয়াইফাইয়ে সংযোগ স্থাপনের সঙ্গে সঙ্গে আপনার ফোনের অনেক তথ্য চলে যায় ওয়াইফাই রাউটারে। সেখান থেকে আপনার ফোনের আইপি(IP) এড্রেস নিয়ে খুব সহজেই হ্যাকাররা আপনার ফোনের তথ্য চুরি করতে পারবে।

অ্যাপ লক
ব্যক্তিগত তথ্য আছে এমন অ্যাপগুলো পাসওয়ার্ডের মাধ্যমে লক করে রাখুন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অ্যাপগুলোতে অনেক ব্যক্তিগত তথ্য থাকে। যেমন, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টুইটার ইত্যাদি।

৪৭ পদে বিওআরআইতে আকর্ষণীয় প‌দে নিয়োগ

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট। প্রতিষ্ঠানটি ১৯ পদে ৪৭ জনকে নিয়োগ দেবে।

পদের নাম
জিআইএস অ্যানালিস্ট, ডাটা আ্যনালিস্ট, সাব-অ্যাসিসট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার, নার্স, অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাকাউন্ট অফিসার, স্টোর অফিসার, ট্রান্সপোর্ট সুপারভাইজার, মেডিকেল টেকনিশিয়ান, সিকিউরিটি সুপারভাইজার, কম্পিউটার অপারেটর, রিসার্চ অ্যাসিসট্যান্ট, অ্যাকাউনট্যান্ট, পিএ/সাঁটলিপিকার-কাম-কম্পিউটার অপারেটর, অডিটর,ওয়ার্ক অ্যাসিসট্যান্ট, মেশিন অপারেটর, ডাটা এন্ট্রি/কন্ট্রোল অপারেটর, অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর, স্টোর কিপার।

যোগ্যতা
জিআইএস অ্যানালিস্ট
পদটিতে একজনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভূতাত্ত্বিক বিজ্ঞান/পরিসংখ্যান/ভূগোল/নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিষয়ে অন্যূন ২য় শ্রেণির স্নাতক (সম্মান) উত্তীর্ণ হতে হবে। সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে দুই বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। চাকরির বয়সসীমা সর্বোচ্চ ৩০ বছর। নিয়োগ প্রাপ্তদের বেতন দেওয়া হবে ১৬ হাজার থেকে ৩৮ হাজার ৬৪০ টাকা।

ডাটা আ্যনালিস্ট
পদটিতে তিনজনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পরিসংখ্যান/ভূগোল/নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা/সমাজ বিজ্ঞান/গণিত বিষয়ে অন্যূন ২য় শ্রেণির স্নাতক (সম্মান) উত্তীর্ণ হতে হবে। সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে দুই বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। চাকরির বয়সসীমা সর্বোচ্চ ৩০ বছর। নিয়োগ প্রাপ্তদের বেতন দেওয়া হবে ১৬ হাজার থেকে ৩৮ হাজার ৬৪০ টাকা।

সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার
পদটিতে তিনজনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। কোনো স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান থেকে সিভিল/ইলেক্ট্রিক্যাল/মেকানিক্যাল/নেভাল/আর্কিটেকচার এন্ড মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপ্লোমা উত্তীর্ণ হতে হবে। সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে তিন বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। চাকরির বয়সসীমা সর্বোচ্চ ৩০ বছর। নিয়োগ প্রাপ্তদের বেতন দেওয়া হবে ১৬ হাজার থেকে ৩৮ হাজার ৬৪০ টাকা।

নার্স
পদটিতে এক জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। কোনো স্বীকৃত বোর্ড থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এইচএসসি বা সমমান উত্তীর্ণ হতে হবে। ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি অথবা সরকার কর্তৃক অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান হতে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তিন বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা কোর্স উত্তীর্ণ হতে হবে। চাকরির বয়সসীমা সর্বোচ্চ ৩০ বছর। নিয়োগপ্রাপ্তদের বেতন দেওয়া হবে ১৬ হাজার থেকে ৩৮ হাজার ৬৪০ টাকা।

অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাকাউন্ট অফিসার
পদটিতে একজনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অ্যাকাউন্টিং/ফাইন্যান্স বিষয়ে স্নাতক (সম্মান) উত্তীর্ণ হতে হবে। সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে দুই বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। চাকরির বয়সসীমা সর্বোচ্চ ৩০ বছর। নিয়োগপ্রাপ্তদের বেতন দেওয়া হবে ১২ হাজার ৫০০ থেকে ৩০ হাজার ২৩০ টাকা।

