করোনা ভাইরাস নিয়ন্ত্রণ করুন হো‌মিওর মাধ্য‌মে

‘হোমিওপ্যাথির মাধ্যমে করোনা ভাইরাস নিয়ন্ত্রণ সম্ভব’

বর্তমান বিশ্বে মহামারি আকার ধারণ করা করোনা ভাইরাস হোমিওপ্যাথির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ সম্ভব বলে দাবি করেছেন টাঙ্গাইলের মির্জাপুর হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি ডা. মো. শাহাদৎ হোসেন।

তিনি দাবি করেন, পূর্বে হোমিওপ্যাথির মাধ্যমে ডেঙ্গু রোগেরও নিয়ন্ত্রণ যেভাবে সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে করোনা ভাইরাসের নিয়ন্ত্রনও সম্ভব। এজন্য হোমিওপ্যাথির আরর্সেনিকাম এল্বাম (৩০/২০০) ঔষধটি সেবনে আমরা প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাস থেকে মুক্ত থাকতে পারবো।

‘পরপর ৩ দিন সকালে খালি পেটে ৪/৫ টি বড়ি (পিল) অথবা এক/দু ফোটা ঔষধ সেবন করতে হবে। বড় এবং ছোট উভয়েই একই নিয়মে এই ঔষধ সেবন করতে পারবে।

যদি কোন এলাকায় এই রোগের প্রার্দুভাব দেখা দেয় তাহলে ঐ এলাকার একই নিয়মে ঐ ঔষধ উচ্চ মাত্রায় পুনরায় সেবন করতে হবে। যাবতীয় ঠান্ডা পরিহার করতে হবে। গরম পানি, গরম খাবার ও গরম কাপরের ব্যবহার বেশি করতে হবে।’

ডা. মো. শাহাদৎ হোসেন বলেন, করোনা ভাইরাস জীবানুটি মানুষ থেকে মানুষের ছোয়ায় সংক্রমিত হয়। তাই অপরিচিত মানুষের স্পর্স থেকে বিরত থাকা এবং সর্বদা মুখে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। এই রোগের লক্ষণ এখনও পযন্ত পৃথিবীতে আবিস্কার হয়নি, তবে মনে করা হয় সর্দি ও শ্বাসকষ্টই করোনা ভাইরাস এর প্রধান লক্ষণ।

উল্লেখ্য, ড. মো. শাহাদৎ হোসেন মির্জাপুর হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি ছাড়াও মির্জাপুর সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক ও প্রাণিবিদ্যা বিভাগের প্রধান হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

বিদ্যুৎ বিল কমা‌নোর কার্যকরী উপায় Current Bill Komanor

প্র‌তি‌নিয়তই বিদ্যু‌তের দাম তর তর ক‌রে বাড়‌ছে। এমতাবস্থায় মাঝে মধ্যে বিদ্যুৎ বিল দেখে চমকে ওঠেন অনেকেই। তখন একটা প্রশ্ন মাথায় ঘোরে, এত টাকা বিল এলো কীভাবে? কিন্তু খানিকটা সতর্কতা অবলম্বন করলে বিদ্যুৎ বিল কমানো সম্ভব। বিশেষ করে এই দশ উপায়ে-

* অনেকেই বাসায় এখনো ১০/১৫ বছরের পুরনো ইলেক্ট্রিক যন্ত্র বা তার রয়েছে। সেগুলো ব্যবহার করলে বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার হয়। তাই নতুন ও ভালোমানের পণ্য ব্যবহার করুন।

* বৈদ্যুতিক যন্ত্র কেনার সময় স্টার রেটিং দেখুন। যে যন্ত্রের রেটিং যত বেশি, বিদ্যুৎ খরচ ততটাই কম।

* সিএফএল বা এলইডি বাতি ব্যবহার করুন। এতে ফিলামেন্টের তুলনায় সার্কিট ব্যবহার হওয়ায় বিদ্যুতের খরচ কমে।

* মোবাইল ফোনে চার্জ শেষ হবার পর বিদ্যুৎ লাইনের সুইচটি অফ রাখুন। কারণ সুইচ অন থাকলে কিছুটা অতিরিক্ত বিদ্যুৎ খরচ হয়।

* ফ্রিজ ব্যবহারের ক্ষেত্রে দিনে এক ঘণ্টা বন্ধ রাখুন। এতে যন্ত্রও বিশ্রাম পাবে, বিদ্যুৎও বাঁচবে।

