আউটসোর্সিং ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনার সাথে থাকছে.. গুরুত্বপূর্ণ সফট্ওয়্যার, অনলাইন জগতের বিশেষ খবর, অতিপ্রয়োজনীয় টিপস & ট্রিকস- সহ আরও কিছু আপডেট তথ্য, যা আপনার অনলাইন জীবনকে সমৃদ্ধশালী করতে সহায়ক হবে- উন্মুক্ত ‘সংগ্রহশালা’
খরগোশ পালন পদ্ধতি (Rabbits Farming)
যেসব সুবিধা থাকবে গুগল বার্ডে : Google Bard AI
মাইক্রোসফটের চ্যাটজিপিটি ইতিমধ্যেই বিশ্বের বাজারের একটা বড় অংশ দখল করে ফেলেছে। তার সাথে পাল্লা দিতেই যেন এমন সিদ্ধান্ত নিলো গুগল।
গুগলের তরফে জানানো হয়েছে, বার্ড গুগলের একটি বিশেষ ধরনের পরীক্ষানিরীক্ষা যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাথে যৌথভাবে কাজ করবে। এটি অতীতের তথ্যের উপর ভর করে নতুন তথ্য নির্বাচন করে দেয় তা নয়, বরং নয়া তথ্য তৈরি করে। এর পাশাপাশি একটি বা দুটি নয়, ২০টি প্রোগ্রামিং ভাষায় লেখা যাবে সফটওয়্যার বানানোর কোড। জাভা, সি++ থেকে পাইথন সব ভাষাই থাকবে এই চ্যাট বোটের আয়ত্তে। এছাড়াও আরো বেশ কয়েকটি, সুবিধা দিচ্ছে গুগলের বিশেষ চ্যাট বোট। বলা হচ্ছে, এ বোটটি কোনো সফটওয়্যারকে ডিবাগ করতেও সাহায্য করবে। অর্থাৎ সফটওয়্যারের মধ্যে কোনো গন্ডগোল থাকলে তা বোটই খুঁজে বের করতে সাহায্য করবে।
গুগলের তরফে জানানো হয়েছে, বার্ড কোড লেখার লাগানোর পাশাপাশি কোড বুঝিয়ে দিতেও সক্ষম। এছাড়াও, কোনো বড় কোড থাকলে তাকে ঠিকঠাক আকার দিয়ে (অপটিমাইজ করে) আরো দ্রুত কাজ করতে সাহায্য করবে। তার জন্য বার্ডকে শুধু একটিই নির্দেশ দিতে হবে। কোডটি লিখে দিয়ে জিজ্ঞেস করতে হবে, ‘তুমি কি এই কোডকে আরো সহজভাবে লিখে দিতে পারো?’
বর্তমানে খুব কম সংখ্যক মানুষই এ বোটটি ব্যবহার করতে পারেন। সবার জন্য বোটটি উপলব্ধ হলে সফটওয়্যার কোডিং লেখাতে আমূল পরিবর্তন আসবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
মোবাইল ফোনে চ্যাটজিপিটি ব্যবহারের উপায় : How to use ChatGPT in mobile phone
ওয়েব ব্রাউজারে সহজে প্লাটফর্মটি ব্যবহার করা গেলেও স্মার্টফোনের ব্যবহারকারীদের জন্য এখনো কঠিন। অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস প্লাটফর্মে কীভাবে এটি ব্যবহার করা যাবে, সে বিষয়ে জানিয়েছে দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।
অ্যান্ড্রয়েড ও আইফোনে চ্যাটজিপিটি ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ধাপ অনুসরণ করতে হবে।
প্রথমে অ্যান্ড্রয়েড বা আইফোন থেকে চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করতে যেকোনো ওয়েব ব্রাউজার ব্যবহার করতে হবে। গুগল ক্রোম, ফায়ারফক্স বা অন্য কোনো ব্রাউজার চালু করতে হবে।
এরপর ব্রাউজারের সার্চ অপশনে গিয়ে ওপেনএআই লিখে সার্চ দিতে হবে। অথবা চ্যাট ওপেনএআই ডট কম লিংকে প্রবেশ করতে হবে। লিংকটি সরাসরি চ্যাটজিপিটির চ্যাটবট অপশনে নিয়ে যাবে। সেখানে সাইনআপ অপশন দেখানো হবে। তৃতীয় ধাপের অংশ হিসেবে সেটিতে ক্লিক করতে হবে। এরপর ফোন নম্বর বা ই-মেইল আইডি দিয়ে নতুন অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে বা সাইনআপ করতে হবে। আগে থেকে সাইনআপ করা থাকলে আইডি-পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করতে হবে। লগইন করার পর নির্ধারিত টপিক বা নতুন কথোপকথন চালুর মাধ্যমে চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করা যাবে।
ChatGPT এর কাজ কি? চ্যাট জিপিটি কত সালে চালু হয়? চ্যাট জিপিটি জনক কে?