স্টোর অফিসার
পদটিতে এক জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক (সম্মান) বা সমমানে ডিগ্রিধারী হতে হবে। সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে দুই বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। চাকরির বয়সসীমা সর্বোচ্চ ৩০ বছর। নিয়োগ প্রাপ্তদের বেতন দেওয়া হবে ১২ হাজার ৫০০ থেকে ৩০ হাজার ২৩০ টাকা।

ট্রান্সপোর্ট সুপারভাইজার
পদটিতে এক জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। কোনো স্বীকৃত বোর্ড বা প্রতিষ্ঠান থেকে অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এ ডিপ্লোমা উত্তীর্ণ হতে হবে। সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে দুই বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। চাকরির বয়সসীমা সর্বোচ্চ ৩০ বছর। নিয়োগপ্রাপ্তদের বেতন দেওয়া হবে ১২ হাজার ৫০০ থেকে ৩০ হাজার ২৩০ টাকা।

মেডিকেল টেকনিশিয়ান
পদটিতে একজনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। কোনো স্বীকৃত বোর্ড থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এইচএসসি বা সমমান উত্তীর্ণ হতে হবে। ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি অথবা সরকার কর্তৃক অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান হতে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তিন বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা কোর্স উত্তীর্ণ হতে হবে। চাকরির বয়সসীমা সর্বোচ্চ ৩০ বছর। নিয়োগপ্রাপ্তদের বেতন দেওয়া হবে ১২ হাজার ৫০০ থেকে ৩০ হাজার ২৩০ টাকা।

সিকিউরিটি সুপারভাইজার
পদটিতে একজনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক (সম্মান) বা সমমানে ডিগ্রিধারী হতে হবে। সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে আট বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। চাকরির বয়সসীমা সর্বোচ্চ ৩০ বছর। নিয়োগ প্রাপ্তদের বেতন দেওয়া হবে ১১ হাজার থেকে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা।

কম্পিউটার অপারেটর
পদটিতে আটজনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। The Computer Personnel (Government and Local Authorities) Recruitment Rules 1985 অনুযায়ী যোগ্যতার শর্ত সাপেক্ষে। চাকরির বয়সসীমা সর্বোচ্চ ৩০ বছর। নিয়োগপ্রাপ্তদের বেতন দেওয়া হবে ১১ হাজার থেকে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা।

রিসার্চ অ্যাসিসট্যান্ট
পদটিতে আটজনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২য় শ্রেণির স্নাতকসহ এসএসসি ও এইচএসসিতে ১ম বিভাগে উত্তীর্ণ হতে হবে। সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে দুই বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। চাকরির বয়সসীমা সর্বোচ্চ ৩০ বছর। নিয়োগপ্রাপ্তদের বেতন দেওয়া হবে ১১ হাজার থেকে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা।

অ্যাকাউনট্যান্ট
পদটিতে একজনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বানিজ্যে ২য় শ্রেণির স্নাতক উত্তীর্ণ হতে হবে। চাকরির বয়সসীমা সর্বোচ্চ ৩০ বছর। নিয়োগ প্রাপ্তদের বেতন দেওয়া হবে ১১ হাজার থেকে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা।

পিএ/সাঁটলিপিকার-কাম-কম্পিউটার অপারেটর
পদটিতে দুজনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক বা সমমান উত্তীর্ণ হতে হবে। সরকারি বিধি মোতাবেক বাংলা ও ইংরেজিতে প্রচলিত শব্দের গতিসহ কম্পিউটার চালনায় বাস্তব অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। চাকরির বয়সসীমা সর্বোচ্চ ৩০ বছর। নিয়োগপ্রাপ্তদের বেতন দেওয়া হবে ১১ হাজার থেকে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা।

অডিটর
পদটিতে একজনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাণিজ্যে স্নাতক উত্তীর্ণ হতে হবে। চাকরির বয়সসীমা সর্বোচ্চ ৩০ বছর। নিয়োগপ্রাপ্তদের বেতন দেওয়া হবে ১০ হাজার ২০০ থেকে ২৪ হাজার ৬৮০ টাকা।

