বন্ধ্য‌ত্বের সমস্যা সমাধানে চি‌কিৎসা ও স‌চেতনতা

বন্ধ্যত্ব বর্তমান প্রজন্মের বহু দম্পতিদের কাছে এক বড় মাপের সমস্যা। এই সমস্যা সরাস‌রি প্রভাব ফেলে দাম্পত্য জীবনে। শুধু দাম্পত্য জীবনেই নয়- এর প্রভাবপড়ে শারীরিক, মানসিক এবং সামাজিক ক্ষেত্রেও। সন্তান লাভের আশায় কোনো দম্পতি কোনো প্রকার গর্ভনিরোধক উপায় অবলম্বন না করে এক বছর স্বাভাবিক দাম্পত্য জীবনযাপনের পরও যখন স্ত্রীর গর্ভসঞ্চার না হয় তখন তাকে বন্ধ্যত্ব বলা হয়। স্বাভাবিক দাম্পত্য জীবন অতিবাহিত করার এক বছরের মধ্যে সন্তান সম্ভাবনা না ঘটলে ত্রুটি স্বামী বা স্ত্রী অথবা উভয়েরই থাকতে পারে।
দেখা গেছে যে, ছয় মাস এক সাথে সহবাসের পর ৫০ শতাংশ ক্ষেত্রে এবং এক বছর পর ৯০ শতাংশ ক্ষেত্রে মহিলারা গর্ভধারণ করে থাকেন।

ডব্লিউএইচও’র পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিশ্বের সমগ্র জনসংখ্যার

আমেরিকান এমবাসিতে চাকরি

চাক‌রির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ঢাকার আমেরিকান এমবাসি। ‘হিউম্যান রিসোর্সেস অ্যাসিস্ট্যান্ট’ পদে এই নিয়োগ দেওয়া হবে।

যোগ্যতাঃ
ব্যবসা প্রশাসন, হিউম্যান রিসোর্সেস বা আইটি বিষয়ে স্নাতক পাস প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন।
সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে ন্যূনতম তিন বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় লিখিত ও মৌখিক পারদর্শী হতে হবে। এ ছাড়া কম্পিউটার চালনায় জ্ঞানসম্পন্ন প্রার্থীদের আবেদন করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

আবেদন প্রক্রিয়াঃ
আগ্রহী প্রার্থীদের আমেরিকান সব এমবাসির ওয়েবসাইট (bit.ly/2jrGZFa) থেকে ‘ইউনিভার্সাল অ্যাপ্লিকেশন ফর এমপ্লয়মেন্ট (ইউএই)’ (ফরম ডিএস-১৭৪) ফরম সংগ্রহ করতে হবে। ফরমটি পূরণ করে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ ডাকযোগে বা সরাসরি আমেরিকান এমবাসিতে পাঠাতে হবে।

আ‌বেদ‌নের শেষ সময়ঃ
আবেদন করার সুযোগ থাকছে ২৬ জানুয়ারি, ২০১৭ পর্যন্ত।

বিডিজবস ডটকমে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিঃ

পেনড্রাইভে ঢুক‌তে সমস্যা! সমাধান দেখুন

আপ‌নি কি পেনড্রাইভে ঢুকতে পারছেন না? অনেক সময় ভাইরাসের প্রভাবে পেনড্রাইভে ঢোকা যায় না। Pendrive is Write Protected বার্তা আসে, ফলে পেনড্রাইভ ফরম্যাট হয় না। চাইলে সহজেই এর সমাধান করা যাবে।
এ জন্য ইউএসবি পোর্টে পেনড্রাইভ লাগিয়ে নিয়ে CTRL+R বোতাম একসঙ্গে চেপে রান চালু করতে হবে।
এরপর regedit লিখে এন্টার চাপুন। এবার HKEY_LOCAL_MACHINE > SYSTEM > CurrentControlSet > Control > StorageDevicePolicies পর্যন্ত যান।

