দেখা গেছে যে, ছয় মাস এক সাথে সহবাসের পর ৫০ শতাংশ ক্ষেত্রে এবং এক বছর পর ৯০ শতাংশ ক্ষেত্রে মহিলারা গর্ভধারণ করে থাকেন।
আউটসোর্সিং ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনার সাথে থাকছে.. গুরুত্বপূর্ণ সফট্ওয়্যার, অনলাইন জগতের বিশেষ খবর, অতিপ্রয়োজনীয় টিপস & ট্রিকস- সহ আরও কিছু আপডেট তথ্য, যা আপনার অনলাইন জীবনকে সমৃদ্ধশালী করতে সহায়ক হবে- উন্মুক্ত ‘সংগ্রহশালা’
বন্ধ্যত্বের সমস্যা সমাধানে চিকিৎসা ও সচেতনতা
দেখা গেছে যে, ছয় মাস এক সাথে সহবাসের পর ৫০ শতাংশ ক্ষেত্রে এবং এক বছর পর ৯০ শতাংশ ক্ষেত্রে মহিলারা গর্ভধারণ করে থাকেন।
আমেরিকান এমবাসিতে চাকরি
চাকরির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ঢাকার আমেরিকান এমবাসি। ‘হিউম্যান রিসোর্সেস অ্যাসিস্ট্যান্ট’ পদে এই নিয়োগ দেওয়া হবে।
যোগ্যতাঃ
ব্যবসা প্রশাসন, হিউম্যান রিসোর্সেস বা আইটি বিষয়ে স্নাতক পাস প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন।
সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে ন্যূনতম তিন বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় লিখিত ও মৌখিক পারদর্শী হতে হবে। এ ছাড়া কম্পিউটার চালনায় জ্ঞানসম্পন্ন প্রার্থীদের আবেদন করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
আবেদন প্রক্রিয়াঃ
আগ্রহী প্রার্থীদের আমেরিকান সব এমবাসির ওয়েবসাইট (bit.ly/2jrGZFa) থেকে ‘ইউনিভার্সাল অ্যাপ্লিকেশন ফর এমপ্লয়মেন্ট (ইউএই)’ (ফরম ডিএস-১৭৪) ফরম সংগ্রহ করতে হবে। ফরমটি পূরণ করে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ ডাকযোগে বা সরাসরি আমেরিকান এমবাসিতে পাঠাতে হবে।
আবেদনের শেষ সময়ঃ
আবেদন করার সুযোগ থাকছে ২৬ জানুয়ারি, ২০১৭ পর্যন্ত।
বিডিজবস ডটকমে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিঃ
পেনড্রাইভে ঢুকতে সমস্যা! সমাধান দেখুন
আপনি কি পেনড্রাইভে ঢুকতে পারছেন না? অনেক সময় ভাইরাসের প্রভাবে পেনড্রাইভে ঢোকা যায় না। Pendrive is Write Protected বার্তা আসে, ফলে পেনড্রাইভ ফরম্যাট হয় না। চাইলে সহজেই এর সমাধান করা যাবে।
এ জন্য ইউএসবি পোর্টে পেনড্রাইভ লাগিয়ে নিয়ে CTRL+R বোতাম একসঙ্গে চেপে রান চালু করতে হবে।
এরপর regedit লিখে এন্টার চাপুন। এবার HKEY_LOCAL_MACHINE > SYSTEM > CurrentControlSet > Control > StorageDevicePolicies পর্যন্ত যান।