চ্যাটজিপিটি কী, কীভাবে ব্যবহার করবেন? What is ChatGPT? How to Use ChatGPT?
আপাতত পাবলিক টেস্টিংয়ের জন্য এটির ব্যবহার উন্মুক্ত করা হয়েছে। এরইমধ্যে ইলন মাস্কের এই চ্যাটবুটে ব্যবহারকারীর সংখ্যা এক মিলিয়ন ছাড়িয়ে গেছে। যা হয়েছে চ্যাটজিপিটি উন্মুক্ত করার মাত্র এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে। পরিসংখ্যান বলছে মাত্র ৫ দিনে ১০ লাখ ব্যবহারকারী রেজিস্ট্রেশন করেছে এই চ্যাটবট প্লাটফর্মে।
চ্যাটবট হলো এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে গঠন করা হয়। এটি একটি বড় ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল যাকে অসংখ্য ডেটা দিয়ে প্রশিক্ষিত করা হয়। ফলে কোনো ডিভাইসের মাধ্যমে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই মানুষের মতো করে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে; অর্থাৎ ম্যাসেজের রিপ্লাই দিতে পারে।
চ্যাটজিপিটির পূর্ণরূপ হলো জেনারেটিভ প্রি-ট্রেনড ট্রান্সফরমার এর পূর্ণরূপ। এখানে জেনারেটিভ শব্দের অর্থ তৈরি করা, প্রি ট্রেন্ড অর্থাৎ প্রশিক্ষিত ট্রান্সফর্মার। চ্যাট জিপিটিতে ট্রান্সফরমার এমন একটি মেশিন লার্নিং মডেল, যা কোনো কিছুর বিষয়ে সহজেই বুঝতে পারে। চ্যাটজিবিটি হলো আসলে একটি চ্যাটবট যা ওপেনআই দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। জিপিটি-৩.৫ এর উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে এটি, যা আসলে একটি ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল।
২০১৫ সালে ইলন মাস্ক ও স্যাম অল্টম্যান শুরু করেছিলেন এই চ্যাটবট তৈরি করার কাজ। চ্যাট জিপিটি-র চ্যাটবটটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে যা আপনার যে কোনো প্রশ্নের উত্তর গুগলের চেয়ে ভালোভাবে ব্যাখ্যা করতে পারে। সেদিক থেকে বলা যায়, গুগলের ঘুম কেড়ে নিয়েছে ইলন মাস্কের চ্যাটজিপিটি।
টেক ব্লগাররা একে গুগলের চেয়ে ভালো প্রযুক্তি বলছে। কারণ আপনি যখন গুগলে সার্চ করেন, তখন এটি আপনাকে গুগলের মতো অনেকগুলো লিঙ্ক দেখায় না। তার পরিবর্তে সঙ্গে সঙ্গেই সেকেন্ডের মধ্যে সঠিক উত্তরটি আপনার সামনে রেখে দেয়।চ্যাটজিপিটির রয়েছে আকর্ষণীয় কিছু ফিচার। রচনা লেখা থেকে শুরু করে গানের লিরিক্স লেখা, গল্প লেখা, এমনকি কবিতা লিখতেও নির্দেশ দেওয়া যাবে এই চ্যাটবটকে।
চ্যাটজিপিটি আসলে কী? যেভাবে কাজ করে : How to Work ChatGPT