* ঘন ঘন এসি চালু ও বন্ধ করলে বিদ্যুৎ খরচ বেশি। একটানা চালিয়ে রাখাই ভালো, তাতে ইউনিট কম ব্যবহার হয়।

* এসির আউটলেট রোদহীন স্থানে রাখতে হবে। রোদ পড়লে এসির আউটলেট গরম হয়, এতে বিদ্যুৎ বেশি খরচ হয়।

* এসির তাপমাত্রা সাধারণত ২৪ ডিগ্রির আশেপাশে রাখা ভালো।

* ফ্রিজে কোনো খাবার রাখার আগে সেই খাবার ঠাণ্ডা করে নিন। তাতে বিদ্যুৎ খরচ কম হবে।

* আপনার ইলেক্ট্রনিক্স যন্ত্রগুলো নিয়মিত সার্ভিসিং করান। এতে বিদ্যুৎ খরচ কমবে।

ব্যাং‌কের চাক‌রির স‌ঠিক প্রস্তু‌তি

বি‌ভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে অনেকের কাছে চাকরি স্বপ্নের মতো। প্র‌তিনিয়ত রাষ্ট্রায়ত্ত বিভিন্ন ব্যাংকের চাকরির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হচ্ছে। সুবিধা হচ্ছে, ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটি গঠিত হওয়ার পর থেকে সরকারি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ একসঙ্গে হচ্ছে। ব্যাংকের চাকরিতে আছে নানা ধরনের সুবিধা, যা অন্য চাকরিতে নেই। সব মিলে এই খাতের চাকরিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন তরুণেরা। ঠিকমতো প্রস্তুতি নিলে আপনিও নিজেকে এই অবস্থানে নিয়ে যেতে পারবেন। এসব বিষয়ের নানা সুযোগ-সুবিধা আর প্রস্তুতি নিয়ে লিখেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের উপপরিচালক ও ক্যারিয়ারবিষয়ক লেখক নাজমুল হুদা।

ব্যাংকের চাকরি কেন লোভনীয়?
বিগত কয়েক মাসে বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সেমিনারে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তাঁদের ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার-ভাবনা নিয়ে কথা বলার সুযোগ হয়েছে। এগুলোয় আমি ‘মাল্টিপল ক্যারিয়ার চয়েজ: প্ল্যান অ্যান্ড প্রিপারেশন’ বিষয়ে আলোচনার চেষ্টা করেছি। শুরুতেই তাঁদের চারটি ‘ক্যারিয়ার অপশন’ দিয়ে জানতে চেয়েছিলাম তাঁদের মতামত। সরকারি চাকরি (পাবলিক সার্ভিস), ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, করপোরেট ক্যারিয়ার এবং শিক্ষকতা ও গবেষণা—এই চারটির মধ্যে বেশির ভাগ শিক্ষার্থী মোটাদাগে সরকারি চাকরির কথা বললেও তাঁদের পছন্দের শীর্ষে ব্যাংকিং ক্যারিয়ার। বাংলাদেশ ব্যাংকসহ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোয় প্রতিবছরই নিয়মিত নিয়োগ কার্যক্রম চলছে। এ ছাড়া অন্যান্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোয়ও রয়েছে কর্মসংস্থানের ব্যাপক সুযোগ। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে কাঙ্ক্ষিত ক্যারিয়ার গড়তেই উচ্চশিক্ষিতদের ঝোঁক। 

কেন ব্যাংকিং ক্যারিয়ারের দিকে ঝোঁক? এ প্রশ্নেরও উত্তর খোঁজার চেষ্টা করেছি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে। যেকোনো বিষয়ে পড়াশোনা করে ব্যাংকগুলোয় দ্রুত ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় নিয়োগের সুযোগ, উচ্চ বেতন ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধা, দীর্ঘমেয়াদি ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগসহ ব্যাংকারদের সুশৃঙ্খল পরিপাটি জীবন তাঁদের প্রবলভাবে আকৃষ্ট করে। এ জন্য গত এক দশকে আমাদের দেশের বেকারত্বের হার মোটামুটি ৪ থেকে ৫ শতাংশর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষায় চাকরি প্রার্থীর সংখ্যা বেড়ে গেছে কয়েক গুণ। শুধু ব্যাংকিং, ফিন্যান্স, ব্যবস্থাপনা, অর্থনীতি বা ব্যবসায়সংক্রান্ত বিষয়ই নয়, বিজ্ঞান, কৃষি প্রকৌশলসহ বিভিন্ন বিশেষায়িত বিষয়ে ডিগ্রিধারীরা ক্রমেই ঝুঁকে পড়ছেন ব্যাংকের দিকে। 