কোনো কোনো কম্পিউটারে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে StorageDevicePolicies নামের কি থাকে না। না থাকলে Control পর্যন্ত গিয়ে Control-এর ওপর মাউসের ডান বোতামে ক্লিক করুন। New থেকে Key নির্বাচন করুন। এখানে StorageDevicePolicies লিখে এন্টার চাপলে সেটি তৈরি হয়ে যাবে। এবার ডান দিকে রাইট ক্লিক করে New থেকে ৩২-বিট উইন্ডোজের জন্য DWORD (32-bit) value এবং ৬৪-বিটের জন্য DWORD (64-bit) value-তে ক্লিক করে এটির নাম WriteProtect লিখে দিন। WriteProtect-এ দুই ক্লিক করে Value Data Box-এ 0 (শূন্য) লিখে ওকে চাপুন।
এবার স্টার্ট মেনুতে cmd লিখুন। cmd এলে সেটির ওপর মাউসের ডান বোতামে ক্লিক করে Run as administrator চেপে খুলুন।
এবার এখানে diskpart লিখে এন্টার চাপুন।
আবার list disk লিখে এন্টার চাপুন।
তালিকায় আপনার পেনড্রাইভ দেখালে select disk K: লিখুন।
এখানে K: হচ্ছে পেনড্রাইভের ড্রাইভ লেটার, আপনার পেনড্রাইভের ড্রাইভ লেটার জেনে নিয়ে K: এর স্থানে সেটি লিখে এন্টার চাপুন।
এবার attributes disk clear readonly লিখে এন্টার চাপুন।
আবার clean লিখে এন্টার চাপুন।
পরের বার create partition primary লিখে আবার এন্টার চাপুন।
শেষে format fs=fat 32 লিখে এন্টার চাপুন।
কম্পিউটার রিস্টার্ট করে নিয়ে পেনড্রাইভ ফরম্যাট করে নিন।
ওপরের নিয়মে কাজ না হলে আপনার পেনড্রাইভের ড্রাইভ লেটার জেনে নিন। পেনড্রাইভ কম্পিউটারে লাগিয়ে শাটডাউন করুন। আবার কম্পিউটার চালুর বোতাম চেপে দ্রুত কি-বোর্ড থেকে (F8) কি চেপে ধরুন। Advanced Boot Options দেখাবে। এখানে কি-বোর্ডের ওপর-নিচ কি ব্যবহার করে Safe Mode with Command Prompt নির্বাচন করে এন্টার বোতাম চাপুন। ফাইল লোড সম্পন্ন হলে কমান্ড প্রম্পট চালু হবে। এখানে পেনড্রাইভের ড্রাইভ লেটার K: লিখে এন্টার চাপুন। পরেরবার আবারও format K: লিখে এন্টার চাপুন। পেনড্রাইভ ফরম্যাট করতে চান কি না, সেটি জানতে Y/N কি চাপতে বলবে। তাই এখানে Y লিখে আবারও এন্টার চাপলে পেনড্রাইভ ফরম্যাট হওয়া শুরু করবে।
মাউসের সহজ কিছু কাজ
সব লেখা সম্পাদনা বা ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যারেই নিবন্ধের নির্দিষ্ট অংশ নির্বাচনের সুবিধা থাকে। কোনো পাতার লেখার শুধু মাঝখানের কয়েকটি লাইন নির্বাচন করতে চাইলে সেই লেখার লাইনের শুরুতে মাউসের বাম বোতাম চেপে কি-বোর্ডের শিফট বোতাম চেপে ধরুন, যেখানে
শিশুর ডায়রিয়া হলে করণীয় কি কি?
ডায়রিয়া খুব প্রচলিত রোগ হলেও সময়মতো চিকিৎসা না নিলে এ থেকে মৃত্যুর ঝুঁকিও হতে পারে। শিশুদের ডায়রিয়া প্রতিরোধে মায়ের বুকের দুধ খুব জরুরি। বড়দের তুলনায় শিশুরা ডায়রিয়ায় বেশি আক্রান্ত হয়। অনেক সময় অভিভাবকরা বুঝতে পারে না যে কোনটি ডায়রিয়া, আর কোনটি ডিসেনট্রি !
