এনজিওতে চাকরির প্রস্তুতি ও তথ্য (এনজিও জব সহায়িকা) : NGO Job Preparation



ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচি পরিচালনাসহ নানামুখী কার্যক্রমে প্রতিবছর বড়সংখ্যক কর্মী নিয়োগ দেয় বিভিন্ন এনজিও। এসব সংস্থায় এন্ট্রি লেভেলের পদগুলোতে এইচএসসি বা স্নাতক ডিগ্রিধারী ফ্রেসার বা নতুন প্রার্থীরা সুযোগ পান। তবে ব্যবস্থাপক বা ঊর্ধ্বতন পদগুলোতে অভিজ্ঞদের প্রাধান্যই বেশি। এনজিওতে চাকরির সুযোগ কেমন, নিয়োগপ্রক্রিয়া, বাছাই পরীক্ষার প্রস্তুতি ও দরকারি তথ্য নিয়ে আজকের ভিডিও...

করোনা–আক্রান্তদের করণীয়

করোনাভাইরাস দিনকে দিন বিশ্বে ভয়ংকর রূপ নিচ্ছে। এ রোগের কারণে একে একে মৃত্যুর দুয়ারে গেছেন হাজার হাজার মানুষ। মহামারি এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন অনেকেই। দেখা যাচ্ছে, এ রোগে দ্রুত আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধদের মধ্যেই বেশি। চীন থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী বৃদ্ধদের, বিশেষ করে যাঁরা দীর্ঘস্থায়ী চিকিৎসা নিচ্ছেন, তাঁদের করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি। এরই মধ্যে করোনায় সবচেয়ে বেশি মারা গেছেন বয়স্ক ব্যক্তিরাই।
বয়স্কদের মধ্যে দুর্বল প্রতিরোধক্ষমতা ও স্বাস্থ্যের অবনতির কারণে কোভিড–১৯ সহজেই তাঁদের আক্রান্ত করে।
 বৃদ্ধদের মধ্যে কোভিড-১৯ আক্রান্তের ঝুঁকিও বেশি। কেন বৃদ্ধরা এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন, এর সঠিক কারণ কেউই এখন পর্যন্ত বলতে পারছেন না। এটা হতে পারে বয়সজনিত কারণে। কারণ, এ সময় রোগ প্রতিরোধক্ষমতা অনেকটাই কমে যায়। এ জন্য তাঁরা কোনো রোগ বা জীবাণুর সঙ্গে লড়তে পারেন না।

করোনায় মৃত ব্যক্তি থেকে ক‌রোনা ছড়ায় না: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, কভিড-১৯ করোনাভাইরাসে মৃত্যু হওয়া ব্যক্তির শরীর থেকে অন্য কারও সংক্রমণের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে মৃতদেহ সৎকারের সময় হাতের সুরক্ষা ও ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম ব্যবহারের নির্দেশনা দিয়েছে সংস্থাটি। গত ২৪ মার্চ Infection Prevention and Control for the safe management of a dead body in the context of COVID-19 শিরোনামের একটি নিবন্ধে তারা এসব তথ্য জানিয়েছে।

ভুল মা‌স্কের ভয়াবহ বিপদ

সাধারণ মাস্ক
দেশে দেশে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসে আজ আমরাও আক্রান্ত। এই পরিস্থিতিতে স্বাভাবিকভাবেই বেড়েছে মাস্কের ব্যবহার। কিন্তু উদ্বেগজনক সত্য হচ্ছে, দেশে বর্তমানে প্রচলিত মাস্কগুলোর বেশির ভাগই চূড়ান্ত অস্বাস্থ্যকর এবং মানবস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। দেশে মোট আমদানি করা ও উৎপাদিত মাস্কের সিংহভাগ হচ্ছে প্রচলিত নন-উভেন থার্মোপ্লাস্টিক শপিং ব্যাগের কাপড় দিয়ে। নন-উভেন থার্মোপ্লাস্টিক কাপড় হচ্ছে বর্তমান বাজারের সবচেয়ে সস্তা প্লাস্টিক। এ–জাতীয় কাপড়কে বলা হয় পিপি-ফেব্রিক্স, অর্থাৎ এটি প্রোপিলিনের পলিমার দিয়ে তৈরি। পলিথিন যেমন ইথিলিনের পলিমার, পিপি-ফেব্রিক্স তেমন প্রোপিলিনের পলিমার দ্বারা তৈরি। ফলে নন-উভেন কাপড় তৈরিতে কোনো সুতা ব্যবহার করা হয় না; এটি সরাসরি তাপ-রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় উৎপাদিত হয়।