বলতে দ্বিধা নেই, আমিও ফার্মেসিতে উচ্চশিক্ষা নিয়ে কিছুদিন বেসরকারি চাকরিতে থাকলেও শেষমেশ সেখানে ইস্তফা দিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকে চাকরি নিয়েছি। এ রকম অনেকেই বিভিন্ন বিশেষায়িত বিষয়ে পড়াশোনা করে, বিভিন্ন ক্ষেত্রে চাকরি করে আমাদের সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকে যোগ দিয়েছে। যেমন আমাদের পরবর্তী ব্যাচের সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রথম হয়েছিলেন কৃষিপ্রযুক্তি বিষয়ে স্নাতকোত্তর একজন শিক্ষার্থী। আবার সে বছর ব্যাচের অফিসার নিয়োগ পরীক্ষায় প্রথম হয়েছিলেন একজন ফার্মেসি গ্র্যাজুয়েট। আর বিগত কয়েক বছরে নতুন নিয়োগপ্রাপ্তদের অধিকাংশই কৃষি, বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তিতে স্নাতক–স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী। শুধু নিয়োগ পরীক্ষায় না, পেশাগত জীবনেও অনেক ক্ষেত্রে তাঁরা ভালো করছেন; উচ্চপদে আসীন হচ্ছেন। পড়াশোনার বিষয় ভিন্ন হওয়ার কারণে শুরুতে একটু সমস্যা হলেও তা কাটিয়ে উঠতে সময় লাগে না। কারণ, এখান থেকে দেশ–বিদেশে পেশা-সংশ্লিষ্ট প্রশিক্ষণ ও পড়াশোনার সুযোগ রয়েছে।

যেমন বাংলাদেশ ব্যাংকে সহকারী পরিচালক পদে স্থায়ী হওয়ার পর ব্যাংকের অর্থায়নে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট (এমবিএম), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজে মাস্টার্স এবং আইবিতে এক্সিকিউটিভ এমবিএ করার সুযোগ রয়েছে। এ ছাড়া দেশের বাইরে বিভিন্ন সংস্থার বৃত্তির আওতায় থাইল্যান্ডের এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি, যুক্তরাষ্ট্রের উলিয়ামস কলেজ এবং জাপান অস্ট্রেলিয়া ও চীনের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রেষণে মাস্টার্স করার সুযোগ রয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকে যেহেতু তথাকথিত ব্যাংকিং সেবা দিতে হয় না, বরং সামগ্রিক অর্থনীতি, উন্নয়ন ও ব্যাংকিং খাতের নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে যুক্ত থাকতে হয়, ফলে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা পেশাগত উৎকর্ষ সাধনে সহায়ক ভূমিকা রাখে। 

ব্যাংকে চাকরির প্রস্তুতিকথা
ডিসেম্বরের শুরুতেই বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী পরিচালক পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। একটু খেয়াল করলেই দেখা যাবে, এতে যেকোনো বিষয়ে ন্যূনতম স্নাতকসম্পন্ন (কমপক্ষে দুটি প্রথম শ্রেণিসহ) যেকেউ আবেদন করতে পারবেন। প্রস্তুতি ভালো থাকলে নিয়োগ পরীক্ষার পার হওয়া সহজ হবে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু আবেদনের পরই প্রস্তুতি শুরু করব ভেবে বসে থাকলে আশায় গুড়ে বালি হতে পারে। বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সরকারি বেসরকারি ব্যাংকে চাকরি পেতে দরকার হয় দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তুতি, বিস্তর পড়াশোনা। জেনেশুনে গুছিয়ে নিয়মমাফিক পড়াশোনা করতে পারলে আয়ত্তে আনতে সময় খুব বেশি লাগে না। 