কোনো কোনো কম্পিউটারে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে StorageDevicePolicies নামের কি থাকে না। না থাকলে Control পর্যন্ত গিয়ে Control-এর ওপর মাউসের ডান বোতামে ক্লিক করুন। New থেকে Key নির্বাচন করুন। এখানে StorageDevicePolicies লিখে এন্টার চাপলে সেটি তৈরি হয়ে যাবে। এবার ডান দিকে রাইট ক্লিক করে New থেকে ৩২-বিট উইন্ডোজের জন্য DWORD (32-bit) value এবং ৬৪-বিটের জন্য DWORD (64-bit) value-তে ক্লিক করে এটির নাম WriteProtect লিখে দিন। WriteProtect-এ দুই ক্লিক করে Value Data Box-এ 0 (শূন্য) লিখে ওকে চাপুন।
এবার স্টার্ট মেনুতে cmd লিখুন। cmd এলে সেটির ওপর মাউসের ডান বোতামে ক্লিক করে Run as administrator চেপে খুলুন।

এবার এখানে diskpart লিখে এন্টার চাপুন।
আবার list disk লিখে এন্টার চাপুন।
তালিকায় আপনার পেনড্রাইভ দেখালে select disk K: লিখুন।
এখানে K: হচ্ছে পেনড্রাইভের ড্রাইভ লেটার, আপনার পেনড্রাইভের ড্রাইভ লেটার জেনে নিয়ে K: এর স্থানে সেটি লিখে এন্টার চাপুন।
এবার attributes disk clear readonly লিখে এন্টার চাপুন।
আবার clean লিখে এন্টার চাপুন।
পরের বার create partition primary লিখে আবার এন্টার চাপুন।
শেষে format fs=fat 32 লিখে এন্টার চাপুন।
কম্পিউটার রিস্টার্ট করে নিয়ে পেনড্রাইভ ফরম্যাট করে নিন।

ওপরের নিয়মে কাজ না হলে আপনার পেনড্রাইভের ড্রাইভ লেটার জেনে নিন। পেনড্রাইভ কম্পিউটারে লাগিয়ে শাটডাউন করুন। আবার কম্পিউটার চালুর বোতাম চেপে দ্রুত কি-বোর্ড থেকে (F8) কি চেপে ধরুন। Advanced Boot Options দেখাবে। এখানে কি-বোর্ডের ওপর-নিচ কি ব্যবহার করে Safe Mode with Command Prompt নির্বাচন করে এন্টার বোতাম চাপুন। ফাইল লোড সম্পন্ন হলে কমান্ড প্রম্পট চালু হবে। এখানে পেনড্রাইভের ড্রাইভ লেটার K: লিখে এন্টার চাপুন। পরেরবার আবারও format K: লিখে এন্টার চাপুন। পেনড্রাইভ ফরম্যাট করতে চান কি না, সেটি জানতে Y/N কি চাপতে বলবে। তাই এখানে Y লিখে আবারও এন্টার চাপলে পেনড্রাইভ ফরম্যাট হওয়া শুরু করবে।

মাউসের সহজ কিছু কাজ

ক‌ম্পিউটা‌রের অ‌বি‌চ্ছেদ্য এক‌টি ডিভাইসের নাম হ‌লো মাউস (Mouse)। এই মাউসের কাজ কি শুধু ডান আর বাম ক্লিকেই শেষ? না; আস‌লে এর বাইরেও মাউস দিয়ে অনেক মজার কাজ করা যায়। মাউ‌সের এমন কিছু কাজ নি‌চে দেওয়া হলো।

শিফট বোতাম আর মাউস ক্লিক:
সব লেখা সম্পাদনা বা ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যারেই নিবন্ধের নির্দিষ্ট অংশ নির্বাচনের সুবিধা থাকে। কোনো পাতার লেখার শুধু মাঝখানের কয়েকটি লাইন নির্বাচন করতে চাইলে সেই লেখার লাইনের শুরুতে মাউসের বাম বোতাম চেপে কি-বোর্ডের শিফট বোতাম চেপে ধরুন, যেখানে

শিশুর ডায়‌রিয়া হ‌লে করণীয় কি কি?