সংক্রামক রোগ: রাসূল সা:-এর নির্দেশনা এবং করণীয়

অধ্যাপক কর্নেল (অব:) ডা: জেহাদ খান: বিভিন্ন দেশের সরকার কর্তৃক করোনাভাইরাসে জনসাধারণকে আতঙ্কিত না হওয়ার জন্য এ চেষ্টা, আর্থিক প্রণোদনা, অন্য দিকে বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে নানা রকম প্রচারণা। এই ভাইরাসের জন্য যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক চীনকে দোষারোপ, আবার চীন ও রাশিয়া কর্তৃক চলছে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীকে দোষারোপ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এটাকে মহামারী ঘোষণা করেছে। বিভিন্ন দেশে এ পর্যন্ত প্রায় পাঁচ লাখ লোক আক্রান্ত হয়েছে এবং প্রায় ২২ হাজার লোক মৃত্যুবরণ করেছে। ভবিষ্যতের অজানা আশঙ্কায় মানুষ খাদ্যদ্রব্য মজুদ করা শুরু করেছে এবং জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। ডাক্তার ও নার্সরাও আতঙ্কের শিকার হচ্ছেন। ঢাকা মেডিক্যালের ডাক্তার ও চিকিৎসা সহকারী একজন বিদেশফেরত রোগীকে চিকিৎসা দিতে অস্বীকার করেছেন এবং পরে সে রোগী মৃত্যুবরণ করেছেন। এক রোগী আতঙ্কিত হয়ে হাসপাতাল থেকে নাকি পালিয়েছেন।

করোনায় নাগরিক ঐক্যের ২৪ ঘণ্টা স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম

করোনা ভাইরাসে ২৪ ঘণ্টা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতে নাগরিক ঐক্যের পক্ষে গণস্বাস্থ্য হাসপাতালের দুই চিকিৎসকের নেতৃত্বে মেডিকেল টিম কাজ করবে।
টিমের চিকিৎসকদের মধ্যে রয়েছেন- ডা. রিফাত হাসান রনি, ডা. বুশরা সাদিয়া। তারা দুজন করোনার চিকিৎসাসেবা প্রদানে সনদপ্রাপ্ত। এ টিমের নেতৃত্ব দেবেন ডা. শোয়েব মোহাম্মদ এবং ডা. রুবাইয়া আনোয়ার।নাগরিক ঐক্যের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চিকিৎসকদের পাশাপাশি শতাধিক স্বেচ্ছাসেবী কাজ করবে। একইভাবে দেশের কয়েকটি জেলায় সেবা প্রদানের জন্য চিকিৎসক এবং স্বেচ্ছাসেবকদের টিম গঠনের প্রক্রিয়া চলছে।
নিচের নম্বরে ফোন করে ২৪ ঘণ্টা সেবা পাওয়া যাবে -
ডা. শোয়েব মোহাম্মদ (০১৭১৯-৪৩৫১৮৫)
ডা. রুবাইয়া আনোয়ার (০১৭০৬-৩৪০২৫৭)
ডা. রিফাত হাসান রনি (০১৬৮০-৭৩৩১৮৪)
ডা. বুশরা সাদিয়া (০১৮৮৪-৯০৭৭২৯)
দেশে করোনা চিকিৎসার উপকরণ যেমন পরীক্ষার কিট, ডাক্তারদের সুরক্ষা উপরকরণের অভাব থাকার পরও নাগরিক ঐক্যের বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল টিম প্রয়োজনে পার্সোনাল প্রটেকটিভ ইকুইপমেন্ট (পিপিই) ব্যবহার করে অক্সিজেন, নেবুলাইজার এবং প্রয়োজনীয় ওষুধসহ রোগীদের কাছে গিয়ে সেবা প্রদান করবে। তাদের করোনা পরীক্ষা এবং প্রয়োজন হলে সরকার অনুমোদিত হাসপাতালে ভর্তি এবং পরবর্তী চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নাগরিক ঐক্যের মেডিকেল টিমের সঙ্গে যোগাযোগের পর যাদের কোয়ারেন্টাইন বা আইসোলেশনের পরামর্শ দেয়া হবে, তারা তা পালন এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ পাচ্ছেন কিনা - তা সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হবে।

হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের নিয়োগ বিজ্ঞ‌প্তি ২০২০ : CGA Job Circular...সর্বমোট ১৯০১ পদের বিশাল চাকরির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

মৎস্য অধিদপ্তরের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২০: Fisheries BD Job Circular 2020

সাত দিনে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃ‌দ্ধি করুন! Increase Immunity


প্রতিমুহূর্তে বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া, ফাংগাস, ভাইরাস আমাদের দেহ আক্রমণের চেষ্টা করে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো হলে এই সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। তাই সুস্বাস্থ্যের জন্য রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো হওয়া দরকারি।

বারবার ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাস আক্রমণের শিকার হলে এবং সুস্থ হতে বেশি সময় লাগলে বুঝতে হবে, শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার অভাব রয়েছে। তখন এটি বাড়ানো প্রয়োজন। কিছু পদক্ষেপ নিলে কয়েক দিনে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো যায়। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে বোল্ডস্কাই জানিয়েছে সাত দিনে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর কিছু উপায়।      

গ্রিন ও ব্ল্যাক টি 
গ্রিন ও ব্ল্যাক টি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোয় খুব কার্যকর। তবে বেশি খাবেন না। দিনে এক থেকে দুই কাপ খান। শরীর ভালো রাখতে ক্যাফেইন (চা, কফি) জাতীয় খাবারের পরিবর্তে গ্রিন টি খান।
 
কাঁচা রসুন 
রসুন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এর মধ্যে রয়েছে এলিসিন, জিংক, সালফার, সেলিনিয়াম, ভিটামিন-এ এবং ই। এ ছাড়া রয়েছে অ্যান্টিফাংগাল, অ্যান্টিভাইরাল ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান। এসব বিষয় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে কার্যকর। সাত দিনের প্রথম দিন কাঁচা রসুন খান।

দই
দই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এর মধ্যে রয়েছে অনেক পুষ্টি উপাদান। এটি হজমের জন্যও ভালো। তাই দই খান। তবে খালি পেটে খাবেন না। 

ওটস
এতে রয়েছে আঁশ এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান। প্রতিদিন খেলে রোগকে সহজে মোকাবিলা করায় সহায়তা পাবেন। 

ভিটামিন-ডি
ভিটামিন-ডি হাড়ের জন্য ভালো। এটি হাড় মজবুত রাখে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। আমরা জানি, ভিটামিন-ডি-এর ভালো উৎস হলো সূর্যের আলো। তবে খুব কড়া আলো ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। সকালের হালকা আলো স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। 

লেবুর শরবত
ভিটামিন-সি রোগবালাইের আক্রমণ থেকে শরীরকে সুরক্ষা দেয়। এটি দেহকে ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ফ্রি রেডিক্যালসের হাত থেকে প্রতিরোধ করে। লেবুতে রয়েছে এই ভিটামিন-সি। তাই এই সাত দিন অবশ্যই লেবুর শরবত খান। এ ছাড়া ভিটামিন-সি পেতে কমলার রসও খেতে পারেন।  

জিংক
শরীরে এনজাইমের কার্যক্রম ঠিকমতো চলার জন্য জিংক প্রয়োজন। জিংকের চাহিদা পূরণে সবুজ শাকসবজি এবং গমের আটার রুটি, শিম ইত্যাদি খেতে পারেন। অথবা চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে জিংক সাপ্লিমেন্টও খেতে পারেন। 

যে খাবারগুলো শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে

বর্তমা‌ন বিশ্ব ধূক‌ছে ক‌রোনা ভাইরা‌সের আক্রম‌ণে। এই আক্রমণ থে‌কে রক্ষা পাওয়ার প্রধান উপায় শরী‌রে রোগ প্র‌তি‌রোধ ক্ষমতা বৃ‌দ্ধি করা। শরীরের সুস্থতা এবং রোগের আক্রমণে দ্রুত অসুস্থ হয়ে পড়া থেকে টিকে থাকতে প্রয়োজন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার রক্ষা কবচ। কিছু খাবার আছে যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে শরীরকে সবসময় সুস্থ রাখে।