সময়ের দিকে না তাকিয়ে যেখানেই আছেন, সেখান থেকেই শুরু করুন। স্নাতক পর্যায়ের শেষের দিকে যেসব শিক্ষার্থী আছেন, তাঁরাও শুরু করতে পারেন প্রস্তুতি পর্ব। শুরুতে বিভিন্ন ব্যাংকের আগের প্রশ্নের ধরন দেখে ধারণাটা শক্ত করে নিলে বাকি পথ এগোনো সহজ হয়। ব্যাংকে নিয়োগপ্রক্রিয়া সাধারণত তিন ভাগে হয়। প্রথম দুটি ধাপ নকআউটভিত্তিক। শুরুতে বহুনির্বাচনী প্রশ্নোত্তর পর্ব বা এমসিকিউ, অপরটি লিখিত বা বর্ণনামূলক অংশ। সাধারণত, দুটি অংশের পরীক্ষা আলাদাভাবেই হয়। ব্যাংকভেদে পরীক্ষার সময় ও নম্বর বণ্টনে তারতম্য দেখা যায়। যথার্থ প্রস্তুতি থাকলে প্রাথমিক বাঁচাই ও লিখিত পরীক্ষার গণ্ডি পেরিয়ে আসে সাক্ষাৎকারের পালা।

সবার আগে প্রাথমিক বাছাই
চাকরিপ্রার্থীদের জন্য এটি টিকে লড়াই আর নিয়োগকর্তাদের কাছে এই বাদ দেওয়ার পদ্ধতি। এই অংশে ভালো করার জন্য সময় সচেতনতা, তাৎক্ষণিক বুদ্ধিমত্তা, সার্বক্ষণিক মনোযোগ ও মনোবল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তা ছাড়া ভুল উত্তরের জন্য নম্বর কাটা হতে পারে বলে সাবধানতাও জরুরি। বাংলা, ইংরেজি, গণিত, সাধারণ জ্ঞান এবং কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি অংশ থেকে প্রশ্ন আসে। যে বিষয়ে দখল ভালো, পরীক্ষায় সেখান থেকেই উত্তর করা শুরু করুন। বাংলা-ইংরেজি উভয় অংশ থেকেই ২০টি করে প্রশ্ন থাকে। বাংলার সাহিত্য অংশ থেকে অধিকাংশ প্রশ্ন এলেও ইংরেজিতে সমার্থক শব্দ, বিপরীত শব্দসহ ব্যাকরণ অংশের প্রাধান্য থাকে। অ্যানালজি, বাক্যে ভুল নির্ণয়, বাক্য সম্পূর্ণকরণ, বাংলায় বানান বা বাক্য শুদ্ধীকরণ, প্রবাদ প্রবচন, বাগধারা, সন্ধি, সমাস, প্রকৃতি ও প্রত্যয়, এক কথায় প্রকাশ থেকে প্রশ্ন আসতে পারে। সহজ প্রশ্নে দ্রুত উত্তর দিয়ে সময় সাশ্রয় করা বুদ্ধিমানের কাজ। আনুপাতিকভাবে গণিতে বেশি সময় লাগে। গণিত ও অ্যাপ্টিটিউড টেস্ট মিলে এ অংশ থেকে মোট ৩০টি প্রশ্ন থাকে। সাধারণ গণিতের পাশাপাশি গাণিতিক বিশ্লেষণী ক্ষমতা যাচাইয়ের জন্য অ্যাপ্টিটিউড টেস্ট অংশে গ্রাফ, ছক, টেবিল বা বর্ণনা দেওয়া থাকে, তা থেকে উত্তর দিতে হয়। আগে থেকেই ক্যালকুলেটর ছাড়া অঙ্ক সমাধানের অনুশীলন করলে পরীক্ষার সময় বাড়তি সুবিধা পাওয়া যায়। 

এ ছাড়া কম্পিউটার প্রযুক্তির জন্য বাজারের যেকোনো বই আদ্যোপান্ত ভালোভাবে পড়ার পাশাপাশি দৈনিক পত্রিকার টেক বা প্রযুক্তি পাতা নিয়মিত পড়লে তা ফলপ্রসূ হয়। সমসাময়িক নানা বিষয়ে সম্যক ধারণা থাকলে তা পরীক্ষায় কাজে আসে। সাধারণত, সাধারণ জ্ঞান অংশ থেকে বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি মিলিয়ে ১০টি প্রশ্ন থাকে। এ অংশে ভালো করতে দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তুতি নিতে হয়। ভালো মানের বই ছাড়াও নিয়মিত পত্রিকা পড়া, বেতার-টেলিভিশনের সংবাদ শোনার অভ্যাস থাকলে প্রশ্নের উত্তর দেওয়া সহজ হয়। 