শিশুরা অবুঝ; তাই শিশুদের প্র‌তি প্র‌য়োজন হয় বাড়‌তি যত্ন, আর অসুখ বিসু‌খে নি‌বিড় প‌রিচর্যা ও সম‌য়োপযোগী পদ‌ক্ষেপ। বি‌ভিন্ন কার‌ণে শিশু‌দের রোগ বালাই হ‌য়ে থা‌কে। যার ম‌ধ্যে অন্যতম হ‌লো ডায়‌রিয়া।
ডায়রিয়া খুব প্রচলিত রোগ হলেও সময়মতো চিকিৎসা না নিলে এ থেকে মৃত্যুর ঝুঁকিও হতে পারে। শিশুদের ডায়রিয়া প্রতিরোধে মায়ের বুকের দুধ খুব জরুরি। বড়দের তুলনায় শিশুরা ডায়রিয়ায় বেশি আক্রান্ত হয়। অনেক সময় অভিভাবকরা বুঝতে পারে না যে কোনটি ডায়রিয়া, আর কোনটি ডিসেনট্রি !

ডায়রিয়া হলে অনেক সময় এ থেকে পানিশূন্যতা হতে পারে। পানিশূন্যতা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নি‌তে হ‌বে। শিশুদের ডায়রিয়া প্রতিরোধে মা-বাবারও করণীয় আ‌ছে। শিশুদের ডায়রিয়া হলে মা-বাবারা স্বাভাবিক খাবার খাওয়ানোতে সতর্ক হ‌তে হ‌বে।
বি‌শেষ কিছু কার‌ণে বড়দের তুলনায় শিশুদের বেশি ডায়রিয়া হয়। ডায়রিয়ার ক্ষেত্রে বড়দের তুলনায় শিশুরা বেশি ঝুঁকিপ্রবণ। তবে এর মধ্যেও কিছু শিশু বেশি ঝুঁকিপ্রবণ হয়। শিশুর ডায়রিয়া খুব মারাত্মক অবস্থায় চলে গেলে হাসপাতালে নেওয়া প্রয়োজন। 

অ্যা‌ন্টিবা‌য়ো‌টিক সেব‌নে- কিছু জরুরি নি‌র্দেশনা

অ্যা‌ন্টিবা‌য়ো‌টিক চি‌কিৎসার এক‌টি শেষ পর্যায়। অনেকেই রেজিষ্টার্ড চি‌কিৎস‌কের চিকিৎসাপত্র ছাড়া ভুলভাবে অ্যান্টিবায়োটিক খায়। এতে উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি হয়। যার ক্ষ‌তি সরাস‌রি মানব দে‌হে প্রভাব ফেল‌তে পা‌রে।

অ্যান্টিবায়োটিক সঠিকভাবে না খেলে ওই অ্যান্টিবায়োটিক আর পরবর্তী সময়ে ভালোভাবে ওই ব্যক্তির শরীরে কাজ করে না বা অ্যান্টিবায়োটিকটি নিজেও অনেক দুর্বল হয়ে পড়ে। তাছাড়া অনেক সময় ভুল করে বা হাত আন্দা‌জে আমরা অ্যান্টিবায়োটিক খেয়ে থাকি। আবার খেতে খেতে মাঝপথেই অ্যান্টিবায়োটিক ছেড়ে দিই। এতে অ্যান্টিবায়োটিক অকার্যকর হয়ে পড়ে। 