ওয়ার্ক অ্যাসিস্ট্যান্ট
পদটিতে দুজনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। কোনো স্বীকৃত বোর্ড থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এইচএসসি বা সমমান উত্তীর্ণ হতে হবে। সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে ট্রেড কোর্স থাকতে হবে। চাকরির বয়সসীমা সর্বোচ্চ ৩০ বছর। নিয়োগ প্রাপ্তদের বেতন দেওয়া হবে ৯ হাজার ৩০০ থেকে ২২ হাজার ৪৯০ টাকা।

মেশিন অপারেটর
পদটিতে তিন জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। কোনো স্বীকৃত বোর্ড থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এইচএসসি বা সমমান উত্তীর্ণ হতে হবে। সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে ট্রেড কোর্স থাকতে হবে। চাকরির বয়সসীমা সর্বোচ্চ ৩০ বছর। নিয়োগপ্রাপ্তদের বেতন দেওয়া হবে ৯ হাজার ৩০০ থেকে ২২ হাজার ৪৯০ টাকা।

ডাটা এন্ট্রি/কন্ট্রোল অপারেটর
পদটিতে তিনজনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। The Computer Personnel (Government and Local Authorities) Recruitment Rules 1985 অনুযায়ী যোগ্যতার শর্ত সাপেক্ষে। চাকরির বয়সসীমা সর্বোচ্চ ৩০ বছর। নিয়োগপ্রাপ্তদের বেতন দেওয়া হবে ৯ হাজার ৩০০ থেকে ২২ হাজার ৪৯০ টাকা।

অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর
পদটিতে পাঁচজনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। কোনো স্বীকৃত হতে এইচএসসি বা সমমান উত্তীর্ণ হতে হবে। সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে ছয় মাস মেয়াদি কম্পিউটার কোর্স সম্পন্ন হতে হবে। চাকরির বয়সসীমা সর্বোচ্চ ৩০ বছর। নিয়োগপ্রাপ্তদের বেতন দেওয়া হবে ৯ হাজার ৩০০ থেকে ২২ হাজার ৪৯০ টাকা।

স্টোর কিপার
পদটিতে একজনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। কোনো স্বীকৃত হতে এইচএসসি বা সমমান উত্তীর্ণ হতে হবে। চাকরির বয়সসীমা সর্বোচ্চ ৩০ বছর। নিয়োগপ্রাপ্তদের বেতন দেওয়া হবে ৯ হাজার ৩০০ থেকে ২২ হাজার ৪৯০ টাকা।

আবেদন প্রক্রিয়া
আবেদন ফরমের নমুনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট www.most.gov.bd - থেকে ডাউনলোড করতে হবে। আবেদনপত্র ‘মহাপরিচালক, বাংলাদেশ ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট, কক্ষ নং- ৩১১, প্রকৌশল ভবন, বিসিআইআর ক্যাম্পাস, ড. কুদরত-ই-খুদা সড়ক, ধানমণ্ডি, ঢাকা-১২০৫’ এই ঠিকানায় অফিস চলাকালীন পাঠাতে হবে।

আবেদনের সময়সীমা
আবেদন করা যাবে আগামী ২০ নভেম্বর, ২০১৭ পর্যন্ত।

বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন : www.most.gov.bd

খেজুর খাওয়ার আশ্চর্যজনক ফলাফল

খেজুর খেতে ভালোবাসেন না এমন হয়তো হাতে গোনা৷ পুজোর প্রসাদের বাইরে, অথবা ব্রেকফাস্টের বাইরেও কিন্তু উঠতে বসতে দিব্যি পেটে চালান করে দেওয়া যায় খেজুর৷ আর এই খেজুর শরীরে জন্যও খুব উপকারী৷ যারা উপকারিতা না জেনে ভালোবেসে খাচ্ছেন এটি, তাদের জন্যই রইল নিচের লেখাগুলি৷ দেখে নিন একনজরে…

১) একটু শক্ত খেজুর জলে ভিজিয়ে সারা রাত রেখে, সেই জল খালি পেটে খেলে নাকি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। পাশাপাশি খাবারে রুচিও ফিরিয়ে আনে৷
২) ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ এই খেজুর আমাদের দৃষ্টিশক্তির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এনার্জি সরবরাহের ক্ষেত্রে খেজুর অতুলনীয়৷
আরও পড়ুন: জন্মের পরে শিশুরা কেন কেঁদে ওঠে জানেন?
৩) খেজুর কোলেস্টেরলকে ঠিক রাখে, পাশাপাশি ওজন বৃদ্ধিকেও নিয়ন্ত্রণ করে বলে মনে করা হয়৷
৪) বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়াতেও কিন্তু খেজুর গুরুত্বপূর্ণ৷
৫) অনেকক্ষেত্রে আবার খেজুর চূর্ণ দাঁতের মাজন হিসেবে ব্যবহার করা হয়৷ এছাড়া খেজুরে থাকা আয়রন রক্তাল্পতার ক্ষেত্রে এবং ক্ষয়রোধ করতে সাহায্য করে৷