লিখিত অংশে চাই ভালো প্রস্তুতি
চাকরিপ্রাপ্তি বহুলাংশে নির্ভর করে লিখিত পরীক্ষার নম্বরের ওপর। প্রাথমিক বাছাইয়ে টিকে আছেন মানে টুকিটাকি তথ্য আপনার দখলে; প্রস্তুতি ভালো। এবার ভালোভাবে উপস্থাপনার পালা। লিখিত পরীক্ষায় বাংলা ও ইংরেজিতে রচনা, সংক্ষিপ্ত অনুবাদ, প্যাসেজ থেকে প্রশ্নোত্তর, ভুল সংশোধন থাকতে পারে। এ বিষয়গুলো আগে থেকেই চর্চা করলে ভালো ফল পাওয়া যায়। অন্তত একটি ইংরেজি ও বাংলা পত্রিকা নিয়মিত পড়ার অভ্যাস করলে সহায়ক হয়। বিশেষ করে অর্থনীতি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি পাতা এবং সাম্প্রতিক কলামগুলো নিয়মিত পড়তে পারলে কাজে আসে; বিশ্লেষণী লেখার সক্ষমতা বাড়ে। এ ছাড়া দেশের বার্ষিক প্রবৃদ্ধি (জিডিপি), রপ্তানি ধারা, প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স, রিজার্ভ, কৃষি পরিস্থিতি, দারিদ্র্য হ্রাস, শ্রমবাজার, বিনিয়োগ পরিস্থিতি প্রভৃতি অগ্রগতির তথ্য টুকে রাখুন, লিখিত অংশে কাজে লাগবে। গণিত অংশে অনেকের ভয় থেকেই যায়। কিন্তু এ অংশে ভালো নম্বর পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। সাধারণত দশ নম্বরের তিনটি অঙ্ক করতে হয়। পারলে দশে দশ।

সাক্ষাৎকারে ভালো করলেই চাকরি
কারও সঙ্গে প্রথম সাক্ষাতে আপনি যেমনটি প্রত্যাশা করেন, তেমনভাবেই নিজেকে প্রস্তুত করুণ? স্বভাবতই বোর্ডের সবাই আপনার কাছ থেকে ভালো কিছু আশা করবেন। পরিশীলিত, পরিপাটি, অকপটভাবে ভাইভা বোর্ডে নিজেকে উপস্থাপন করতে হলে বিষয়ভিত্তিক ধারণাটা স্পষ্ট থাকা চাই। তাহলে আত্মবিশ্বাসটাও ফুটে উঠবে। নিজের পরিচয়, শিক্ষা, বাড়তি পারদর্শিতা, আগ্রহ—এগুলো সহজভাবে নিজের মতো করে তুলে ধরতে পারলেই অর্ধেক কাজ হয়ে গেল। এখন আপনার শিক্ষার সঙ্গে ব্যাংকিং কাজের সম্পর্ক বা এই সেক্টরে আগ্রহের কারণ ইত্যাদি প্রশ্নের ব্যাখ্যা কীভাবে দেবেন, তা আগে থেকেই ঠিক করে রাখেন। পাশাপাশি চলমান অর্থনীতি, ব্যাংকিং পরিস্থিতি, তফসিল ব্যাংকের সংখ্যা, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাজ—এসব বিষয়ে ধারণা থাকা বাঞ্ছনীয়। ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষার প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপে ভালো প্রস্তুতি আপনাকে অনেকখানি এগিয়ে নেবে চূড়ান্ত পর্বে। 

বিশ্ব‌বিদ্যালয় সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতি

আগামী শিক্ষাবর্ষ (২০২০-২০২১) থেকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতির মাধ্যমে যোগ্য শিক্ষার্থীকে বাছাই করে ভর্তি করা হবে। কেন্দ্রীয়ভাবে অনার্স ভর্তি পরীক্ষা হবে। মানবিক, ব্যবসায় ও বিজ্ঞান বিভাগ থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা উচ্চ মাধ্যমিকের পাঠ্যসূচির ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা প্রশ্নপত্রে সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে একযোগে অনুষ্ঠিত সমন্বিত পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন।