কবুতর পালন পদ্ধ‌তি

গৃহপা‌লিত পশু-পা‌খির ম‌ধ্যে কবুতর অন্যতম। বাংলা‌দে‌শে গৃহপালিত পাখির মধ্যে কবুতর খুবই জনপ্রিয়। গ্রাম-গঞ্জ এমনকি শহরের বাসা-বাড়িতেও আজকাল অনেকেই স‌খের পাশাপা‌শি বা‌নি‌জ্যিকভা‌বে কবুতর পালন করে। কম পরিশ্রম ও অল্প খরচে কবুতর পালন করে পরিবারের আমিষের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বাড়তি আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করা সম্ভব।
অনেক বাড়িতেই হাঁস-মুরগীর মতো কবুতরও পালন করা হয়। সাধারণত পরিবারের গৃহকর্ত্রী ও স্কুল কলেজ পড়ুয়া ছেলে-মেয়েরা কবুতর পালনের কাজ করে থাকে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কাঠের বাক্সে পুরনো পদ্ধতিতে কবুতর পালন করা যায়। তবে ইদানিং বাজারে বাচ্চা কবুতরের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় উন্নত পদ্ধতিতে কবুতর পালনের আগ্রহ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। উন্নত ও আধু‌নিক পদ্ধতিতে কবুতর পালন করলে অর্থনৈ‌তিকভা‌বে লাভবান হওয়া সম্ভব।

এই লক্ষণগু‌লো দেখে বুঝে নিন, আপনি থাইরয়েডে আক্রান্ত কি না

আমাদের শরীরের মধ্যে গোপনে কোন রোগ ক্রমশ বেড়ে উঠছে, তা আমরা সবসময় বুঝতে পারি না। তার একটা কারণ, আমরা সমস্ত অসুখের লক্ষণগুলো জানি না। তাই শরীর লক্ষণের মাধ্যমে রোগের উপস্থিতি জানান দিলেও, আমরা তা বুঝতে পারি না।

থাইরয়েডঃ আমাদের ঘাড়ের সামনের দিকে যে প্রজাপতি আকৃতির গ্ল্যান্ড দেখতে পাওয়া যায়, সেটিই থাইরয়েড গ্ল্যান্ড। থাইরয়েড হরমোন আমাদের দেহের মধ্যে সজীব উৎপাদনের রাসায়নিক পরিবর্তনকে নিয়ন্ত্রণ করে।
থাইরয়েড হরমোন যেমন একদিকে আমাদের শরীরের অনেক উপকার করে। তেমনই থাইরয়েড গ্ল্যান্ডের মাধ্যমে আমাদের শরীরের ক্ষতিও হয় অনেক ক্ষেত্রে। থাইরয়েড গ্ল্যান্ডের কর্মহীনতার জন্য আমাদের শরীর অনেক ক্ষেত্রে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় যে খাবারগু‌লো

জমকা‌লো শীতের মৌসুম! আর এই শীতে একটু উষ্ণতা অ‌নেক মজার। শীতকালীন আবহাওয়ায় স‌র্দি, কাঁশি, জ্বর, গলাব্যাথা প্রভৃ‌তি নিত্য‌নৈ‌মে‌ত্তিক ব্যাপার। অথচ সামান্য স‌চেতনভা‌বে জীবন-যাপন ক‌রে চল‌লেই; এসব মৌসুমী রোগ‌থে‌কে মু‌ক্তি পাওয়া সম্ভব। আবার এমন কিছু খাবার র‌য়ে‌ছে, যা নিয়‌মিত খাবার মেনু‌তে রাখলে শরী‌রে রোগ প্র‌তি‌রোধ ক্ষমতা বৃ‌দ্ধি পায়। যা শরী‌রকে রোগ থেকে দূ‌রে রা‌খে। শরীর হয় সুস্থ্য-সুন্দর ও মন থা‌কে প্রফুল্ল। তাই ডায়েটে থাক এমন কিছু, যাতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।
শী‌তে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার বে‌শি খাওয়া দরকার। কারণ এতে থাকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা শরী‌রের বি‌ভিন্ন সংক্রমণ আটকায়।
ভিটামিন বি২, বি৬, ডি, ই ভাইরাস, ব্যাকটিরিয়ার আক্রমণ ঠেকায়। আয়রন, জিঙ্ক প্যাথোজেনের বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করে। এছাড়াও রোগ প্র‌তি‌রোধ ক্ষমতা বৃ‌দ্ধি ক‌রে এমন কিছু খাবা‌রের সা‌থে

