মাথাব্যথার চিকিৎসা

মাথা ব্যথা প্র‌ত্যে‌কেরই এক‌টি কমন সমস্যা। কারও কম আর কারও প্র‌তি‌নিয়ত।  এ‌ক্ষে‌ত্রে প্র‌তিকা‌রের চাই‌তে প্র‌তি‌রোধ বে‌শি কার্যকর। তাই স‌চেতন হোন, সুস্থ্য-সুন্দর জীবন যাপন করুন। যে কোন সমস্যার সমাধানও আ‌ছে। সেরকমই মাথা ব্যথারও কিছু ঘ‌রোয়া সমাধান জে‌নে রাখুনঃ

পানি পান
অধিকাংশ ক্ষেত্রেই শরীরে পানির অভাবে মাথাব্যথা হয়। তাই মাথাব্যথার শুরুতেই ঝটপট দুই গ্লাস ঠাণ্ডা পানি পান করুন। আর দিনে অন্তত তিন থেকে চার লিটার পানি পানের অভ্যাস করুন।

পায়ের সেক
প্রথমে সহ্য করার উপযোগী গরম পানির বালতিতে দুই মিনিট পা ডুবিয়ে রাখুন। এবার বরফ শীতল পানিতে পা ডোবাতে হবে দুই মিনিট ধরে। তারপর আবার গরম পানিতে পা ডুবান। এতে করে ত্বকে রক্ত সরবরাহের গতি বাড়বে। শরীরের দরকারি জায়গায় দ্রুত পুষ্টি পৌঁছাবে। ২০ মিনিট এ প্রক্রিয়া চালান।

চোখের অনুশীলন
স্মার্টফোন, ট্যাব, কম্পিউটার, টিভি ইত্যাদি স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকেন যাঁরা তাঁদের মাথাব্যথা অতি পরিচিত সমস্যা। এ ক্ষেত্রে প্রতি আধাঘণ্টা পর পর কয়েক মিনিট করে চোখের সম্পূর্ণ বিশ্রাম দিতে হবে।
এ ছাড়া কয়েক মিনিট পর পর এদিক-ওদিক তাকালে ও মাঝে মাঝে মুখে ঠাণ্ডা পানির ঝাপটা দিলে আরাম পাওয়া যাবে। এ ছাড়া অন্ধকার ঘরে বিশ্রাম নিলেও উপকার পাওয়া যাবে।

ঠাণ্ডা বা গরম
মাথায় কিছুক্ষণের জন্য বরফ লাগান। তবে সরাসরি বরফ লাগাবেন না, আইসব্যাগে ভরে মাথা বরফ শীতল করা যেতে পারে। পাশাপাশি ঘাড়ে দিতে হবে গরম পানির ভাপ। এতে রক্ত চলাচল বাড়বে এবং মাথাব্যথা উপশম হবে।

লেবুর চা
মাথাব্যথায় লেবুর চা উপকার। এ ক্ষেত্রে লেবুর চায়ের মাঝে লেবুর চামড়াও কুচি করে মিশিয়ে দিলে উপকার পাবেন।

ম্যাগনেশিয়াম খান
ম্যাগনেশিয়াম সমৃদ্ধ শাকসবজিতে রয়েছে অ্যান্টি-পাজমোডিক ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি (ব্যথানাশক) উপাদান। তাই মাথাব্যথা কমাতে বেশি করে ব্রকলি, পুঁইশাক, পালংশাক, শিম, সয়াদুধ, বাদাম খান।

শিথিলতা
দেহের ক্রমাগত অস্থিরতা থেকেও মাথাব্যথা দেখা দিতে পারে। এ জন্য বিশ্রাম নিন এবং সব চিন্তা বাদ দিয়ে এক থেকে ধীরে ধীরে একশ পর্যন্ত গুনতে থাকুন। বড় করে শ্বাস নিন যাতে মাংস পেশি শিথিল হয়।

No comments:

Post a Comment