২০১৯ সালে চমক লাগা‌নো সম্ভাব্য ৬ ফোন

 
২০১৮ সালকে অভিনব ফিচার আর উদ্ভাবনী স্মার্টফোনের বছর বলা যায়। তবে ২০১৯ সালে স্মার্টফোনের ক্ষেত্রে আরও বেশি অভিনব ফিচার ও উদ্ভাবনী প্রযুক্তি চোখে পড়বে। স্মার্টফোনে যুক্ত হবে অধিক শক্তিশালী প্রসেসর, উন্নত ক্যামেরা প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমান সফটওয়্যার। স্মার্টফোনের বাজারে অ্যাপল, স্যামসাং ও গুগল নতুন চমক দেওয়ার জন্য তৈরি। নতুন বছরে চমক হয়ে আসতে পারে—এমন ৬টি ফোন সম্পর্কে জেনে নিন:

২০১৮ সালের সেরা ফোন

প্রতি বছর নানা রকম উদ্ভাবনী ফিচার নিয়ে নতুন স্মার্টফোন বাজারে আসে। এর মধ্যে কয়েকটি অনেক বেশি জনপ্রিয়তা পায়। ২০১৮ সালের স্মার্টফোনের বাজার পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে বেশ কয়েকটি ব্র্যান্ডের স্মার্টফোন জনপ্রিয় হয়েছিল। এর মধ্যে অ্যাপল, স্যামসাং ও গুগলের তিনটি ফোন বেশি জনপ্রিয় হয়েছে। প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট সিনেটের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৮ সালে আইফোন এক্সআর, গ্যালাক্সি এস ৯, ও পিক্সেল ৩ ফোনটি জনপ্রিয় হয়েছিল।

অবশ্য ফোনের জনপ্রিয়তা, বাজারে আসার পরিমাণ, এর ক্যামেরাসহ যন্ত্রাংশের মান বিবেচনা ধরলে প্রিমিয়াম ফোনের বাজারে স্যামসাং, অ্যাপল, ও হুয়াওয়ে প্রাধান্য পেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে স্যামসাং ও তিনে থাকা অ্যাপলের ফোন বিক্রি কমেছে। তবে উদ্ভাবনী বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে চীনা ব্র্যান্ড অপো ও ভিভো চমক দেখিয়েছে।

মুসলিম সভ্যতা : অবক্ষয়ের কারণ ও সংস্কারের আবশ্যকতা

সম্প্রতি ‘মুসলিম সভ্যতা-অবক্ষয়ের কারণ ও সংস্কারের আবশ্যকতা’ শীর্ষক একটি অসাধারণ বই পড়লাম। বইয়ের লেখক স্বনামধন্য অর্থনীতিবিদ ইসলামী গবেষক, ইসলামিক স্টাডিজে কিং ফয়সাল পুরস্কার পাওয়া লেখক ড. এম উমর চাপড়া। বইটি বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইসলামিক থট (বিআইআইটি) থেকে প্রকাশিত হয়েছে। তাদের ঠিকানা বাড়ি# ৪, রোড# ২, সেক্টর# ৯, উত্তরা, ঢাকা।
 
ড. উমর চাপড়া এ বইটি যুক্তরাজ্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইসলামিক ফাউন্ডেশন, লেস্টার-এর অনুরোধে লিখেছেন। এই বইয়ের প্রথম অধ্যায়ে তিনি বিশ্ববিখ্যাত ইসলামী ইতিহাস ও সমাজবিদ ইবনে খলদুনের বই ‘কিতাবুল ইবারের’ ভূমিকা বা ‘মুকাদ্দিমাহ’ থেকে জাতির উন্নয়ন ও অবক্ষয় তত্ত্ব তুলে ধরেছেন। ইবনে খলদুন বলেছেন যে, উন্নয়ন ও অবক্ষয়ে ন্যায়বিচার ও সম্পদের ভূমিকা রয়েছে। মুকাদ্দিমাহতে ইবনে খলদুন যেসব মূলনীতি বলেছেন তা হচ্ছে যে-

৪০ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা এপ্রিলে

৪০ তম বিসিএস পরীক্ষায় আবেদন করেছেন ৪ লাখ ১২ হাজার ৫৩২ জন প্রার্থী। পাবলিক সার্ভিস কমিশন (পিএসসি) এর ইতিহাসে এটা একটা রেকর্ড। কোন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পিএসসির অধীনে এত বিপুল আবেদন আগে কখনো পড়েনি।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ফেব্রুয়া‌রি‌তে

প্রাইমা‌রি স্কু‌লের ‘সহকারী শিক্ষক’ নিয়োগ পরীক্ষা (এমসিকিউ পদ্ধতির লিখিত পরীক্ষা) পহেলা ফেব্রুয়ারি'১৯-তে অনুষ্ঠিত হতে পারে। এ ব্যাপারে প্রস্তুতি শুরু করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। পরবর্তী ২/৩ মাসের মধ্যে মৌখিক পরীক্ষার শেষ করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।