কাজেই এ খাবারটি খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। এ লেখায় তুলে ধরা হলো ঘিয়ের কিছু উপকারিতা।
২. ভিটামিন সমৃদ্ধঃ ভিটামিন এ ও ই থাকায় ঘি পুষ্টিগুণে ভরপুর।
৩. উপকারি কোলস্টেরলঃ কোলস্টেরল দু ধরনের- উপকারি ও ক্ষতিকর। ঘিতে রয়েছে উপকারি কোলস্টেরল।
আউটসোর্সিং ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনার সাথে থাকছে.. গুরুত্বপূর্ণ সফট্ওয়্যার, অনলাইন জগতের বিশেষ খবর, অতিপ্রয়োজনীয় টিপস & ট্রিকস- সহ আরও কিছু আপডেট তথ্য, যা আপনার অনলাইন জীবনকে সমৃদ্ধশালী করতে সহায়ক হবে- উন্মুক্ত ‘সংগ্রহশালা’
বিবাহ পরবর্তী জীবন অর্থাৎ দাম্পত্য জীবনের অপরিহার্য একটি অংশ সন্তান জন্মদান। অনেকেই সময়মতো সন্তান জন্ম দিতে পারেন, অনেকে আবার সময় পেরিয়ে গেলেও প্রজনন ক্ষমতা কম থাকায় সন্তান ধারণ সম্ভবপর হয় না।
বিভিন্ন ধরনের প্রতিবন্ধকতার কারণে গর্ভবতী হওয়ার ক্ষেত্রে অনেকেই দেরি কিংবা অসফল হন। আর তখন দু:খ-অশান্তিতে জীবন দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। এমন সময় কয়েকটি উপায় অবলম্বনে গর্ভবতী হওয়ার প্রতিবন্ধকতা দূর করা যায়।
সন্তান ধারণের সম্ভাবনা বাড়ানোর উপায়ঃ
১. মাসিক চক্রকে জানুনঃ
নারীদের মাসিক চক্রের সব সময়ে গর্ভধারণ সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে আপনার গর্ভধারণের জন্য তাই বেছে নিতে হবে উপযুক্ত সময়। সবচেয়ে ভালো হয় মাসের মাঝামাঝি সময়ে, যখন আপনার দেহ গর্ভধারণের উপযুক্ত থাকে।
২. গর্ভধারণে পজিশন কি গুরুত্বপূর্ণ?
অনেকেই সেক্স পজিশনের সঙ্গে সন্তান ধারণের সম্ভাবনার সম্পর্ক দেখেন। তবে নিরাপদ সেক্স স্টাইল হচ্ছে নারী নিচে আর পুরুষ উপরে। যদিও গবেষকরা বলছেন, সেক্সের ক্ষেত্রে উপযুক্ত কোনো পজিশন নেই। দম্পতিরা যে পজিশনে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে সেই পজিশনই ভালো।
৩. সেক্সের পর বিশ্রামঃ
সেক্সের পর চিৎ অবস্থায় কিছুক্ষণ শুয়ে থেকে- শুক্রাণু জরায়ুর ভেতরে যাওয়ার সুযোগ করে দিতে হবে। এজন্য ১০-১৫ মিনিট অপেক্ষা করলে ফলাফল ভালো পাওয়া যাবে।
৪. নিয়মিত চেকআপঃ
বিভিন্ন কারণে গর্ভধারণে সমস্যা হতে পারে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে প্রি-প্রেগনেন্সি চেকআপ করা যেতে পারে। আর এতে বোঝা যাবে নানা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, যা গর্ভধারণে সহায়ক হতে পারে।
৫. মানসিক চাপ কমানঃ
মানসিক চাপের কারণে শুধু মানসিক নয়, নানা ধরনের শারীরিক সমস্যাও হতে পারে। আর গর্ভধারণের সমস্যাগুলো এড়িয়ে চলতে মানসিক চাপ অবশ্যই ঝেরে ফেলতে হবে।
৬. জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়িঃ
অনেকেই দীর্ঘদিন জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি সেবন করে গর্ভধারণ থেকে বিরত থাকেন। এরপর এ ওষুধ খাওয়া বন্ধ করলেও হঠাৎ গর্ভধারণ করা যায় না। এজন্য কয়েক মাস দেরি হতে পারে। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
৭. ধূমপান ও অ্যালকোহল ত্যাগঃ
ধূমপান, তামাকজাত দ্রব্য ও অ্যালকোহলের কারণে শুক্রাণু উৎপাদন যেমন কমে যায়; তেমনি নারীর এসব বদভ্যাস থাকলেও গর্ভধারণে সমস্যা হয়। তাই এসব বদভ্যাস ত্যাগ করা উচিত দ্রুত গর্ভধারণ জন্য।
৮. ওজন কমানঃ
দেহের বাড়তি ওজন গর্ভধারণে সমস্যা সৃষ্টি করে। তাই ওজন কমানোর পদক্ষেপ নিতে হবে।
৯. সঠিক ও পুষ্টিকর খাবারঃ
পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাবার খাওয়া হলে গর্ভধারণ সহজ হবে। এজন্য ভিটামিন, মিনারেল, ফ্যাট ও ফাইবারযুক্ত সুষম খাবার খেতে হবে।
@গর্ভধারন ক্ষমতা বৃদ্ধির উপায় বা নিয়ম, #প্রজনন ক্ষমতা #সন্তান ধারণের সম্ভাবনা বাড়ানোর উপায় , #বাচ্চা নেয়ার নিয়ম