একু‌শে পদক ২০২০ পে‌লেন যারা

Ekushey Padak Award ceremony 2020  প্র‌তিবা‌রের ম‌তো এবা‌রো বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ চলতি বছর রাষ্ট্রীয় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদক একুশে পদক-২০২০ পাচ্ছেন দেশের ২০ বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ১টি প্রতিষ্ঠান।

৫ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পদকপ্রাপ্তদের এ তালিকা প্রকাশ করে।আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের হাতে একুশে পদক তুলে দেবেন।

২০২০ সা‌লে একুশে পদক পেলেন যারা

ভাষা আন্দোলন :
মরহুম আমিনুল ইসলাম বাদশা (মরণোত্তর)
শিল্পকলা (সংগীত) : বেগম ডালিয়া নওশিন, শঙ্কর রায় ও মিতা হক।
শিল্পকলা (নৃত্য) : মো. গোলাম মোস্তফা খান।
শিল্পকলা (অভিনয়) : এম এম মহসীন।
শিল্পকলা (চারুকলা) : অধ্যাপক শিল্পী ড. ফরিদা জামান।
মুক্তিযুদ্ধ (মরণোত্তর) : মরহুম হাজি আক্তার সরদার, মরহুম আব্দুল জব্বার, মরহুম ডা. আ আ ম মেসবাহুল হক (বাচ্চু ডাক্তার)।
সাংবাদিকতা : জাফর ওয়াজেদ (আলী ওয়াজেদ জাফর)।
গবেষণা : ড. জাহাঙ্গীর আলম, হাফেজ কারী আল্লামা সৈয়দ মোহাম্মদ ছাইফুর রহমান নিজামী শাহ।
শিক্ষা : অধ্যাপক ড. বিকিরণ প্রসাদ বড়ুয়া।
অর্থনীতি : অধ্যাপক ড. শামসুল আলম।
সমাজসেবা : সুফি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।
ভাষা ও সাহিত্য : ড. নুরুন নবী, মরহুম সিকদার আমিনুল হক (মরণোত্তর) ও বেগম নাজমুন নেসা পিয়ারি।
চিকিৎসা : অধ্যাপক ডা. সায়েবা আখতার।
গবেষণা (প্রতিষ্ঠান) : বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট।





একুশে পদক, Ekushey podok 2020, Ekushey Padak Award 2020, Ekushey Award ceremony, 2020 Ekushey Padak Award ceremony, Ekushey Padak 2020 list, Ekushey padak award winners 2020, 

করোনাভাইরাস নিয়ে প্র‌য়োজনীয় কিছু প্রশ্নোত্তর Coronavirus

করোনাভাইরাসে চীনসহ বিভিন্ন দেশে এখন পর্যন্ত ১৭ হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ইতিমধ্যে বিষয়টি নিয়ে বিশ্বে জরুরি অবস্থাও ঘোষণা করেছে  বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। চীনের হুবেই প্রদেশের উহানে এর উৎপত্তি ঘটলেও তা আর ওই অঞ্চলে সীমাবদ্ধ নেই। বিশ্বের বেশ কিছু দেশে ইতিমধ্যে এই ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তি পাওয়া গেছে। এই ভাইরাস নিয়ে মানুষের মনে প্রশ্নের অন্ত নেই। তেমনই কিছু প্রশ্ন ও এর উত্তর প্রকাশ করা হয়েছে বিবিসিতে। নিচে এমন কিছু প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হলো—

ব্যক্তির শরীরে করোনাভাইরাসের লক্ষণ প্রকাশ পাওয়ার সময়কাল কত?
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, কোনো ব্যক্তি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন কি না, তা বুঝতে ন্যূনতম ১০ দিন সময় লাগতে পারে। কারণ, লক্ষণ প্রকাশের আগে ভাইরাসটি ব্যক্তির গায়ে ২ থেকে ১০ দিন পর্যন্ত সুপ্তভাবে (ইনকিউবেশন) থাকতে পারে। তবে অনুমিত এ সময়টা আরও কম হতে পারে।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারেন—এমন আশঙ্কায় থাকা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ‘ইনকিউবেশন পিরিয়ড’ জানা ও বোঝা খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এটি চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য রক্ষায় সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের ভাইরাস বিস্তার নিয়ন্ত্রণে আরও কার্যকর উপায় প্রবর্তন করতে সহায়তা করে।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তি কি পরিপূর্ণ সুস্থ হতে পারেন?
অবশ্যই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তি পরিপূর্ণভাবে সুস্থ হতে পারেন। কারণ, এই ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের অনেকেই জ্বর, কাশি ও শ্বাসকষ্টের মতো সাধারণ সমস্যা অনুভব করে থাকেন। ফলে আশা করা যাচ্ছে, এই ভাইরাসে আক্রান্ত বেশির ভাগ ব্যক্তিই সুস্থ হয়ে যাবেন।