এমন কিছু খাবারের তালিকা এখানে দেয়া হলো। দেখে নিন-

১. ভিটামিন ই ও ভিটামিন সি জাতীয় খাবার

ভিটামিন ই ও ভিটামিন সি জাতীয় খাবারে আছে শক্তিশালী অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, যা ইনফেকশন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। তাই প্রতিদিনের খাবারে কমলা, লেবু, পেয়ারা, টমেটো, লেবু, নারকেল, পেয়ারা, কালোজামের মতো খাবার রাখুন। বিটা-ক্যারোটিন যা শরীরের বলিরেখা দূর করে এবং রক্ত পরিশোধন করে।

২. মিষ্টি আলু
গাজরের মতো মিষ্টি আলুতেও থাকে বিটা-ক্যারোটিন। মানুষের শরীরে ঢুকে এটি হয়ে যায় ভিটামিন এ। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। এমনকি বুড়ো হয়ে যাওয়া ঠেকাতেও কাজ করে বিটা-ক্যারোটিন।

৩. চিকেন স্যুপ
বাসায় বানানো চিকেন স্যুপ মানুষের শরীরের জন্য খুব উপকারী। এতে থাকে কারনোসিন নামের একটি রাসায়নিক পদার্থ। এটি ভাইরাস জ্বরের সংক্রমণ থেকে শরীরকে বাঁচাতে ভূমিকা রাখে।

৪. রসুন
রসুন রান্না করা খাবারের স্বাদ বাড়িয়ে দেয়। কাঁচা রসুন ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও ছত্রাকজনিত আক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। বিশেষ করে, ত্বকের সংক্রমণ নিরাময়ে ভালো কাজ করে রসুন। শরীরের কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমাতেও কাজ করে এটি।

৫. আদা
খাবারের ঝাঁজ ছাড়াও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টেরও ভালো উৎস আদা। ফলমূল বা সবজি থেকে পাওয়া অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরে কাজও করে তাড়াতাড়ি।

৬. দুধ ও দই  
জিঙ্ক সমৃদ্ধ খাবার যেমন দুধ ও দই রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। দুধ হজম না হলে দুধের তৈরি খাবার খান। দিনে অন্তত ১০০ গ্রাম দই অথবা ১ কাপ দুধ খাবার চেষ্টা করুন।

৭. কাঠবাদাম 
কাঠবাদামে রয়েছে ভিটামিন ‘ই’ যা খুবই শক্তিশালী একটি অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। এটি ঠাণ্ডার সমস্যা ও কাশি প্রতিরোধ করে। এর স্বাস্থ্যকর ফ্যাট শরীরে শক্তি প্রদান করে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বজায় রাখে।

৮. ক্যারোটিন সমৃদ্ধ খাবার
ক্যারোটিন সমৃদ্ধ খাবার রোগ প্রতিরোধে খুব সাহায্য করে। গাজর, টোমাটো, কুমড়া বেশি করে খান। সারাদিনে ১ কাপ গাজরের জুস খেতে পারলে দারুণ উপকার পাবেন। গাজরের জুস দুধের থেকে সহজপাচ্য ও পুষ্টিকর।

৯. মধু ও দারুচিনি  
মধু ও দারচিনি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

১০. আমলকী  
আমলকীর সাথে অল্প আদা ও খেজুর বেটে নিন। ভিটামিন সিতে ভরপুর আমলকীর এই চাটনি শরীরের জন্য দারুণ উপকারী।

১১. পানি  
সারাদিনে প্রচুর পানি পান করুন। এছাড়া হারবাল চাও খেতে পারেন, কেননা তা শরীরকে নীরোগ রাখতে সহায়তা করে। সফট ড্রিঙ্ক কম খান।

১২. গ্রিন টি  
তুলসি ও গ্রিন টি দেহের জন্য দারুণ উপকারী। এগুলো অর্গানিক, ডায়াবেটিসের জন্য উপকারী, হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী, ক্যালোরি অনেক কম এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে ভরপুর। গ্রিন টি খেলে দেহের রোগ প্রতিরোধীব্যবস্থা শক্তিশালী হয়।