চাকরির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ঢাকার আমেরিকান এমবাসি। ‘হিউম্যান রিসোর্সেস অ্যাসিস্ট্যান্ট’ পদে এই নিয়োগ দেওয়া হবে।
যোগ্যতাঃ
ব্যবসা প্রশাসন, হিউম্যান রিসোর্সেস বা আইটি বিষয়ে স্নাতক পাস প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন।
সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে ন্যূনতম তিন বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় লিখিত ও মৌখিক পারদর্শী হতে হবে। এ ছাড়া কম্পিউটার চালনায় জ্ঞানসম্পন্ন প্রার্থীদের আবেদন করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
আবেদন প্রক্রিয়াঃ
আগ্রহী প্রার্থীদের আমেরিকান সব এমবাসির ওয়েবসাইট (bit.ly/2jrGZFa) থেকে ‘ইউনিভার্সাল অ্যাপ্লিকেশন ফর এমপ্লয়মেন্ট (ইউএই)’ (ফরম ডিএস-১৭৪) ফরম সংগ্রহ করতে হবে। ফরমটি পূরণ করে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ ডাকযোগে বা সরাসরি আমেরিকান এমবাসিতে পাঠাতে হবে।
আবেদনের শেষ সময়ঃ
আবেদন করার সুযোগ থাকছে ২৬ জানুয়ারি, ২০১৭ পর্যন্ত।
বিডিজবস ডটকমে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিঃ
আপনি কি পেনড্রাইভে ঢুকতে পারছেন না? অনেক সময় ভাইরাসের প্রভাবে পেনড্রাইভে ঢোকা যায় না। Pendrive is Write Protected বার্তা আসে, ফলে পেনড্রাইভ ফরম্যাট হয় না। চাইলে সহজেই এর সমাধান করা যাবে।
এ জন্য ইউএসবি পোর্টে পেনড্রাইভ লাগিয়ে নিয়ে CTRL+R বোতাম একসঙ্গে চেপে রান চালু করতে হবে।
এরপর regedit লিখে এন্টার চাপুন। এবার HKEY_LOCAL_MACHINE > SYSTEM > CurrentControlSet > Control > StorageDevicePolicies পর্যন্ত যান।
কোনো কোনো কম্পিউটারে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে StorageDevicePolicies নামের কি থাকে না। না থাকলে Control পর্যন্ত গিয়ে Control-এর ওপর মাউসের ডান বোতামে ক্লিক করুন। New থেকে Key নির্বাচন করুন। এখানে StorageDevicePolicies লিখে এন্টার চাপলে সেটি তৈরি হয়ে যাবে। এবার ডান দিকে রাইট ক্লিক করে New থেকে ৩২-বিট উইন্ডোজের জন্য DWORD (32-bit) value এবং ৬৪-বিটের জন্য DWORD (64-bit) value-তে ক্লিক করে এটির নাম WriteProtect লিখে দিন। WriteProtect-এ দুই ক্লিক করে Value Data Box-এ 0 (শূন্য) লিখে ওকে চাপুন।
এবার স্টার্ট মেনুতে cmd লিখুন। cmd এলে সেটির ওপর মাউসের ডান বোতামে ক্লিক করে Run as administrator চেপে খুলুন।
এবার এখানে diskpart লিখে এন্টার চাপুন।
আবার list disk লিখে এন্টার চাপুন।
তালিকায় আপনার পেনড্রাইভ দেখালে select disk K: লিখুন।
এখানে K: হচ্ছে পেনড্রাইভের ড্রাইভ লেটার, আপনার পেনড্রাইভের ড্রাইভ লেটার জেনে নিয়ে K: এর স্থানে সেটি লিখে এন্টার চাপুন।
এবার attributes disk clear readonly লিখে এন্টার চাপুন।
আবার clean লিখে এন্টার চাপুন।
পরের বার create partition primary লিখে আবার এন্টার চাপুন।
শেষে format fs=fat 32 লিখে এন্টার চাপুন।
কম্পিউটার রিস্টার্ট করে নিয়ে পেনড্রাইভ ফরম্যাট করে নিন।
ওপরের নিয়মে কাজ না হলে আপনার পেনড্রাইভের ড্রাইভ লেটার জেনে নিন। পেনড্রাইভ কম্পিউটারে লাগিয়ে শাটডাউন করুন। আবার কম্পিউটার চালুর বোতাম চেপে দ্রুত কি-বোর্ড থেকে (F8) কি চেপে ধরুন। Advanced Boot Options দেখাবে। এখানে কি-বোর্ডের ওপর-নিচ কি ব্যবহার করে Safe Mode with Command Prompt নির্বাচন করে এন্টার বোতাম চাপুন। ফাইল লোড সম্পন্ন হলে কমান্ড প্রম্পট চালু হবে। এখানে পেনড্রাইভের ড্রাইভ লেটার K: লিখে এন্টার চাপুন। পরেরবার আবারও format K: লিখে এন্টার চাপুন। পেনড্রাইভ ফরম্যাট করতে চান কি না, সেটি জানতে Y/N কি চাপতে বলবে। তাই এখানে Y লিখে আবারও এন্টার চাপলে পেনড্রাইভ ফরম্যাট হওয়া শুরু করবে।