ইমারজেন্সি কনট্রাসেপটিভ পিলস: গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

অসংরক্ষিত যৌনমিলনের পর ইমারজেন্সি কন্ট্রাসেপটিভ পিলস বা আপদকালীন গর্ভনিরোধক ওষুধের ব্যবহার আকছারই হয় চারপাশে৷ তবুও অনেকের মধ্যেই থেকে যায় নানারকম সন্দেহ৷ ওঠে কিছু প্রশ্নও, যার সমাধান দিতে পারেন একমাত্র চিকিৎসকই৷ তবে এক্ষেত্রে নিজেদেরও কিছুটা জেনে রাখা প্রয়োজন৷

মিথ ১- ইসিপি-ই একটি গ্রুপেরই রয়েছে এবং তা একমাত্র বিকল্প৷ যে কোনও ভাবে এটা খেতেই হবে৷
বাস্তব- বাজারে অনেক রকমের ইসিপি থাকে৷ তবে কোনটায় সাইড এফেক্ট কম হবে তা বলতে পারবেন চিকিৎসকই৷ তাই নিয়মিত মেলামেশার অভ্যেস থাকলে, একবার ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করার পরই ব্যাগে ইসিপি রাখুন৷ বমি পাওয়া, অ্যাবডোমিনাল ক্র্যাম্পের মতো সমস্যাগুলো যদি ইসিপি নেওয়ার পর হতে থাকে, তাহলেও ডাক্তারের পরামর্শেই ওষুধ খেতে হবে৷

মিথ২- ইসিপি গর্ভপাত করায়৷
বাস্তব- আদৌ না, এই ধরনের গর্ভনিরোধক ওষুধ শুধুমাত্র ওভিলিউশন প্রক্রিয়াকে হতে বাধা দেয়৷ ফলে ফ্যালোপিয়ান টিউবে স্পার্ম থাকলেও কোনও এগ না পেয়ে তা নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে তিনদিনের মধ্যে৷ তাই অসংরক্ষিত যৌনমিলনের পর যত দ্রুত সম্ভব ওষুধ খেতে হবে৷ কিন্তু চার-পাঁচদিন দেরি হলে প্রেগনেন্সি একবার এসে গেলে এই ওষুধ আর কাজ করতে পারে না৷

মিথ ৩- গতকাল রাতে ঘটনাটি ঘটেছে৷ পরদিন সকালে ইসিপি নেওয়া নিরাপদ?
বাস্তব- কোনও অসুবিধা নেই৷ ৭২ ঘণ্টার মধ্যে খেলেই হল৷ তবে কার্যকারিতা সম্পর্কে নিশ্চিত করে বলা যায় না৷ পরের দিন সকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করার কোনও মানে হয় না৷

মিথ ৪- আজকে ইসিপি খেয়েছি, কালকে আবার সহবাস হতেই পারে৷
বাস্তব- আজ ইসিপি খাওয়ার দুদিন পরেই যদি অসুরক্ষিত যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন, তবে আগের ইসিপি সেখানে কোনও কাজ করবে না৷ তাতে বেড়ে যাবে প্রেগনেন্সির সম্ভাবনা৷ কারণ আগের সহবাসের পর কয়েকদিন পর্যন্ত ফ্যালোপিয়ান টিউবে এগের অপেক্ষায় কিছু স্পার্ম তখনও থেকে যায়৷ ফলে আনপ্রোটেক্টেড সেক্সে বাড়বে রিস্কও৷

মিথ ৫- বেশি খেলে ভবিষ্যতে মুশকিল৷
বাস্তব- ইসিপি খেলে ভবিষ্যতে গর্ভধারণের ক্ষমতা কমে যায়, এরকম কোনও পরীক্ষিত সত্য এখনও পাওয়া যায়নি৷