তবে বয়স্ক, ডায়াবেটিস ও ক্যানসারের মতো রোগী বা যাঁদের রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা কম, তাঁদের জন্য এই ভাইরাস বিশেষ ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, করোনাভাইরাসে চীনে তিন শতাধিক মানুষের প্রাণহানি হয়েছে। চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশনের এক বিশেষজ্ঞ বলেছেন, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তি, যাঁদের রোগের প্রকোপ কম, তাঁদের সুস্থ হতে এক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।

করোনাভাইরাস কি উহান থেকে কেনা পণ্যের মাধ্যমে অন্য দেশে যেতে পারে?
এমন কোনো প্রমাণ এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। তবে করোনা ও সার্সের মতো ভাইরাসগুলো আক্রান্ত ব্যক্তিদের হাঁচি-কাশি থেকে ছড়াতে পারে। এর ফলে আক্রান্ত ব্যক্তি যদি কোনো জিনিসের ওপর কফ ফেলেন বা হাঁচি দিয়ে থাকেন, তাহলে ওই সব বস্তু পরিবহন করা হলে একটা শঙ্কা থেকে যায়। তবে এমন প্রমাণ পাওয়া গেলে আন্তর্জাতিক পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে বড় ধরনের সতর্কতার বিষয় হয়ে যাবে এটি।

ঠান্ডাজনিত ভাইরাসগুলো মানুষের দেহের বাইরে ২৪ ঘণ্টারও কম সময় বেঁচে থাকে। তবে নরোভাইরাস (বমি ও ডায়রিয়ার মতো বিষয়) শরীরের বাইরে কয়েক মাস স্থায়ী হতে পারে।
করোনাভাইরাসের ক্ষেত্রে এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য বলছে, এই ভাইরাস ব্যক্তি থেকে ব্যক্তির মাধ্যমে ছড়ি থাকে। ফলে আক্রান্ত ব্যক্তির কাছে থাকা পরিবারের সদস্য, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সতর্ক থাকতে হবে।

চীন থেকে এ ধরনের ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পেছনে কোনো কারণ আছে কি?
অবশ্যই! এ দেশের জনসংখ্যার একটা বড় অংশ প্রাণীদের কাছাকাছি থাকে। এই করোনাভাইরাস অবশ্যই কোনো প্রাণী উৎস থেকে এসেছে। ধারণা করা হচ্ছে, করোনাভাইরাস সাপ থেকে ছড়িয়ে পড়েছে। এর আগে সার্সভাইরাসও চীন থেকে সৃষ্টি হয়েছিল, যা বাদুড় ও খাটাশ (একধরনের বনবিড়াল) থেকে ছড়িয়েছিল।

করোনা ও সার্সের মতো নতুন ভাইরাসের সংক্রমণের প্রাথমিক ঘটনাগুলো ঘটেছে ‘সাউথ চায়না সিফুড হোলসেল মার্কেট’ থেকে। ওই বাজারে মুরগি, বাদুড়, সাপসহ জীবন্ত বন্য প্রাণী বিক্রি হয়।

সার্স কীভাবে ছড়াল? এর সূত্রপাত কীভাবে?
করোনাভাইরাসের অপর একটি রূপ হলো সার্সভাইরাস (২০০৩ সালে ছড়িয়েছিল)। এই ভাইরাস বাদুড় থেকে খাটাশে সংক্রমিত হয়েছিল। পরে তা খাটাশের সংস্পর্শে যাওয়া ব্যক্তিদের দেহে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর এসব ব্যক্তির হাঁচি-কাশি যেসব বস্তুতে লেগেছিল, সেসবের সংস্পর্শে অন্যদের শরীরে ছড়িয়ে পড়ে।


করোনাভাইরাস রোধে কি টিকা দেওয়া সম্ভব?
এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসের মতো রোগগুলোর কোনো টিকা নেই। তবে টিকা আবিষ্কারে গবেষকেরা চেষ্টা করে যাচ্ছেন । কারণ এ ধরনের ভাইরাস এর আগে দেখা যায়নি। ফলে চিকিৎসকেরা এর আগপর্যন্ত এ ধরনের ভাইরাস সম্পর্কে অজ্ঞাত ছিলেন।