অ্যান্টিবায়োটিক সেবনে- কিছু জরুরি নির্দেশনা
কবুতর পালন পদ্ধতি
অনেক বাড়িতেই হাঁস-মুরগীর মতো কবুতরও পালন করা হয়। সাধারণত পরিবারের গৃহকর্ত্রী ও স্কুল কলেজ পড়ুয়া ছেলে-মেয়েরা কবুতর পালনের কাজ করে থাকে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কাঠের বাক্সে পুরনো পদ্ধতিতে কবুতর পালন করা যায়। তবে ইদানিং বাজারে বাচ্চা কবুতরের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় উন্নত পদ্ধতিতে কবুতর পালনের আগ্রহ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। উন্নত ও আধুনিক পদ্ধতিতে কবুতর পালন করলে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হওয়া সম্ভব।
এই লক্ষণগুলো দেখে বুঝে নিন, আপনি থাইরয়েডে আক্রান্ত কি না
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় যে খাবারগুলো
শীতে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার বেশি খাওয়া দরকার। কারণ এতে থাকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা শরীরের বিভিন্ন সংক্রমণ আটকায়।
ভিটামিন বি২, বি৬, ডি, ই ভাইরাস, ব্যাকটিরিয়ার আক্রমণ ঠেকায়। আয়রন, জিঙ্ক প্যাথোজেনের বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করে। এছাড়াও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এমন কিছু খাবারের সাথে
অ্যান্টাসিড খাওয়ার কিছু বিপদ জেনে নিন
সারা দিনের ব্যস্ততা, না হয় জীবন যাপনে অনিয়ম। হটাৎ বাড়তি কাজের ফলে লাইফস্টাইলেও বদল। সময়মতো না খাওয়া বা বেশিরভাগ সময় খালি পেট। তার ওপর ভাজা-পোড়া ও ফাস্টফুডের প্রতি আষক্তি। এর ফলে শরীরে ভর করে নানান অসুখ। যা খাচ্ছেন, তাতেই অম্বল। পানি খেলেও পেট ভুটভাট করে। চোঁয়া ঢেকুর। গলা-বুক জ্বালা। বুকে ব্যথা। এ থেকে বাঁচতে, সাত-পাঁচ না ভেবেই হাতের কাছে থাকা অ্যান্টাসিড খেয়ে নিই। এভাবে এন্টাসিড খাওয়ার ফলে অনেক সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। জানেন কি কী বিপদ ডেকে আনছেন?
অতিরিক্ত অ্যান্টাসিড সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলছে কিডনির। আর কিডনি দফারফা মানে হুট করে খুলে যাচ্ছে আরও বড় কোন অসুখের দরজা। এমনটাই বলছেন চিকিৎসকেরা। অ্যান্টাসিড কীভাবে ক্ষতি করছে কিডনির? কী রয়েছে অ্যান্টাসিডে? শুধু কিডনিই নয়, অ্যান্টাসিডে ক্ষতি গোটা শরীরের। চিকিৎসকদের দাবি, অ্যান্টাসিডে রয়েছে ক্যালসিয়াম কার্বোনেট। যা কোষ্ঠকাঠিন্য বাড়িয়ে দেয়। শরীরে মাত্রাতিরিক্ত ক্যালসিয়াম কার্বোনেট অম্বল কমানোর চেয়ে বাড়িয়ে দেয়।
* অ্যান্টাসিডের অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রক্সাইডও কোষ্ঠকাঠিন্য বাড়িয়ে দেয়। কিডনির সমস্যা থাকলে তো বিপদ সাংঘাতিক। রক্তে ফসফেটের পরিমাণ কমিয়ে দেয়। শরীর নিস্তেজ হয়ে পড়ে। এমনকী ডেকে আনতে পারে অ্যালঝাইমার্স রোগ।
* ম্যাগনেশিয়াম হাইড্রক্সাইড ও ম্যাগনেশিয়াম অক্সাইডের কারণে ডায়েরিয়া প্রকট হয়। কিডনির সমস্যা থাকলে তো মারাত্মক বিপদ।
* অ্যান্টাসিডে থাকে সোডিয়াম বাইকার্বোনেট। রক্তে নুনের প্রকৃতিটাই বদলে দেয়। অ্যান্টাসিডের বিসমুঠ নুন এন্সিফ্যালোপ্যাথি ঘটাতে পারে। মস্তিষ্কের মারাত্মক রোগ। যার অন্য নাম ডিমেনশিয়া।
* অতিরিক্ত অ্যান্টাসিড মিল্ক অ্যালকালি সিনড্রোম ঘটায়। অর্থাৎ রক্তে অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম পৌছানো। যা কিডনি ফেলিওরের জন্য যথেষ্ট।
* দিনের পর দিন অ্যান্টাসিড ব্যবহারে ঘটতে পারে হার্ট অ্যাটাক। দীর্ঘস্থায়ী মাথার যন্ত্রণা এবং হাড়ের রোগ হতে পারে। পেশির ক্ষতি করে। আলসার এবং পাকস্থলীর ক্যানসারের সম্ভাবনাও বেড়ে যায়।
তাই অম্বল হলেই যথেচ্ছ অ্যান্টাসিডের ব্যবহার নয়। গোড়া থেকে নির্মূল করতে হবে গ্যাস-অম্বলের সমস্যা। বাড়াবাড়ি হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতেই হবে। না হলে কিডনির সমস্যা অতি নিকটে।