প্রতিনিয়তই আসছে নিত্য নতুন প্রযুক্তি। তবে কয়েক বছর ধরেই প্রযুক্তি দুনিয়ায় আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দাপট দেখাচ্ছে। বর্তমানে ওপেন এআই এর দুনিয়ায় সবচেয়ে আধুনিকতম সংযোজন হচ্ছে চ্যাটজিপিটি। চ্যাটজিপিটির ব্যাপক সাড়ার ফলে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণাও দিয়েছে গুগল।
মূলত চ্যাটজিপিটি একটি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ভিত্তিক সার্চ টুল। এর আগে ওপেন এআই ক্ষেত্রে সাড়া ফেলেছিলো ডল-ডি। এটি ছিল একটি ওপেন এআই ইমেজ জেনারেটর। যা টেক্সট থেকে ছবি তৈরি করতে সাহায্য করত।
তবে গত বছর নভেম্বর মাসে চ্যাটজিপিটির আগমনের ফলে সোশ্যাল মিডিয়ায় টেক উৎসাহীদের মধ্যে হইচই পড়ে গিয়েছে। কিন্তু কী এই চ্যাট জিপিটি? এই প্রযুক্তি নিয়ে সবাই এত উদ্দীপিত কেন? চলুন কিছু তথ্য জেনে নেওয়া যাক।
চ্যাটজিপিটি কী?
চ্যাটজিপিটি হলো একটি চ্যাট বট। যা আমরা মাঝে মধ্যেই বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপে দেখে থাকি। তবে এটির গঠন এবং কাজ করার পদ্ধতি সম্পূর্ণ আলাদা। এই চ্যাটবট তৈরি করা হয়েছে জেনারেটিভ প্রিট্রেইনড ট্রান্সফরমার ৩ এর উপর ভিত্তি করে। এটি একটি অত্যাধুনিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ এআই মডেল। যা ওপেন এআই দ্বারা তৈরি হয়েছে। এই চ্যাটবট মানুষের মতো টেক্সট তৈরি করতে সক্ষম। ব্যবহারকারী যে কোনও প্রশ্নের উত্তর খুব গঠনমূলক এবং সহজ ভাবে প্রদর্শন করে এই চ্যাটবট।
চ্যাটজিপিটির যেসব সুবিধা থাকছে
এআই মডেলের দ্বারা তৈরি চ্যাটবট সম্পূর্ণ নির্ভুল এবং যুক্তি-যুক্তভাবে রেজাল্ট প্রদর্শন করে। ফলে উক্ত ব্যবহারকারী বুঝতে সুবিধা হয়। এবং কোনো তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ অর্থাৎ বিজ্ঞাপন ছাড়াই কাজ করে এই চ্যাটবট। এই চ্যাটবট আপনার জন্য কবিতা লিখে দিতে পারে, আপনার পরীক্ষার প্রশ্নের উত্তর লিখে দিতে পারে, অর্থনীতি-রসায়ন থেকে শুরু করে একাধিক প্রশ্নের উত্তর দিতে সক্ষম এই চ্যাটবট।
চ্যাট জিপিটি যেভাবে কাজ করে
ওপেনএআই চ্যাটবট ইন্টারনেটে উপলব্ধ টেক্সট ডাটাবেস থেকে তথ্য গ্রহণ করে কাজ করে। ইন্টারনেটে থাকা ওয়েব পেজ, ওয়েব টেক্সট, বই, উইকিপিডিয়া, আর্টিকেল সহ বিভিন্ন সোর্স থেকে প্রায় ৫৭০ জিবির বেশি ডাটা সমৃদ্ধ এই চ্যাট জিপিটি। শুধু তাই নয় এই চ্যাট বটে রয়েছে ৩০০ বিলিয়ন শব্দের ভাণ্ডার। পাশাপাশি এটি একটি বাক্যের পরবর্তী শব্দটি কী হওয়া উচিত তা অনুমান করতেও সক্ষম।