#করোনাভাইরাস, #Coronavirus, #Corona-virus, #করোনা-ভাইরাস,

দাঁড়া‌নোর আদব কায়দা

যেভাবে দাঁড়ানো অপছন্দ করতেন রাসুলুল্লাহ (সা.)
কাব বিন মালিক (রা.) নিজের সম্পর্কে বর্ণনা করেন, তাবুক যুদ্ধে অংশগ্রহণ না করার পর আল্লাহ যখন তাঁকে ক্ষমা করেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) ফজরের নামাজের সময় আমাদের ক্ষমা লাভের ঘোষণা দেন। তখন দলে দলে মানুষ আমাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এবং তওবার জন্য অভিনন্দন জানায়। তারা বলে, ‘আল্লাহর ক্ষমা লাভের জন্য তোমাদের অভিনন্দন।’ অতঃপর আমি মসজিদে প্রবেশ করলাম। রাসুল (সা.) সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তাঁর চতুষ্পার্শ্বে মানুষ ছিল। তালহা ইবনে উবায়দুল্লাহ (রা.) আনন্দের সঙ্গে আমার দিকে এগিয়ে এলেন। আমার সঙ্গে মুসাফা করলেন এবং অভিনন্দন জানালেন। এ ছাড়া মুহাজির বা অন্য কেউ এগিয়ে এলো না। বিষয়টি তালহা পছন্দ করল না। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৪৪১৮)

প্রাণ গ্রুপে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২০ RFL Job Circular

মার্কেন্টাইল ব্যাংক শিক্ষাবৃত্তি ২০২০ Mercantile Bank Scholarship 

Mercantile Bank Abdul Jalil Education Scholarship - 2019. Application form of Mercantile Bank Abdul Jalil Scholarship 2020 _ মার্কেন্টাইল ব্যাংক আব্দুল জলিল শিক্ষাবৃত্তি ২০১৯ - ২০২০

"মা‌র্কেন্টাইল ব্যাংক আব্দুল জ‌লিল শিক্ষাবৃ‌ত্তি ২০১৯" এর জন্য ২০১৯ সা‌লের জে.এস.‌সি/এস.এস.‌সি/এইচ.এস.‌সি এবং সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ছাত্র-ছাত্রীরা আ‌বেদন কর‌তে পার‌বে।

আ‌বেদনপত্র পাঠা‌নোর নিয়ম
মা‌র্কেন্টাইল ব্যাং‌কের যে কোন শাখা অথবা ব্যাংকের ও‌য়েবসাইট www.mblbd.com থে‌কে শিক্ষাবৃ‌ত্তির আ‌বেদনপত্র ডাউন‌লোড ক‌রে প্রিন্টআউট দি‌য়ে তা যথাযথভা‌বে পূরণ কর‌তে হ‌বে। পূরণকৃত আবেদনপত্র ও প্র‌য়োজনীয় কাগজপত্র সহ আগামী ২৯ ফেব্রুয়া‌রি ২০২০ তা‌রি‌খের ম‌ধ্যে নিকটস্থ মা‌র্কেন্টাইল ব্যাংক লি. এর যে কোন শাখায়- শাখা ব্যবস্থাপ‌কে‌র নিকট অথবা প্রধান কার্যাল‌য়ে ডাক‌যো‌গে প্রেরণ কর‌তে হ‌বে।


প্রধান কার্যাল‌য়ের ঠিকানা
মা‌র্কেন্টাইল ব্যাংক লি‌মি‌টেড,
সাস‌্টেইনবল ফাইন্যান্স ইউ‌নিট,
৬১ দিলকুশা বা/এ, ঢাকা-১০০০।

মা‌র্কেন্টাইল ব্যাংক আব্দুল জ‌লিল শিক্ষাবৃ‌ত্তি ২০২০, মা‌র্কেন্টাইল ব্যাংক শিক্ষাবৃ‌ত্তি ২০২০, মা‌র্কেন্টাইল ব্যাংক বৃ‌ত্তি, 


আবেদনের শেষ সময়

২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০


 Application form of Mercantile Bank Abdul Jalil Scholarship - 2019

http://www.mblbd.com/home/scholarship