নারকেল তেলের যতোসব উপকারীতা

নারকেল তেল আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি উপাদান। তেলের মধ্যে নারকেল তেলের উপকারিতা যে সবথেকে বেশি এই বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। চুলের যত্নে, খুশকি দূর করতে এবং মাথার চামড়া খসখসে হয়ে গেলে নারকেল তেলের কোনো বিকল্প নেই। এটি বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে বিশেষ করে ক্যান্সার, কিডনিতে পাথর, হৃদরোগ ও অতিরিক্ত ওজন কমাতে কোন জুড়িই নেই। যে কোনো ধরনের চর্মরোগে এই তেল বেশ কার্যকর ভূমিকা রাখে। আয়ুর্বেদিক চিকিৎসকদের মতে গরমের সময় শরীরে যত ধরনের চর্মরোগ হয় তা উপশমে নারকেল তেল অনেক উপকারি।

নারকেলে তেলে রয়েছে লাউরিক অ্যাসিড, যা ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে৷ কারণ এই ফ্যাটি অ্যাসিড এবং আদ্রতা মিশে যা তৈরি হয়, তা মুখের শুষ্ক ত্বকের জন্য খুবই
উপকারী৷ তাই এটি বলিরেখা দূর করতে সাহায্য করে৷ এ কথা জানান জার্মান ত্বক বিশেষজ্ঞ ডা. হান্স-গিয়র্গ ডাওয়ার৷

নারকেল তেল মানুষের লিভার ভালো রাখতে সাহায্য করে। এটি হজমে সাহায্য করে পরিপাকে সাহায় করে ফলে লিভারও ভালো থাকে।

নারকেল তেল ব্যবহারে লোমকূপ পরিষ্কারের পাশাপাশি ব্রণের চারপাশের ফোলাভাবটাও কমে যায়। নিয়মিত ব্যবহারে ব্রণ সমস্যার স্থায়ি সমধান নিয়ে আসে।

সুন্দর ঘন চুলের জন্য নারকেল তেল ব্যবহারের কথা জনে না এমন বাঙালি পাওয়া সত্যিই কঠিন৷ তবে এই তেল জীবাণু ধ্বংস করে, ত্বকের নানা রোগ সারায় কিংবা মশার কামড়কে দূরে রাখে৷

নারকেল তেলে থাকে মিডিয়াম চেইন ট্রিগলিসেরাইডস বা এম,সি,টি,৷ এল,সি,টি স্নেহ পদার্থকে জমা করে শরীরের বিভিন্ন অংশে ফ্যাট টিস্যু হিসেবে। ফলে এম,সি,টি হওয়ায় নারকেল তেল শরীরে স্নেহপদার্থ জমতে না দিয়ে পুড়িয়ে ফেলে এবং শরীরকে রাখে চর্বিমুক্ত।

গোসলের পর শরীরে নারকেল তেল ব্যবহার করলে ত্বকের খসখসে ভাব কেটে যায়। ত্বক হয়ে ওঠে মসৃণ। চুলকানিও বন্ধ হয়।

নারকেল তেলের ৫০% স্নেহ পদার্থ, ১২- কার্বন লোরিক এসিড এই দুই পদার্থ এক হয়ে নানা ধরনের ব্যাকটেরিয়া ও ইনফেকশন হওয়া থেকে শরীরকে বাচাঁয়।


শুষ্ক ত্বকের জন্য নারকেল তেল, নারকেল তেল ব্যবহার করবেন যে কারণে

No comments:

Post a Comment