মিথ ৬- যে কেউ খেতে পারেন৷
বাস্তব- না, একেবারেই নয়৷ যারা মাইগ্রেন, জন্ডিস বা হার্টের সমস্যায় ভুগছেন, তারা এটি খাবেন না৷

অ্যাসিডিটি থেকে মুক্তির ১১টি সহজ উপায়

অ্যাসিডিটির সমস্যায় কম বেশি আমাদের সবাইকেই ভুগতে হয়। আমাদের পাকস্থলিতে অতিরিক্ত বা ভারসাম্যহীন অ্যাসিড উৎপন্ন হওয়ার ফলে পেট ব্যথা, গ্যাস, বমিবমি ভাব, মুখে দুর্গন্ধ বা অন্য সমস্যা দেখা দিতে পারে। সাধারণত বেশি ঝাল খাবার খাওয়া, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, দুঃচিন্তা, ব্যায়াম না করা বা অতিরিক্ত মদ্য পানের ফলে অ্যাসিডিটি হতে পারে।
এই অ্যাসিডিটি থেকে মুক্তির জন্য অনেকেই অনেক ওষুধ খান৷কিন্তু ওষুধ ছাড়াও ঘরোয়া পদ্ধটিতেও এর থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

অ্যাসিডিটি নিরাময়ের ১১টি অসাধারণ নিয়ম:

১. গরম জল
সাধারণত কুসুম গরম জল রাতে ঘুমানোর আগে এবং সকালে ঘুম থেকে উঠে খেলে অ্যাসিডিটির সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

২. দারুচিনি
হজমের জন্য খুবই ভাল, এটি প্রাকৃতিক অ্যান্টাসিড যা পেটের গ্যাস দূর করে। এক কাপ জলে আধা চা চামচ দারুচিনি গুঁড়া দিয়ে ফুটিয়ে নিয়ে দিনে ২/৩ বার এটা খেতে পারেন। এছাড়া চাইলে সুপ/সালাদে দিয়েও খেতে পারেন।

৩. পুদিনা পাতা
এর বায়ুনিরোধক ও প্রশান্তিদায়ক গুণ নিমিষেই বুক ও পেট জ্বালাপোড়া করা, পেট ফাঁপা ও বমি ভাব উপশম করে। তাই অ্যাসিডিটির লক্ষণ দেখা দিলেই কয়েকটি পুদিনা পাতা মুখে নিয়ে চিবিয়ে খেয়ে ফেলতে হবে বা খেতে পারেন চা বানিয়ে। এক কাপ জলে ৪/৫ টি পুদিনা পাতা দিয়ে ফুটিয়ে খেতে পারেন বা চাইলে তাতে একটু মধুও যোগ করতে পারেন।

৪. মাঠা
সারাদিনে কয়েকবার শুধু মাঠা খেলে বা সাথে সামান্য গোলমরিচ গুঁড়ো অথবা এক চা চামচ ধনেপাতার রস মিশিয়ে খেলে ভালো উপকার পাওয়া যায় অথবা আধা থেকে এক চা চামচ মেথি সামান্য জলে পেস্ট করে এক গ্লাস মাঠার সাথে মিশিয়ে খেলে অ্যাসিডিটির পেট ব্যথা দূর হয়।

৫. আপেল সাইডার ভিনেগার
এর ক্ষারধর্মী প্রভাব পাকস্থলীর অ্যাসিডিটির সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। ১-২ চা চামচ অশোধিত ভিনেগার এক কাপ জলে মিশিয়ে খাবার আগে বা দিনে এক বা দুবার খেতে পারেন।

৬. লবঙ্গ
লবঙ্গ পাকস্থলীর অ্যাসিডিটি ও গ্যাস দূর করতে পারে এর বায়ু নিরোধক ক্ষমতার জন্য। ২/৩ টি লবঙ্গ মুখে নিয়ে চুষলে বা সমপরিমান এলাচ ও লবঙ্গ গুঁড়ো খেলে অ্যাসিডিটির জ্বালা এবং মুখের দুর্গন্ধ দূর হয়।

৭. জিরে
এটি হজমক্রিয়ায় চমৎকার কাজ করে। দেড়কাপ জলে এক চা চামচ করে জিরে, ধনে ও মৌরী গুঁড়া এবং সামান্য চিনি মিশিয়ে খালি পেটে খেতে পারেন অথবা এক গ্লাস জলে সামান্য জিরার গুঁড়া মিশিয়ে বা ফুটিয়ে ছেঁকে নিয়ে প্রতিবেলা খাবার পর খেতে পারেন।