আপনি যদি চ্যাট জিপিটিতে গিয়ে সার্চ করেন হোয়াট ইস ইনফ্লাশন? সে তার যথোপযুক্ত নির্ভুল উত্তর দেবে। কিন্তু এর মানে এই নয় যে এটি সঠিক ভাবে কাজ করতে পারে। উত্তরটি যদি কোনও কারণে ভুল হয় তাহলে পুনরায় নিযুক্ত থাকা কর্মীরা প্রশ্নের সঠিক উত্তরটি সিস্টেমে ইনপুট করে দেয়। ফলে চ্যাট জিপিটির জ্ঞানের ভাণ্ডার ক্রমশ বাড়তে থাকে। পরবর্তীকালে যেকোনো প্রশ্নের উত্তর আরও দ্রুত ও নির্ভুল দিতে পারে সে।
চ্যাটজিপিটির অসুবিধা
কিছু সুবিধা থাকলেও চ্যাটজিপিটি নিয়ে এখনও নিশ্চিত নয় অনেকেই। মূলত, এই চ্যাট বটে কেবল টেক্সট রেজাল্ট পাওয়া যায়। ভিডিও বা ভিজুয়াল রেজাল্ট আসে না। শুধু এটা নয়, সাম্প্রতিক ঘটে যাওয়া ঘটনা বা বিষয় সম্পর্কে এটি উত্তর দিতে সক্ষম নয়। কারণ এটির সিস্টেমে যে ডাটাবেস রয়েছে তা তুলনামূলক পুরোনো। তাছাড়া এটির সিস্টেমে যে ডাটাবেস রয়েছে সেই অনুযায়ী এটি উত্তর প্রদর্শন করে।
ব্যাংকঋণ, কর ও সঞ্চয়পত্রে নারীরা যেসব সুবিধা পান : Bank Loan for Women
অর্থনীতি, সমাজ বা রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়লেও বাংলাদেশের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর মধ্যেই এখনো তাঁদের অবস্থান। তবে নারীদের এগিয়ে নিতে নানা রকমের উদ্যোগ রয়েছে, যার মধ্যে আছে কিছু আর্থিক সুবিধার ব্যবস্থাও। অর্থাৎ আর্থিক ক্ষেত্রে একজন নারী পেতে পারেন বিশেষ কিছু সুবিধা।
২ হাজার টাকার মূলধনে লাখোপতি
প্রাইজবন্ড যখন সঞ্চয়ের মাধ্যম : Prize Bond
সঞ্চয়ের কথা এলেই যে কারও মনে প্রথমেই হয়তো আসে সঞ্চয়পত্রের কথা। কেউ হয়তো ব্যাংকে মাসে মাসে সঞ্চয়ের কথাও ভাবেন, যেটি ডিপিএস নামে বেশি পরিচিত।
সঞ্চয়পত্র বা ব্যাংকের ডিপিএস, যেটিই হোক—এ দুই সঞ্চয়ের জন্য মাসে মোটা অঙ্কের অর্থ লাগে। প্রচলিত সঞ্চয়পত্র কিনতে গেলে লাগে লাখ টাকা। আর ব্যাংকে ডিপিএস করতে হলে মাসে ন্যূনতম ৫০০ টাকা লাগে। তবে এর কমে যাঁরা সঞ্চয় করতে আগ্রহী, তাঁদের জন্য তাহলে সঞ্চয়ের ব্যবস্থা কী? প্রশ্নটি জাগতেই পারে যে কারও মনে। মাসে যাঁরা ১০০ টাকা থেকে শুরু করে হাজার টাকা, অর্থাৎ সামর্থ্য অনুযায়ী একেক মাসে একেক পরিমাণ অর্থ সঞ্চয় করতে চান, তাঁরা কী করবেন। তাঁদের জন্য সঞ্চয়ের বিকল্প হতে পারে প্রাইজবন্ড।