অ্যান্টাসিড খাওয়ার কিছু বিপদ জেনে নিন

সারা দি‌নের ব্যস্ততা, না হয় জীবন যাপ‌নে অ‌নিয়ম। হটাৎ বাড়‌তি কাজের ফ‌লে লাইফস্টাইলেও বদল। সময়ম‌তো না খাওয়া বা বেশিরভাগ সময় খালি পেট। তার ওপর ভাজা-পোড়া ও ফাস্টফুডের প্র‌তি আষ‌ক্তি। এর ফ‌লে শরীরে ভর ক‌রে নানান অসুখ। যা খাচ্ছেন, তাতেই অম্বল। পা‌নি খেলেও পেট ভুটভাট ক‌রে। চোঁয়া ঢেকুর। গলা-বুক জ্বালা। বুকে ব্যথা। এ থে‌কে বাঁচ‌তে, সাত-পাঁচ না ভে‌বেই হাতের কাছে থাকা অ্যান্টাসিড খে‌য়ে নিই। এভা‌বে এন্টা‌সিড খাওয়ার ফ‌লে অ‌নেক সমস্যার সৃ‌ষ্টি হ‌তে পা‌রে। জানেন কি কী বিপদ ডেকে আনছেন?

অতিরিক্ত অ্যান্টাসিড সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলছে কিডনির। আর কিডনি দফারফা মানে হুট করে খুলে যাচ্ছে আরও বড় কোন অসুখের দরজা। এমনটাই বলছেন চিকিৎসকেরা। অ্যান্টাসিড কীভাবে ক্ষতি করছে কিডনির? কী রয়েছে অ্যান্টাসিডে? শুধু কিডনিই নয়, অ্যান্টাসিডে ক্ষতি গোটা শরীরের। চিকিৎসকদের দাবি, অ্যান্টাসিডে রয়েছে ক্যালসিয়াম কার্বোনেট। যা কোষ্ঠকাঠিন্য বাড়িয়ে দেয়। শরীরে মাত্রাতিরিক্ত ক্যালসিয়াম কার্বোনেট অম্বল কমানোর চেয়ে বাড়িয়ে দেয়।

* অ্যান্টাসিডের অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রক্সাইডও কোষ্ঠকাঠিন্য বাড়িয়ে দেয়। কিডনির সমস্যা থাকলে তো বিপদ সাংঘাতিক। রক্তে ফসফেটের পরিমাণ কমিয়ে দেয়। শরীর নিস্তেজ হয়ে পড়ে। এমনকী ডেকে আনতে পারে অ্যালঝাইমার্স রোগ।

* ম্যাগনেশিয়াম হাইড্রক্সাইড ও ম্যাগনেশিয়াম অক্সাইডের কারণে ডায়েরিয়া প্রকট হয়। কিডনির সমস্যা থাকলে তো মারাত্মক বিপদ।

* অ্যান্টাসিডে থাকে সোডিয়াম বাইকার্বোনেট। রক্তে নুনের প্রকৃতিটাই বদলে দেয়। অ্যান্টাসিডের বিসমুঠ নুন এন্সিফ্যালোপ্যাথি ঘটাতে পারে। মস্তিষ্কের মারাত্মক রোগ। যার অন্য নাম ডিমেনশিয়া।

* অতিরিক্ত অ্যান্টাসিড মিল্ক অ্যালকালি সিনড্রোম ঘটায়। অর্থাৎ রক্তে অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম পৌছানো। যা কিডনি ফেলিওরের জন্য যথেষ্ট।

* দিনের পর দিন অ্যান্টাসিড ব্যবহারে ঘটতে পারে হার্ট অ্যাটাক। দীর্ঘস্থায়ী মাথার যন্ত্রণা এবং হাড়ের রোগ হতে পারে। পেশির ক্ষতি করে। আলসার এবং পাকস্থলীর ক্যানসারের সম্ভাবনাও বেড়ে যায়।

তাই অম্বল হলেই যথেচ্ছ অ্যান্টাসিডের ব্যবহার নয়। গোড়া থেকে নির্মূল করতে হবে গ্যাস-অম্বলের সমস্যা। বাড়াবাড়ি হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতেই হবে। না হলে কিডনির সমস্যা অ‌তি নিক‌টে।