৮. আদা
আদার রস পাকস্থলীর অ্যাসিডিটির প্রশমিত করতে সাহায্য করে। অ্যাসিডিটির সময় এক টুকরো আদা মুখে নিয়ে চুষলে বা এক কাপ জলে কয়েক টুকরো আদা দিয়ে কিছুক্ষন ফুটিয়ে রেখে খেতে পারেন কিংবা শুধু এক চা চামচ করে আদার রস দিনে ২/৩ বার খেলে অ্যাসিডিটির থেকে মুক্তি পেটে পারেন।

৯. তালের গুড়
তালের গুড় খাবারকে হজমে সাহায্য করে এবং হজমক্রিয়াকে ক্ষারধর্মী করে অ্যাসিডিটি কমায়। প্রতিবেলা খাবার পর ছোট এক টুকরো গুড় মুখে নিয়ে চুষতে থাকবেন যতক্ষন না অ্যাসিডিটির জ্বালা কমে। তবে যাদের ডায়াবেটিস আছে তাদের জন্য এটা প্রযোজ্য নয়।

১০. মৌরী
পুদিনা পাতার মতো মৌরীরও রয়েছে বায়ু নিরোধক ক্ষমতা যার ফলে খাবার হজম করতে এবং পেটের গ্যাস দূর করতে এটা বেশ কার্যকরী। ভারী ও ঝাল খাবারের পর কিছু মৌরী মুখে দিয়ে চুষতে পারেন। আবার এক বা দুই চা চামচ মৌরী এক কাপ গরম পানিতে দিয়ে কিছুক্ষন রেখে ছেঁকে নিয়ে দিনে কয়েকবার খেতে পারেন।

১১. ঠাণ্ডা দুধ
পাকস্থলীর গ্যাস্ট্রিক এসিডকে নিয়ন্ত্রণ করে অ্যাসিডিটি থেকে মুক্তি দেয় দুধ। দুধে থাকা ক্যালসিয়াম পাকস্থলীতে অ্যাসিড তৈরিতে বাধা দেয়। শুধুমাত্র এক গ্লাস ঠাণ্ডা দুধ পান করেই অ্যাসিডিটির সমস্যা প্রতিরোধ বা উপশম করা সম্ভব।

সাবধানতা
যখনই আপনি অ্যাসিডিটির সমস্যায় পরবেন তখন এই পদ্ধতিগুলোর সাহায্য নিয়ে দেখতে পারেন কিন্তু যদি দেখেন ২/৩ দিন পরও আপনার সমস্যা থেকেই যাচ্ছে তাহলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

চুলে রঙ করলে বাড়তে পারে স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি

নিজেকে আরও বেশি সুন্দর করে তুলতে আমরা কত কী-ই না ব্যবহার করে থাকি। ত্বক এবং চুলে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের প্রসাধনী ব্যবহার করি। কিন্তু এই সমস্ত প্রসাধনীতে যে সমস্ত উপাদান থাকে, তা যে আমাদের শরীরের জন্য কতটা ক্ষতিকর হতে পারে, তার প্রায় কোনও ধারণাই আমাদের নেই। সম্প্রতি লন্ডনের সার্জেন কেফা মোকবেল জানিয়েছেন যে, বারবার চুলে রঙ করলে বাড়তে পারে স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি।

কেফা মোকবেল, লন্ডনের মেরিলিবোনের প্রিন্সেস গ্রেস হাসপাতালে কাজ করেন, তিনি জানাচ্ছেন যে, মহিলারা যাঁরা চুলে রঙ করেন, তাঁদের মধ্যে স্তন ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি ১৪ শতাংশ বেড়ে যায়। তাই তাঁরা পরামর্শ দিচ্ছেন যে, সারা বছরে কোনওমতেই ২ থেকে ৫ বারের বেশি যেন চুলে রঙ না করা হয়। পাশাপাশি তাঁরা এমনও পরামর্শ দিচ্ছেন যে, চুলে রঙ করার জন্য প্রাকৃতিক উপাদান, যেমন, হেনা, বীট কিংবা গোলাপ ফুল ব্যবহার করতে পারেন। তবে, যে সমস্ত মহিলারা কখনওই চুলে রঙ করেন না, তাঁদের যে কখনও স্তন ক্যানসার হবে না, এমন কথাও অবশ্য বলছেন না তাঁরা।